সৌদি হামলায় ইরানকে দুষছে ইউরোপীয়রাও

সৌদি হামলায় ইরানকে দুষছে ইউরোপীয়রাও

জাতিসংঘ সদর দফতরে ইউরোপীয় নেতাদের বৈঠক। ছবি: সংগৃহীত

সৌদি আরবের দু’টি প্রধান তেল-স্থাপনায় হামলায় ইরানকে দায়ী করেছে ফ্লান্স, জার্মানি ও যুক্তরাজ্যও। তবে, এ অভিযোগ অস্বীকার করেছে তেহরান। তাদের দাবি, ইউরোপীয় দেশগুলো তোতাপাখির মতো যুক্তরাষ্ট্রের অভিযোগেরই বুলি আওড়াচ্ছে।


মঙ্গলবার (২৪ সেপ্টেম্বর) আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম বিবিসি জানায়, নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের মধ্যে পার্শ্ববৈঠকে বসেছিলেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন, ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট এমান্যুয়েল ম্যাক্রোঁ ও জার্মান চ্যান্সেলর অ্যাঞ্জেলা মেরকেল।

বৈঠক শেষে এক যৌথ বিবৃতিতে তারা বলেন, এটা পরিষ্কার যে, এই (সৌদির তেল-স্থাপনায়) হামলার দায় ইরানের। এর আর কোনো বিশ্বাসযোগ্য ব্যাখ্যা নেই। আমরা এর বিস্তারিত জানতে চলমান তদন্তে সমর্থন জানাচ্ছি।

ইরানকে তাদের পারমাণবিক ও ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচির বিষয়ে বিশ্বনেতাদের সঙ্গে সমঝোতা করার আহ্বানও জানান তারা।

তবে, ইরানের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুললেও ২০১৫ সালের পারমাণবিক চুক্তি এখনো অনুসরণ করবেন বলেও ঘোষণা দেন এ তিন নেতা।

এদিকে, সৌদিতে হামলায় জড়িত থাকার বিষয়ে ওঠা এ অভিযোগ আবারও অস্বীকার করেছে ইরান। 

এক টুইট বার্তায় দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী জাভাদ জারিফ ইউরোপীয় নেতাদের কঠোর সমালোচনা করে জানিয়েছেন, পুরনো চুক্তি পূরণ না হলে পারমাণবিক কর্মসূচি বিষয়ে নতুন চুক্তির কোনো সম্ভাবনা নেই।

এছাড়া, ইরানে সামরিক অভিযান চালানোর বিষয়েও যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদের সতর্ক করে দিয়েছেন তিনি। 

গত শনিবার (১৪ সেপ্টেম্বর) সৌদি আরবের দু’টি তেল-স্থাপনায় হামলার দায় স্বীকার করেছে ইয়েমেনের ইরান সমর্থিত হুথি বিদ্রোহীরা। যুক্তরাষ্ট্রের দাবি, এ হামলায় ১৮টি ড্রোন ও সাতটি স্বল্পপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহৃত হয়েছে। আর এগুলো উৎক্ষেপণ করা হয়েছে ইরানের দক্ষিণাঞ্চল ও পারস্য উপসাগরের উত্তরাঞ্চল থেকে।