সোনা আমদানিতে আগ্রহ নেই

সোনা আমদানিতে আগ্রহ নেই

দেশে সোনা চোরাচালান ভয়ঙ্কর রূপ ধারণ করেছে। প্রতিনিয়ত সোনা চোরাচালানের খবর আসছে গণমাধ্যমে। তারপরও কোনভাবেই সোনার চোরাচালান বন্ধ হচ্ছে না। অপরাধীদের চিহ্নিত করতে কমিটির পর কমিটি গঠন হয়। কিন্তু কোন কাজই হচ্ছে না। আইনের ফাঁক ফোকর দিয়ে পার পেয়ে যায় রাঘব বোয়ালরাও। কাষ্টমস ও আইন প্রয়োগকারী সংস্থাও চোরাচালানিদের পাকড়াও করার ক্ষেত্রে পুরোপুরি সফলতা দেখাতে ব্যর্থ হচ্ছে। সোনা শিল্পের বিকাশ, অবৈধ আমদানি বন্ধ অভ্যন্তরীণ চাহিদা পূরণ ও সোনার অলংকার রফতানি বাড়াতে স্বাধীনতার ৪৮ বছর ২০১৮ সালের অক্টোবরে সোনানীতিমালা প্রণয়ন করে সরকার। এটি করা হয় সোনার খাতকে একটি বৈধ রূপ দেওয়ার জন্য। সোনা আমদানি করতে ডিলার নিয়োগ করার জন্য প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। এরই মধ্যে ছয়মাস পেরিয়ে গেলেও এখন পর্যন্ত কোন আবেদন জমা পড়েনি। তাতে আগ্রহ নেই ব্যবসায়ীদের। অনুমোদিত লাইসেন্স খুঁজে পাচ্ছে না কেন্দ্রীয় ব্যাংক। সোনা আমদানিনীতি অনুমোদনের পর সোনা আমদানিকারক হিসেবে তালিকাভুক্ত হতে আগ্রহী ব্যবসায়ী বা প্রতিষ্ঠানকে নির্দিষ্ট শর্তসাপেক্ষে লাইসেন্স কেন্দ্রীয় ব্যাংক ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত পরিবেশক পাওয়ার আবেদনের সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছে। ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, প্রজ্ঞাপনে কিছু অসঙ্গতি থাকায় তারা লাইসেন্স নিতে আগ্রহ প্রকাশ করছে না। সোনার ব্যবসায়ীরা জানায় আমদানিকৃত সোনার কমিশন নির্ধারণ না হওয়ায় তারা দ্বিধায় আছে। আসলে সংশ্লিষ্ট খাতের ব্যবসায়ীরা নিয়ম-নীতিতে আবদ্ধ হতে চাইছে ন। চোরাচালানের ওপর তাদের মুনাফা বেশি। তাদের এমন আবদারে কর্ণপাত করা উচিত নয় সরকারের। সরকার চোরাচালানসহ সব ধরনের অপরাধ দমনে শতভাগ আন্তরিক-এটা প্রমাণ করতে হবে। কঠোর হস্তে সোনা চোরাচালান রোধ করতে হবে।