ব্যাটে-বলে আলো ছড়িয়ে সিরিজসেরা সাকিব

ব্যাটে-বলে আলো ছড়িয়ে সিরিজসেরা সাকিব

দলকে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন। দলের প্রয়োজনের মুহূর্তে ব্যাট হাতে খেলেছেন কার্যকরী ইনিংস। বোলিংয়ে এসে প্রতিপক্ষের রানের চাকা আটকে রাখতেও দারুণ ভূমিকা রেখেছেন। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজে ব্যাটে-বলে দারুণ পারফরম্যান্সের স্বীকৃতি পেলেন সাকিব আল হাসান। বাংলাদেশ অধিনায়ক জিতলেন সিরিজসেরার পুরস্কার।

ফ্লোরিডার লডারহিলে শেষ টি-টোয়েন্টিতে আজ ডাকওয়ার্থ ও লুইস পদ্ধতিতে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে ১৯ রানে হারিয়ে  ২-১ ব্যবধানে সিরিজ জিতেছে বাংলাদেশ। ৬ বছর পর বিদেশের মাটিতে দ্বিপক্ষীয় টি-টোয়েন্টি সিরিজ জিতল বাংলাদেশ দল।

অথচ সেন্ট কিটসে প্রথম ম্যাচে বড় ব্যবধানে হেরেছিল বাংলাদেশ। বৃষ্টি আইনে ওয়েস্ট ইন্ডিজ জিতেছিল ৭ উইকেটে। সে ম্যাচে সাকিব ব্যাটিংয়ে ১০ বলে ১৯ রান করলেও বোলিংয়ে ২.১ ওভারে ২৭ রান দিয়ে উইকেটশূন্য ছিলেন।

শেষ দুই ম্যাচের জন্য সেন্ট কিটস থেকে বাংলাদেশ দল উড়ে যায় ফ্লোরিডায়। মার্কিন মুলুকে গিয়ে বাংলাদেশ কী দারুণভাবেই না ঘুরে দাঁড়াল। পরপর দুই ম্যাচ জিতে জিতল সিরিজও। 



দুই ম্যাচেই বাংলাদেশের জয়ে ব্যাটে-বলে দারুণ ভূমিকা রেখেছেন সাকিব। দ্বিতীয় ম্যাচে বাংলাদেশের ১২ রানের জয়ে প্রথমে ব্যাট হাতে খেলেন ৩৮ বলে ৬০ রানের ইনিংস। যেটি ২০১৬ সালের মার্চের পর তার প্রথম টি-টোয়েন্টি ফিফটি।

আট ওভারের মধ্যে তিন উইকেট হারিয়ে যখন ধুঁকছিল দল, তখনই চতুর্থ উইকেটে তামিম ইকবালের সঙ্গে ৫০ বলে ৯০ জুটি গড়ে দলকে শক্ত অবস্থানে নিয়ে যান সাকিব। বাঁহাতি স্পিনার পরে বল হাতে ৪ ওভারে মাত্র ১৯ রান দিয়ে নেন ২ উইকেট।

আজ শেষ ম্যাচে সাকিব আগের দিনের মতো ঝড় তুলতে না পারলেও পাঁচে নেমে করেছেন ২২ বলে ২৪। বোলিংয়ে  ৪ ওভারে ২২ রানে দিয়ে নিয়েছেন মারলন স্যামুয়েলসের গুরুত্বপূর্ণ উইকেট।

ব্যাটিংটাই সাকিবকে বোলিংয়ে ভালো করতে সাহায্য করেছে। ম্যাচ শেষে সাকিব নিজেই সেটা বললেন, ‘আমার মনে হয়, পুরো সিরিজে আমি ভালো ব্যাটিং করেছি। আমি ঠিকমতো বলকে হিট করতে পেরেছি। যা আমাকে বোলিং আর অধিনায়কত্বে ভালো করতে সাহায্য করেছে।’