কপিলের সঙ্গে পান্ডিয়ার তুলনা পছন্দ নয় গাভাস্কারের

কপিলের সঙ্গে পান্ডিয়ার তুলনা পছন্দ নয় গাভাস্কারের

আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে তার আগমনের পরে অনেকেই কপিল দেবের সঙ্গে হার্দিক পান্ডিয়ার তুলনা শুরু করেছিলেন। তবে সাবেক ভারতীয় অধিনায়ক সুনীল গাভাস্কার এই তুলনা পছন্দ করেন না।

গাভাস্কারের মতে, কিংবদন্তি অলরাউন্ডার কপিলের মতো ক্রিকেটার একশ বছরে একজনই আসে। তার সঙ্গে কারও তুলনা চলে না।

ভারতীয় একটি টিভি চ্যানেলে সোমবার গাভাস্কার বলেছেন, ‘কপিল দেবের সঙ্গে কারও তুলনাই হওয়া উচিত নয়। তার মতো ক্রিকেটার শুধু এক প্রজন্মেই নয়, একশ বছরে একজন আসে। ঠিক যেমন স্যার ডন ব্র্যাডম্যান এবং শচীন টেন্ডুলকার।’

দীর্ঘ পরিসরে শিখর ধাওয়ানের ব্যাটিং নিয়েও খুশি নন গাভাস্কার। এজবাস্টনে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে প্রথম টেস্টের দুই ইনিংসে বাঁহাতি ওপেনার করেছেন ২৬ ও ১৩ রান।

টেস্টে সাফল্য পেতে হলে ধাওয়ানের মানসিকতা বদলাতে হবে বলে মনে করেন ৬৯ বছর বয়সি গাভাস্কার, ‘ধাওয়ান তার খেলাটা বদলাতেই চায় না। এতদিন যেভাবে রান করেছে, সেভাবেই ব্যাট করতে চায়। এভাবে খেলে ওয়ানডেতে সফল হওয়া সম্ভব, কারণ তখন স্লিপে বেশি ফিল্ডার থাকে না। ফলে এজ হয়েও বল বাউন্ডারিতে চলে যায়।’

‘কিন্তু টেস্টে সেটা সম্ভব নয়। টেস্টে ও রকম শট খেললে উইকেট বিসর্জন দিতে হয়। একজন ব্যাটসম্যান যদি মানসিকভাবে নিজেকে বদলাতে না পারে, তাহলে বিদেশের মাটিতে লাল বলে তাকে নিয়মিত ভুগতে হবে’- যোগ করেন গাভাস্কার।

ইংল্যান্ডে পাঁচ টেস্টের সিরিজে ভারত পিছিয়ে পড়েছে ১-০ ব্যবধানে। গাভাস্কার মনে করেন, লর্ডসে দ্বিতীয় টেস্টে ভারতের উচিত হবে একজন বাড়তি ব্যাটসম্যান খেলানো, ‘আমি হলে একজন বাড়তি ব্যাটসম্যান হিসেবে চেতেশ্বর পূজারাকে খেলাতাম। তার টেকনিক এবং ধৈর্য আছে টেস্ট ক্রিকেটে সফল হওয়ার। সে কার জায়গা নেবে, সেটা উইকেট দেখে ঠিক করতে হবে। উইকেট যদি সবুজ না হয়, তাহলে আমি উমেশ যাদবকে বসিয়ে পূজারাকে খেলাব এবং হার্দিককে দলে রেখে দেব।’

এজবাস্টনে ১৯৪ রান তাড়ায় ভারত হেরেছে ৩১ রানে। লক্ষ্য তাড়ায় চতুর্থ দিনে সফরকারীরা অলআউট হয় ১৬২ রানে। গাভাস্কারের বিশ্বাস, ভারত লর্ডসে ঘুরে দাঁড়াবে। আর সেজন্য আগে টসটা জিততে হবে।

‘ভারতকে লর্ডস টেস্ট জিততে হলে আগে টস জিততে হবে এবং আগে ব্যাটিং নিতে হবে। গত বছর জোহানেসবার্গে তৃতীয় টেস্টের কথাই ধরুন, ভারতের বিপক্ষে শেষ ইনিংস ব্যাটিংয়ে নেমে দুইশর আগে কীভাবে দক্ষিণ আফ্রিকার ধস নেমেছিল। যেকোনো জায়গায় শেষ ইনিংসে দুইশ রান তাড়া করা কঠিন। এজবাস্টনে রান তাড়া করলে ভারতের জায়গায় ইংল্যান্ডকেও ভুগতে হতো’- বলেন গাভাস্কার।

তথ্যসূত্র : টাইমস অব ইন্ডিয়া।