বর্ণাঢ্য যুব গেমসের পর্দা উঠবে আজ

বর্ণাঢ্য যুব গেমসের পর্দা উঠবে আজ

দেশে প্রথমবারের মতো আয়োজিত যুব গেমসের পর্দা উঠছে আজ। উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

যুব গেমস উপলক্ষে নতুন সাজে সেজেছে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়াম। হাজারো আলোর ঝলকানিতে উজ্জল স্টেডিয়ামের রঙিন মঞ্চ দেশের ভবিষ্যত তারকাদের স্বাগত জানাতে প্রস্তুত। তাদের আজ বরণ করে নেবেন ক্রীড়ামোদি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

যুব গেমসের বড় মঞ্চে নিজেদেরকে প্রমাণের ‍সুযোগ পাচ্ছেন অনূর্ধ্ব—১৭ বছর বয়সের ছেলে-মেয়েরা। ক্রিড়া নৈপুণ্য দেখাবেন জেলা ও বিভাগীয় পর্যায়ের ২ হাজার ৬৬০ ক্রীড়াবিদ। লড়বেন ১৫৯ ইভেন্টে ১ হাজার ১১৪টি পদকের জন্য । ৩৪২ সোনা, ৩৪২ রৌপ্য এবং ৪৩২ ব্রোঞ্জপদক থাকছে ২১ ডিসিপ্লিনে।

তরুণ ক্রীড়াবিদদের উৎসাহিত করতে এবং চমকে দিতে পাঁচ কোটি টাকা ব্যয়ে চোখ ধাঁধানো উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। প্রায় সাড়ে চার ঘন্টার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানটি শুরু হবে বিকেল সাড়ে পাঁচটায়। দর্শকদের জন্য উন্মুক্ত অনুষ্ঠানটি টিভিতে সরাসরি সম্প্রচার করবে বাংলাদেশ টেলিভিশন ও মাছরাঙা টিভি । তবে সাধারণ দর্শক প্রবেশ করতে পারবেন বিকাল ৪টা হতে ৫টা পর্যন্ত। নিরাপত্তার কারণে এরপর গেট বন্ধ করে দেওয়া হবে।

৬টা ৪৫ মিনিটে বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামে প্রবেশ করবেন প্রধানমন্ত্রী। সন্ধ্যা ৬টা ৫০ মিনিটে জাতীয় সংগীত দিয়ে শুরু হবে মূল অনুষ্ঠান। এরপর যুব গেমসের প্রামাণ্যচিত্র তুলে ধরা হবে। একই সাথে মাঠে প্রবেশ করবেন আট বিভাগের সংশ্লিষ্ট সকল ক্রীড়াবিদরা। ৭টা ২১ মিনিটে প্রধানমন্ত্রী বক্তব্য রাখবেন এবং উদ্বোধন ঘোষণার পরপরই মশাল প্রজ্বলন করবেন কমনওয়েলথ গেমসের স্বর্ণজয়ী দেশসেরা শ্যুটার আসিফ হোসেন খান।

রাত ৭টা ৪৫ মিনিটে শুরু হবে আট মিনিটের মাসকট প্যারেড। ৭টা ৫৩ মিনিটে স্টেজ পারফরমারদের নাচ ও গান পরিবেশিত হবে। ১৫ মিনিটের এই অনুষ্ঠানে দেশসেরা কণ্ঠ ও নৃত্য শিল্পীরা অংশ নেবেন। ৮টা ৮ মিনিটে বাংলাদেশের অতীত, বর্তমান ও ভবিষ্যত নিয়ে প্রদর্শিত হবে ডিসপ্লে।


২৫ মিনিটের এই অনুষ্ঠান শেষে ৮টা ৩৩ মিনিটে লেজার শো, পাইরো এবং ফায়ার ওয়ার্কসের মধ্য দিয়েই শেষ হবে যুব গেমস চূড়ান্ত পর্বের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান।

বিকেলে ডিজে শো এবং বিভিন্ন সময়ে দেশে ও বিদেশে বাংলাদেশের খেলাধুলার সাফল্যের সচিত্র অডিও ভিডিও (এভি) দিয়ে উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শুরু হবে।। ৩০ মিনিটের এই অনুষ্ঠান শেষে সন্ধ্যা ৬টা থেকে ৪৫ মিনিট থাকবে মাগরিবের নামাজের বিরতি।

নতুন সাজে, বর্ণিল রঙে সেজে উঠেছে কালের সাক্ষী বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়াম। স্টেডিয়ামের মশাল প্রান্তে বিশাল মঞ্চ স্থাপন করা হয়েছে। পাশাপাশি পদ্মা সেতুর প্রতীকী ৩১ ফুট লম্বা  স্প্যান বসানো হয়েছে। তার পাশেই বিশাল নৌকা বানানো হয়েছে। সন্ধ্যায় রঙিন আলোয় পানিতে ভেসে থাকবে নৌকা। আর লেজার শোতে তাক লেগে যাবে দর্শণার্থীদের।