হুইল চেয়ারের সেই মানুষটি

হুইল চেয়ারের সেই মানুষটি

করতোয়া ডেস্ক : এক ব্যক্তি বসে আছেন হুইলচেয়ারে। দু’পা নেই তার। লক্ষ্যের দিকে ক্ষিপ্র দৃষ্টি। হাতে থাকা ‘ক্ষুদ্র অস্ত্র’ দড়িতে পাথর বেঁধে ছুড়ছেন প্রতিপক্ষের দিকে। ইসরায়েল-ফিলিস্তিনির দীর্ঘদিনের দ্বন্দ্বে ‘প্রতিরুদ্ধ’ হয়ে দাঁড়ান তিনি। আর ইসরায়েলি বাহিনীর আক্রমণের জবাব এমনভাবে দেন এ ‘অসহায়’ ফিলিস্তিনি নাগরিক। এ ছবিটির জন্য চলতি বছরের শুরুর দিকে ফটো ক্যাটাগরিতে ২৫তম বায়েউক্স-কালভাদোস পুরস্কার পান মাহমুদ হামস। তিনি ছবিটির নাম দিয়েছেন ‘গ্রেট মার্চ অব রিটার্ন’।ফিলিস্তিনে আক্রমণের অনেক ছবি তুলেছেন ৩৮ বছর বয়সী মাহমুদ হামস। তিনি তার অভিজ্ঞতার কথা লিখেছেন আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে। হামস লিখেন, এক অর্থে ইসরায়েলি আক্রমণের থেকেও ফিলিস্তিনিদের এ প্রতিবাদ ভয়ংকর।

গ্রেট মার্চ অব রিটার্ন’ প্রতিবাদের অংশ হিসেবে প্রতিবাদকারীরা ফিলিস্তিনি-ইসরায়েল সীমান্তে বেঁড়া দিয়ে প্রতিবাদ করেন। ‘জেরজালেমে ইসরায়েলি দূতাবাস স্থানান্তরের পর থেকে এ প্রতিবাদ করছেন তারা।’ইসরায়েলি আক্রমণ ও ফিলিস্তিনিদের প্রতিবাদ, ছবি: সংগৃহীততিনি বলেন, প্রতিবাদে অংশ নিতে গিয়ে পাঁচ হাজারের বেশি মানুষ আহত হন। হুইলচেয়ারে বসে থাকা মানুষটির যে ছবি আপনারা দেখছেন, তার নাম সাবের আল-আসকার। তিনি প্রত্যেক সপ্তাহে এ প্রতিবাদ কর্মসূচিতে অংশ নেন। আপনারা হয়তো বিশ্বাস করবেন না তার বয়স ২৯ বছর। কিন্তু তাকে বেশি বয়সী দেখায়। তিনি বাসে করে প্রতিবাদের জায়গাটিতে যান। সঙ্গে থাকা বন্ধুরা তাকে আনতে সাহায্য করেন। ‘সেখানে আরও দু’জন বিকলাঙ্গ মানুষ নিয়মিত যেতেন। কিন্তু আক্রমণে তারা মারা যান। এ প্রতিবাদে দু’জন সাংবাদিকও নিহত হয়েছেন।