যেসব গৃহস্থালী পণ্যে মেয়াদোত্তীর্ণের তারিখ থাকে না

যেসব গৃহস্থালী পণ্যে মেয়াদোত্তীর্ণের তারিখ থাকে না

তোয়ালে, দৌড়ানোর জুতা বা চিড়ুনি- কত দিন ব্যবহার করা যায়, জেনে নিন।

স্বাস্থ্যবিষয়ক একটি ওয়েবসাইটে এই বিষয়ে প্রকাশিত প্রতিবেদন থেকে এমন কয়েকটি পণ্যের কথা জানা যায় যার মেয়াদ শেষ হওয়ার তারিখ সম্পর্কে আমরা জানিনা এবং তা নষ্ট না হওয়া পর্যন্ত আমরা ব্যবহার করতে থাকি। 

তোয়ালে- এক থেকে তিন বছর

পণ্যের মান ভেদে একটি তোয়ালে এক থেকে তিন বছর ব্যবহার করা যায়। ভেজা তোয়ালে ব্যাক্টেরিয়া জন্মানোর কারখানা যা নিয়মিত পরিষ্কার করেও দূর করা সম্ভব না।  

স্লিপার- ছয় মাস

হ্যাঁ, স্লিপার’য়েরও মেয়াদ শেষ হওয়ার তারিখ আছে। এর মূল কারণ হল ফাঙ্গাসের সংক্রমণ ছড়ায় এমন জায়গাতেই মূলত এটা ব্যবহার করা হয়। এটা প্রতিদিন ঠিক মতো পরিষ্কার করা প্রয়োজন এবং প্রতি ছয় মাস পর পর স্লিপার পরিবর্তন করা দরকার।

বাথ স্পঞ্জ- দুই সপ্তাহ

সহজে নষ্ট হবে না ভেবে বেশ দামী বাথ স্পঞ্জ ব্যবহার করেন? তবে জেনে রাখা ভালো যে, কোনো বাথ স্পঞ্জের মেয়াদই দুই সপ্তাহের বেশি না। এই সময়ের মধ্যেই এতে ফাঙ্গাস ও জীবাণু বংশবিস্তার করতে শুরু করে। জীবাণুনাশকের জন্য আপনি তা গরম পানিতে ফুটিয়ে নিতে পারেন। 

দৌড়ানোর জুতা- এক বছর

কয়েক মাইল দৌড়ানোর পরই, দৌড়ানোর জুতার নিরাপত্তার স্তর ঢিলা হতে শুরু করে এবং আপনার পায়ের সংযোগস্থলে চাপ সৃষ্টি করে। যদি আপনার স্বাস্থ্যরক্ষার জন্য ব্যবহৃত দৌড়ানোর জুতা ইতোমধ্যে এক বছরের হয়ে গিয়ে থাকে তাহলে এখনই সময় পুরানো জুতা বাদ দিয়ে নতুন জুতা কেনার।  

বালিশ- দুই থেকে তিন বছর

বালিশের ফোলাভাব কমে আসার সঙ্গে সঙ্গে এটা জীবাণুর আবাসস্থলে পরিণত হতে থাকে। তাই বালিশ চিমসে যাওয়ার আগেই প্রতি দুই থেকে তিন বছর পর পর পরিবর্তন করা উচিত, এতে করে সুস্থ থাকা সম্ভব। 

চুলের ব্রাশ- এক বছর

প্রতি সপ্তাহে চুলের ব্রাশ পরিষ্কার করার পাশাপাশি প্রতি বছর তা পরিবর্তন করা উচিত। পুরানো চুলের ব্রাশ হতে পারে মাথার ত্বক ও চামড়ার রোগের জীবাণুর আবাসস্থল। এটা চুল পড়ারও অন্যতম বড় কারণ হতে পারে।