৩ লাখ ১৩ হাজার ৮৪৮ পদ শূন্য

৩ লাখ ১৩ হাজার ৮৪৮ পদ শূন্য

বর্তমানে দেশে সরকারি চাকরিজীবীর সংখ্যা ১২ লাখ ১৭ হাজার ৬২ জন। সরকারের বিভিন্ন পদে বর্তমানে চুক্তিভিত্তিক নিয়োজিত আছেন ১৭৭ জন। এছাড়া বিভিন্ন স্তরের ২৯০ জন ওএসডি (বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা) আছেন। আর বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ে ৩ লাখ ১৩ হাজার ৮৪৮টি পদ শূন্য আছে।
রোববার জাতীয় সংসদে সাংসদ মোরশেদ আলম ও গোলাম মোহাম্মদ সিরাজের প্রশ্নের জবাবে এ তথ্য জানান জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন।
স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে এদিন প্রশ্নোত্তর টেবিলে উত্থাপিত হয়। বর্তমান সংসদের সদস্য বগুড়া-১ আসনের আব্দুল মান্নানের মৃত্যুকে শোকপ্রস্তাব গ্রহণের পর বৈঠকের সব কার্যক্রম স্থগিত হয়। তবে প্রশ্নোত্তর টেবিলে থাকা প্রশ্ন উত্থাপিত হয়।
জাতীয় পার্টির মুজিবুল হক চুন্নুর প্রশ্নের জবাবে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ে ৩ লাখ ১৩ হাজার ৮৪৮টি পদ শূন্য রয়েছে। সরকারি শূন্যপদে নিয়োগ প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। ৩৭তম ও ৩৯তম বিসিএস-এর মাধ্যমে গত বছর ৫ হাজার ৮৫৯ জন কর্মকর্তাকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া ৪০তম বিসিএস-এর মাধ্যমে ১ হাজার ৯১৯ জনকে ক্যাডার পদে নিয়োগের প্রক্রিয়া চলছে। ১০-১২তম গ্রেডের জনবল কর্ম কমিশনের মাধ্যমে নিয়োগ দেওয়া হয়। এছাড়া ১৩-২০তম পদে নিজ নিজ মন্ত্রণালয় বা দপ্তর থেকে নিয়োগ হয়ে থাকে।
গত বছর (১ জানুয়ারি থেকে ৩১ ডিসেম্বর ২০১৯) বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের ৮৮ হাজার ১২৩টি পদ সৃষ্টি করা হয়েছে। এ সময় ৮৪৬টি পদে নিয়োগের ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে।
প্রতিমন্ত্রী জানান, ঢাকা জেলায় বিসিএস ক্যাডার (প্রথম শ্রেণি ও তদূর্ধ্ব) কর্মকর্তা সবচেয়ে বেশি। এ জেলায় রয়েছেন ৩৫৫ জন বিসিএস কর্মকর্তা। সংখ্যার দিক থেকে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে চট্টগ্রাম। অপরদিকে সবচেয়ে কম ক্যাডার কর্মকর্তা রয়েছেন বান্দরবানে, মাত্র ৮ জন। এছাড়া অপর দুই পার্বত্য জেলা খাগড়াছড়িতে ২৯ জন এবং রাঙামাটিতে ৩৭ জন ক্যাডার কর্মকর্তা রয়েছে।
এদিকে সচিব পদমর্যাদার সর্বোচ্চ ৫ জন কর্মকর্তা আছেন বরিশাল জেলায়। বর্তমানে ক্যাডার পদে ৬ হাজার ৫৫ জন কর্মকর্তা কর্মরত আছেন। এর মধ্যে সিনিয়র সচিব পদে ১০ জন, সচিব পদে ৬৭ জন, অতিরিক্ত সচিব পদে ৫৭ জন, যুগ্ম সচিব পদে ৬৫৮ জন, উপসচিব পদে ১ হাজার ৬৯৩ জন, সিনিয়র সহকারী সচিব পদে ১ হাজার ৫২২ জন এবং সহকারী সচিব পদে ১ হাজার ৫৫৮ জন।