মজিদের অসাধারণ ডাবল সেঞ্চুরি

মজিদের অসাধারণ ডাবল সেঞ্চুরি

প্রথম দিনেই সেঞ্চুরি করেছিলেন। তবে পায়ের মাংসপেশিতে টান পড়ায় ১৫৯ রানে ‘আহত অবসর’ নিয়ে মাঠ ছাড়তে হয়েছিল আব্দুল মজিদকে। সেখান থেকে আজ দ্বিতীয় দিনে আবার ব্যাটিংয়ে নেমেই ‘দেড়শ’কে অসাধারণ এক ডাবল সেঞ্চুরিতে রূপ দিয়েছেন ২৭ বছর বয়সি এই ব্যাটসম্যান।

তখন লাঞ্চ বিরতির বাকি আর তিন ওভার। মজিদ ব্যাটিং করছেন ১৭৬ রানে। ডানহাতি ব্যাটসম্যান বাঁহাতি স্পিনার এনামুল হক জুনিয়রের প্রথম দুই বলেই হাঁকালেন একটি করে ছক্কা ও চার। পরের ওভারে সোহাগ গাজীর প্রথম বলে আরেকটি চার।

লাঞ্চের আগে শেষ ওভার। মজিদের রান ১৯২। লাঞ্চের আগে ডাবল সেঞ্চুরি পেতেই হবে- এমন তাড়া থেকেই যেন প্রথম বলেই ছক্কা হাঁকিয়ে দিলেন এনামুলকে। এক বল পর চার হাঁকিয়ে ছুঁয়ে ফেললেন ডাবল সেঞ্চুরিও। ১৭৬ থেকে ২০২, ২৬ রানের ২৪-ই নিয়েছেন চার ও ছক্কা মেরে! 


বিসিএলের শেষ রাউন্ডে ওয়ালটন সেন্ট্রাল জোনের হয়ে ইসলামী ব্যাংক ইস্ট জোনের বিপক্ষে ডাবল সেঞ্চুরি করেছেন মজিদ। রাজশাহীতে আজ দ্বিতীয় দিনে মোশাররফ হোসেন পঞ্চম ব্যাটসম্যান হিসেবে আউট হওয়ার পর উইকেটে আসেন আগের দিনের ‘আহত অবসর’ মজিদ।

তবে এক প্রান্তে দাঁড়িয়ে দ্রুতই বিদায় দেখেন শুভাগত হোম ও ইরফান শুক্কুরের। মজিদের রান তখন কেবল ১৬৮। দলের সাত উইকেট পড়ে যাওয়ায় তার ডাবল সেঞ্চুরি নিয়ে জেগেছে শঙ্কা। তবে অষ্টম উইকেটে মোহাম্মদ শরীফ মজিদকে দিয়েছেন দারুণ সঙ্গ।
 


লাঞ্চের আগে শরীফের সঙ্গে অবিচ্ছিন্ন ৫০ রানের জুটি গড়ার পথেই মজিদ পেয়ে যান প্রথম শ্রেণির ক্রিকেট ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় ডাবল সেঞ্চুরি। এর আগে ২০১৪-১৫ জাতীয় ক্রিকেট লিগে ফতুল্লায় ঢাকা বিভাগের হয়ে ঢাকা মেট্রোর বিপক্ষে করেছিলেন ক্যারিয়ার সেরা অপরাজিত ২৫৩।

প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানের দুটি বা এর বেশি ডাবল সেঞ্চুরি আছে মজিদ ছাড়া ১০ জনের- মোসাদ্দেক হোসেন, তুষার ইমরান, অলক কাপালি, মার্শাল আইয়ুব, নাজিমউদ্দিন, রকিবুল হাসান, তাইবুর রহমান, রনি তালুকদার, শাহরিয়ার নাফীস ও এনামুল হক বিজয়। এর মধ্যে মোসাদ্দেক, তুষার ও কাপালির ডাবল তিনটি করে।