১০০ দিনের কর্মসূচি বাস্তবায়নে অ্যাকশন প্ল্যান কমিটি

১০০ দিনের কর্মসূচি বাস্তবায়নে অ্যাকশন প্ল্যান কমিটি

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের ঘোষিত ১০০ দিনের কর্মসূচি বাস্তবায়নের জন্য ১৯ সদস্যের অ্যাকশন প্ল্যান কমিটি গঠিত হয়েছে।

কমিটিতে স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের অতিরিক্ত সচিবকে (প্রশাসন) সভাপতি, যুগ্মসচিবকে (বেসরকারি স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা) সদস্য সচিব ও উপসচিবকে (শৃঙ্খলা) কো-সদস্য সচিব করা হয়েছে।


কমিটির সদস্যরা হলেন- স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব (প্রশাসন অধিশাখা), অতিরিক্ত সচিব (সরকারি স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা), স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগের যুগ্ম সচিব (প্রশাসন ও পার), যুগ্ম-প্রধান (পরিকল্পনা), স্বাস্থ্য অধিদফতরের পরিচালক (প্রশাসন), পরিচালক (এমআইএস), উপসচিব ( ক্রয় ও সংগ্রহ) ,উপসচিব (নার্সিং সেবা ১), উপসচিব (বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ২), উপসচিব (তামাক নিয়ন্ত্রণ সেল), পরিচালক (উপ সচিব) স্বাস্থ্য অর্থনীতি ইউনিট , উপপ্রধান (স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগ), উপ-পরিচালক (পরিকল্পনা ও উন্নয়ণ) স্বাস্থ্য অধিদফতর, উপ-পরিচালক হাসপাতাল (স্বাস্থ্য অধিদফতর) ও উপপরিচালক (চিকিৎসা শিক্ষা)।

কমিটিকে আগামী ৭দিনের মধ্যে অ্যাকশন প্ল্যান তৈরি করে স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের সচিবের কাছে জমা দিতে বলা হয়েছে।

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী জাহিদ মালেকের নির্দেশনায় ১০০ দিনের কর্মসূচি বাস্তবায়নের জন্য ১২টি কর্মসূচি নির্ধারণ করা হয়েছে।

কমিটির কার্যপরিধি মধ্যে সরকারি নির্বাচনী ইশতিহারে ঘোষিত কার্যক্রমে ভিত্তিতে কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন করা ,স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ সেবা সপ্তাহ উদযাপন, যেসব নতুন প্রকল্প সময় প্রস্তুত রয়েছে সেগুলো প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের পর পরিকল্পনা কমিশনের প্রেরণ করা, মন্ত্রণালয় থেকে মাঠ পর্যায়ে কার্যক্রম প্রক্রিয়া চালু করে বিশেষ করে যন্ত্রপাতি জনবল কর্মক্ষেত্রে উপস্থিতি তদারকি করা, মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে বিভিন্ন কার্যক্রম সরেজমিনে পরিদর্শন, স্বাস্থ্য সেবা বিভাগ ও স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগ বিভাগীয় পর্যায়ে প্রতিষ্ঠানসমূহ পরিদর্শনের জন্য বিভাগীয় পর্যায়ে সফর , স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের বিভিন্ন পদে ইতোমধ্যে গৃহীত পদ্ধতি প্রক্রিয়া শেষ করা, স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের বিভিন্ন কার্যক্রম সম্পর্কে যথাযথ প্রচারণা কার্যক্রম গ্রহণ, সব হাসপাতালে সহজে দৃশ্যমান সাইন বোর্ড সাইনবোর্ড স্থাপন, প্রতিটি হাসপাতালের তালিকা যথাযথভাবে প্রদর্শন নিশ্চিত করা ও স্বাস্থ্য সেবা গ্রহণের ক্ষেত্রে সেবা গ্রহীতা যেসব সমস্যার সম্মুখীন হবেন এবং তার সমাধানের বিষয়ে সেবা গ্রহীতার পরামর্শ গ্রহণের জন্য ওয়েবসাইট এ অভিযোগ করেন চালু করা।