বায়ার্নের মাঠে জয় নিয়ে ফিরল রিয়াল

বায়ার্নের মাঠে জয় নিয়ে ফিরল রিয়াল

চ্যাম্পিয়নস লিগে দারুণ ফর্মে থাকলেও অ্যালিয়েঞ্জ অ্যারেনায় গতকাল জালের দেখা পাননি ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো। তবে দলের এ সেরা তারকাকে ছাড়াই সেমিফাইনালের প্রথম লেগে বায়ার্ন মিউনিখের মাঠে জিতে ফাইনালে ওঠার পথটা সহজ করে রাখল জিনেদিন জিদানের দল।

বায়ার্নের মাঠে গতকাল শুরুতে পিছিয়ে পড়লেও শেষ দিকে দুই গোল করে জয় নিয়ে ফিরে রিয়াল। দলটির জয়ে একটি করে গোল করেন ডিফেন্ডার মার্সেলো ও মার্কো অ্যাসেনসিও। তাদের গোলে ভর করে চ্যাম্পিয়নস লিগ সেমিফাইনালের প্রথম লেগে ২-১ ব্যবধানে জয় পায় লস ব্লাঙ্কোসরা।

নিজেদের মাঠে শুরু থেকে বেশ গুছানোই ছিল বায়ার্ন। ফলে ম্যাচের প্রথম মিনিটেই গোল হজম করতে বসেছিল রিয়াল।দানি কারভাহালের ভুলের সুযোগে রবের্ত লেভানদোভস্কি ডি-বক্সে ফাঁকায় থমাস মুলারকে বল বাড়ান। তবে বলে পা লাগাতে পারেননি জার্মান ফরোয়ার্ড।

এরপর বেশ কিছুক্ষণ ধরে চলা এলোমেলো ফুটবলের মাঝে অষ্টম মিনিটে একটা ধাক্কা খায় বায়ার্ন। চোট পেয়ে মাঠ ছাড়েন আরিয়েন রোবেন, বদলি হিসেবে নামেন থিয়াগো আলকানতারা। তবে স্বাগতিক গ্যালারিতে উচ্ছ্বাস ছড়িয়ে পড়ে ম্যাচের ২৮ মিনিটে। এ সময় আচমকা এক আক্রমণে এগিয়ে যায় স্বাগতিকরা। হামেস রদ্রিগেজের থ্রু পাস ডি-বক্সে ধরে জোরালো শটে গোলটি করেন জার্মান ডিফেন্ডার জসুয়া কিমিখ। বলের লাইন মিস করা কেইলর নাভাস হাত ছোঁয়ালেও রুখতে পারেননি।
 


৩৪তম মিনিটে বায়ার্ন শিবিরে আরেক ধাক্কা; চোট পেয়ে মাঠ ছাড়েন ডিফেন্ডার জেরোমে বোয়াটেং। পরক্ষণে সহজ সুযোগ নষ্ট করেন ফ্রাঙ্ক রিবেরি। গোলরক্ষককে একা পেয়ে শট নিতে ব্যর্থ হন ফরাসি মিডফিল্ডার।

তবে প্রথমার্ধে বিশ্রামে যাওয়ার আগেই প্রথম গোলের শোধ দিয়ে দেয় রিয়াল।ডান দিক থেকে কারভাহালের উঁচু করে বাড়ানো বলে রোনালদো বাইসাইকেল কিকের চেষ্টায় ব্যর্থ হলে পেয়ে যান মার্সেলো। ডি-বক্সের বাইরে থেকে জোরালো নীচু শটে দূরের পোস্ট দিয়ে গোলটি করেন ব্রাজিলিয়ান ডিফেন্ডার।

বিশ্রামের পর খেলায় ফিরেও প্রতিপক্ষের রক্ষণে দারুন আক্রমন অব্যহত রাখে এবার লিগ শিরোপা ঘরে তোলার অপেক্ষায় থাকা বায়ার্ন। তবে ৫৭তম মিনিটে দারুণ এক পাল্টা আক্রমণে এগিয়ে যায় রিয়াল। রাফিনহার ভুলে বল পেয়ে সামনে বাড়ান কারভাহাল। আর ডান দিক থেকে লুকাস ভাসকেসের পাস ডি-বক্সে পেয়ে প্রথম ছোঁয়ায় কোনাকুনি শটে গোলরক্ষককে পরাস্ত করেন বদলি হিসেবে নামা মার্কো আসেনসিও।

ম্যাচের ৭০ মিনিটে রোনালদো জালে বল পাঠালেও হ্যান্ডবলের কারণে সেটি বাদ হয়ে যায়। ম্যাচের বাকি সময়ে আর গোল না হওয়ায় ২-১ গোল এগিয়ে থেকে মাঠ ছাড়ে চ্যাম্পিয়নস লিগের ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন রিয়াল।