সেদিন ইরানের আরেক জ্যেষ্ঠ সামরিক কর্মকর্তাকেও হত্যার চেষ্টা করে যুক্তরাষ্ট্র

সেদিন ইরানের আরেক জ্যেষ্ঠ সামরিক কর্মকর্তাকেও হত্যার চেষ্টা করে যুক্তরাষ্ট্র

ইরাকে বিমান হামলায় গত ৩ জানুয়ারি ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) কুদস ফোর্সের প্রধান মেজর জেনারেল কাসেম সোলাইমানিকে হত্যার পর সেদিনই দেশটির আরেক সিনিয়র সামরিক কর্মকর্তাকেও হত্যার চেষ্টা করে যুক্তরাষ্ট্র। কিন্তু এই চেষ্টা ব্যর্থ হয়। খবর ইউএনবির।
নাম না প্রকাশের শর্তে যুক্তরাষ্ট্রের একাধিক কর্মকর্তা বলেন, আইআরজিসির শীর্ষ কমান্ডার আবদুল রেজা শাহলাইকে লক্ষ্য করে একটি বিশেষ বাহিনী সামরিক বিমান হামলা চালায় কিন্তু সফল হয়নি। তবে কেন এই হামলা ব্যর্থ হয়েছে উল্লেখ করেননি তারা।
এসব কর্মকর্তা আরও বলেন, কাসেম সোলাইমানি এবং শাহলাই যুক্তরাষ্ট্রের লক্ষ্যবস্তুর তালিকায় ছিলেন। ইরানের কুদস ফোর্সের নেতৃত্বকে পঙ্গু করে দেয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের মূল লক্ষ্য। এটিকে সন্ত্রাসী সংগঠন মনে করে যুক্তরাষ্ট্র।
ইরাকের বাগদাদ ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্টের কাছে যুক্তরাষ্ট্রের বিমান হামলায় ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) কুদস ফোর্সের প্রধান এবং ইরাকি মিলিশিয়া কমান্ডার আবু মাহদি আল-মুহান্দিসসহ বেশ কয়েকজন নিহত হন।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা বিভাগের সদর দপ্তর পেন্টাগন জানায়, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্দেশে এই হামলা চালানো হয়। অন্যদিকে ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনেয়ি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের জন্য কঠোর প্রতিশোধ অপেক্ষা করছে।
এর জবাবে ৮ জানুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের দুটি ঘাঁটিতে ইরানের ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে ৮০ জন নিহত এবং ২০০ জন আহত হন বলে জানায় ইরানি রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন। তবে ট্রাম্প জাতির উদ্দেশে দেয়া ভাষণে বলেন, ইরানের হামলায় কোনও আমেরিকান আহত বা নিহত হননি।