গেইল-ব্রাফেটদের সঙ্গে পারলেন না তামিম-আফ্রিদিরা

গেইল-ব্রাফেটদের সঙ্গে পারলেন না তামিম-আফ্রিদিরা

ওয়েস্ট ইন্ডিজের কাছে হেরে গেল আফ্রিদি-তামিমদের বিশ্ব একাদশ। বৃহস্পতিবার রাতে দাতব্য ম্যাচে লর্ডসে ওয়েস্ট ইন্ডিজ প্রথম ব্যাট করে ৪ উইকেট হারিয়ে ১৯৯ রান সংগ্রহ করে। জবাবে টপ অর্ডার ব্যাটসম্যানদের ব্যাটিং ব্যর্থতায় ১৬.৪ ওভারে ১২৭ রানে অলআউট হয়ে যায় বিশ্ব একাদশ। ওয়েস্ট ইন্ডিজ জয় পায় ৭২ রানে।

বৃহস্পতিবার রাতে লর্ডসে বিশ্ব একাদশ টস জিতে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে ব্যাট করতে আমন্ত্রণ জানায়। এক আন্দ্রে ফ্লেচার ছাড়া বাকি সবাই কম বেশি রান করেছেন। তার মধ্যে এভিন লুইস ২৬ বলে ৫ চার ও সমান সংখ্যক ছক্কায় করেন সর্বোচ্চ ৫৮ রান। দিনেশ রামদিন ২৫ বল খেলে ৩ চার ও সমান সংখ্যক ছক্কায় অপরাজিত ৪৪ রান করেন। মারলন স্যামুয়েলস ২২ বল খেলে ২ চার ও ৪ ছক্কায় করেন ৪৩ রান। আন্দ্রে রাসেল ১০ বল মোকাবেলা করে ৩টি বিশাল ছক্কায় করেন ২১ রান। আর ক্রিস গেইলের ব্যাট থেকে আসে ২৮ বলে ১৮ রান। ফ্লেচার করেন ৭। তাতে ২০ ওভারে ৪ উইকেট হারিয়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজের সংগ্রহ দাঁড়ায় ১৯৯ রান।



ওয়েস্ট ইন্ডিজের যে চারটি উইকেটের পতন ঘটেছে তার ২টি-ই নিয়েছেন আফগানিস্তানের রশিদ খান। ১টি করে উইকেট নিয়েছেন শোয়েব মালিক ও শহিদ আফ্রিদি।

২০০ রানের জয়ের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা একেবারেই ভালো হয়নি বিশ্ব একাদশের। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বোলারদের তোপের মুখে ৮ রান তুলতেই ৪ উইকেট হারিয়ে ফেলে বিশ্ব একাদশ। তামিম ইকবাল ৮ বল খেলে ২, লুক রনকি ২ বল খেলে ০, দিনেশ কার্তিক ৫ বল খেলে ০ ও স্যাম বিলিংস ৬ বল খেলে ৪ রান করে সাজঘরে ফেরেন। পঞ্চম উইকেটে শোয়েব মালিক ও থিসারা পেরেরা ৪১ রান সংগ্রহ করেন। পেরেরা ওয়ান ম্যান আর্মি হয়ে লড়াই করলেও সেটা বৃথা যায়। কারণ, প্রাথমিক ধাক্কা আর সামলে উঠতে পারেনি বিশ্ব একাদশ। পেরেরা ৩৭ বল খেলে ৭ চার ও ৩ ছক্কায় ৬১ রান করেন। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ১২ রান করেন শোয়েব মালিক। আফ্রিদি ১১ ও ম্যাক্লেনাঘান করেন ১০ রান। বাকিদের কেউ দুই অঙ্কের কোটা ছুতে পারেনি। তাতে ১২৭ রানেই গুটিয়ে যায় বিশ্ব একাদশের ইনিংস।



বল হাতে ওয়েস্ট ইন্ডিজের কেসরিক উইলিয়ামস ৩.৪ ওভার বল করে ৪২ রান দিয়ে ৩টি উইকেট নেন। স্যামুয়েল বাদ্রি ছিলেন সবচেয়ে এগিয়ে। তিনি ৩ ওভার বল করে ১ মেডেনসহ মাত্র ৪ রান দিয়ে নেন ২ উইকেট। আন্দ্রে রাসেল ৩ ওভার বল করে ২৫ রান দিয়ে নেন ২টি উইকেট। একটি করে উইকেট নেন কিমো পল ও কার্লোস ব্রাফেট।

ম্যাচসেরা হন এভিন লুইস।



২০১৭ সালের সেপ্টেম্বরে ঘূর্ণিঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয় ওয়েস্ট ইন্ডিজের পাঁচটি স্টেডিয়াম। সেই স্টেডিয়ামগুলোর সংস্কার কাজের জন্য এই দাতব্য ম্যাচের আয়োজন করা হয়। এখান থেকে প্রাপ্ত অর্থ স্টেডিয়াম সংস্কার কাজে ব্যয় করা হবে।