নিদাহাস ট্রফিতে ফাইনাল খেলার লক্ষ্য বাংলাদেশের

নিদাহাস ট্রফিতে ফাইনাল খেলার লক্ষ্য বাংলাদেশের
নিদাহাস ট্রফিতে ফাইনাল খেলার লক্ষ্য বাংলাদেশের

সাম্প্রতিক পারফরম্যান্স বিবেচনায় ভারত ও শ্রীলঙ্কাকে টপকে বাংলাদেশের ফাইনাল খেলার চিন্তা অনেকটাই সাহসের। তবুও নিদাহাস ট্রফিতে ফাইনাল খেলার লক্ষ্য বাংলাদেশের।

অন্তর্বর্তীকালীন কোচ কোর্টনি ওয়ালশ আজ আশার কথা শোনালেন আনুষ্ঠানিক সংবাদ সম্মেলনে। টি-টোয়েন্টিতে মাশরাফি বিন মুর্তজা দায়িত্ব ছাড়ার পর চার ম্যাচের চারটিতেই হেরেছে বাংলাদেশ। নূন্যতম প্রতিদ্বন্দ্বীতা করতে পারেনি কোনো ম্যাচে।

দক্ষিণ আফ্রিকায় দুটি ম্যাচে তো উড়ে গিয়েছিল প্রোটিয়া দাপটে। আর ঘরের মাঠে নির্বিষ পারফরম্যান্সে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে হোয়াইটওয়াশড হয়েছে। দলের সেরা ক্রিকেটারের অনুপস্থিতি এবং টিম ম্যানেজম্যান্টের সিদ্ধান্তের সমন্বয়হীনতার অভাবে মাঠের ভেতরে ও মাঠের বাইরে পুরোই এলোমেলো ছিল টাইগার শিবির।
 


এবার চ্যালেঞ্জটা শ্রীলঙ্কার মাটিতে। কতটুকু পারবে বাংলাদেশ? ওয়ালশ শোনালেন প্রত্যাশা ও লক্ষ্যের কথা,‘আমরা আন্ডারডগ হিসেবে যাচ্ছি। ভালোমানের দুটি দলের বিপক্ষে আমাদের খেলতে হবে। আমি মনে করি তারপরও আমাদের সুযোগ থাকবে। আমরা যদি ধারাবাহিক থাকি তাহলে ফাইনাল খেলার সম্ভাবনা থাকবে। আমাদের লক্ষ্য সেটাই। যদি প্রাথমিক লক্ষ্য পূরণ করতে পারি তাহলে পরবর্তী পর্যায়ে পা বাড়ানো যাবে। আশা করছি আমরা ভালো কিছু করব এবং ধারাবাহিক ক্রিকেট খেলব।’

কোচ হিসেবে ওয়ালশের টার্গেট যত বেশি সম্ভব ম্যাচ জেতা। ১৮ মার্চের ফাইনালের আগে চারটি করে ম্যাচ খেলার সুযোগ পাবে প্রতিটি দল। তাই ওয়ালশের লক্ষ্য ওই ম্যাচগুলোর দিকেই। ম্যাচ বাই ম্যাচ এগিয়ে যেতে চান।

‘আমাদের নির্দিষ্ট একটি টার্গেট আছে। আমরা সেটা অর্জন করতে চাই। আমরা নিজেদের মধ্যে আলোচনা শুরু করেছি। পুরো দল শ্রীলঙ্কায় একত্রিত হয়ে বাকিটা চূড়ান্ত করবো। প্রাথমিক লক্ষ্য যত বেশি সম্ভব ম্যাচ জেতা এবং ফাইনাল খেলা । আমি বিশ্বাস করি আমরা পারব। দল যদি ফাইনালে যায় সেটা হবে দারুণ কিছু। আমরা একটি একটি ম্যাচ চিন্তা করে এগিয়ে যেতে চাই।’-বলেছেন ওয়াশস।


সাফল্য পাওয়ার জন্য ছেলেদের বলেছেন পুরোনো দুঃস্মৃতি ভুলে নতুনের পথে এগিয়ে যেতে। দিয়েছেন উপভোগের মন্ত্র । মাঠে সিরিয়াস থেকে পরিকল্পনা কাজে লাগালে সাফল্য নিজ থেকে ধরা দিবে বলে বিশ্বাস কোচের। তার ভাষ্য,‘আমি দলের প্রত্যেককে বলেছি নিজেদের সাথে কথা বলতে। প্রত্যেককে ম্যাচ উপভোগ করতে বলেছি। মাঠে যত বেশি তারা পরিকল্পনা প্রয়োগ করতে পারবে তত বেশি সাফল্য আমরা পাবো। এর জন্য বাড়তি চাপ নেওয়ার কোনো প্রয়োজন নেই। আমাদের রিল্যাক্স থাকা উচিত এবং টুর্নামেন্ট উপভোগ করা উচিত। তারা বাংলাদেশকে প্রতিনিধিত্ব করছে এজন্য গর্ববোধ করা উচিত।’

স্বাধীনতার ৭০তম বার্ষিকী উপলক্ষে শ্রীলঙ্কা ঘরের মাঠে আয়োজন করছে ত্রিদেশীয় টি-টোয়েন্টি সিরিজ নিদাহাস ট্রফি। আগামী ৬ মার্চ শুরু হতে যাওয়া টুর্নামেন্টে স্বাগতিক শ্রীলঙ্কাসহ খেলবে বাংলাদেশ ও ভারত। শ্রীলঙ্কার উদ্দেশ্যে রোববার সকালে ঢাকা ছাড়বে বাংলাদেশ।