সড়কে মৃত্যু পঙ্গুত্ব বাড়ছেই

সড়কে মৃত্যু পঙ্গুত্ব বাড়ছেই

প্রায় প্রতিদিনই ঘটছে সড়ক দুর্ঘটনা। মানুষ প্রাণ হারাচ্ছে কেউবা চিরতরে পঙ্গু হচ্ছে, সড়ক দুর্ঘটনা রোধে নানা ধরনের পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে। আলোচনা সেমিনার হচ্ছে, চালকসহ সংশ্লিষ্টদের এ ব্যাপারে নানা সতর্কবার্তা দেয়া হচ্ছে। কিন্তু এসবে কোন কাজ হচ্ছে না। বিশেষ করে এক শ্রেণির চালক যেন সব সময় এক মরণঘাতি প্রতিযোগিতায় লিপ্ত থাকে। চালকদের বেপরোয়া খতির বাস চালানোর খেসারত দিতে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে। কলেজ ছাত্র রাজীবের মৃত্যুর বেশ কাটতে না কাটতেই রাজধানীর বনানীতে এক তরুণী পা হারিয়ে মৃত্যুর সাথে লড়াই করছেন। এর মধ্যে রোববার সড়ক দুর্ঘটনার শিকার হয়ে শিশুকালেই পঙ্গুত্ব বরণ করতে হলো দুই শিশুকে। রংপুরের মাহিগঞ্জে ইট বোঝাই ট্রাকের চাপায় মেঘলামনি নামে চার বছরের এক শিশুর পা বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। আশংকাজনক অবস্থায় শিশুটিকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

আর বগুড়ার শেরপুরের ফুলতলায় ট্রাকের ধাক্কায় বাস হাত হারিয়েছে শিশু সুমি। এর আগে রাজধানীর কাওরান বাজারে দুই বাসের সংঘর্ষে হাত হারান সরকারি তিতুমির কলেজের ছাত্র রাজীব গত সপ্তাহে। সোমবার ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আইসিইউতে রাজীবের মৃত্যু হয়। এর মধ্যে গোপালগঞ্জে বাস ও ট্রাকের সংঘর্ষে দেহ থেকে হাত বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় বাস শ্রমিক হৃদয় মিনারের আর সম্প্রতি ঢাকায় পা হারায় তরুণী রোজিনা আক্তার। আইনের প্রয়োগ না থাকায় বাড়ছে সড়ক দুর্ঘটনা। এর পুনরাবৃত্তি কাম্য নয়। দেশে বিস্তৃত সড়কগুলোকে নিরাপদ করে মৃত্যুর থামাতে মিছিল এবং মানুষকে পঙ্গুত্বের হাত থেকে বাঁচাতে হলে সার্বিক সতর্কতা ও কঠোর
নজরদারি নিশ্চিত করতেই হবে। এর বিকল্প নেই।