সেতু আছে রাস্তা নেই শেষ নেই দুর্ভোগের

সেতু আছে রাস্তা নেই  শেষ নেই দুর্ভোগের

ফুলবাড়ী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি : আনন্দ বাজার বারোমাসিয়ার ছড়ার ওপর নির্মাণ করা হয়েছে সেতু। খুলে দেয়া হয় মানুষের সুবিধার জন্য। ছয় মাস যেতে না যেতেই উভয় পাশে নেই সংযোগ সড়ক। ফলে সেতুটি কোন কাজেই আসছে এখন। বেড়েছে মানুষের দুর্ভোগ। অথচ এক বছর আগে ৩২ লাখ টাকা ব্যয়ে কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী উপজেলার নাওডাঙ্গা  ইউনিয়নের বারোমাসিয়ার ছড়ার ওপর এটি নির্মাণ করা হয়েছে।

ওই এলাকার জহির ও আবুল হোসেন জানান, নাওডাঙ্গা ইউনিয়নের আনন্দ বাজার সংযোগ সড়কে বারোমাসিয়ার ছড়ার ওপর সেতু নির্মাণের দাবি ছিল এলাকাবাসীর। সে জন্য ২০১৫-২০১৬ অর্থ বছরে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের সেতু/কালভার্ট নির্মাণ প্রকল্পের আওতায় ওই ছড়ার ওপর ৪০ ফুট দৈর্ঘ্য সেতুটি নির্মাণ করা হয়। সেতুটি হওয়ায় উপজেলার আনন্দ বাজার, চর গোরুকমন্ডপ, কান্তাপাড়া, কলিচর, খোরচর, চরখারুয়া, জামাকুটি, জাউকুটি, বাঘ খাওয়ার চর, চর পেঁচাই  পাড়ার অধিবাসীদের যোগাযোগ ব্যবস্থা সহজ হয়। ব্যাপক লোকজন ও স্কুল কলেজ পড়–য়া শিক্ষার্থী চলাচল করত সেতু দিয়ে। কিন্তু গত বন্যায় সেতুর দু’পাশে ভেঙে যাওয়ায় মানুষের র্দুভোগ আগের মতো রয়ে গেছে। রাস্তাটিও ঠিক করছে না প্রশাসন ।

নাওডাঙ্গা  ইউনিয়নের  চেয়ারম্যান মো. মুসাব্বের আলী মুসা জানান, অনেক চেষ্টায় সেতুটি নির্মাণ করা হয়। কিন্তু বন্যায় দুই পাশের মাটি ধসে পড়ায় লোকজন নিচ দিয়ে চলাফেরা করছেন। প্রশাসনকে বিষয়টি অবগত করা হয়েছে। আশা করছি শিগগিরই সংস্কার কাজ শুরু হবে । ফুলবাড়ী উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) সবুজ কুমার গুপ্ত জানান, সেতু নির্মাণ করে চলাচলের জন্য সংযোগের ব্যবস্থা করেছে ঠিকাদার। ভয়াবহ বন্যায় বেশ কিছু রাস্তা ঘাট নষ্ট ও ক্ষতি হয়েছে। তার মধ্যে এ সংযোগ সড়কটিও ভেঙে গেছে। কাবিখা ও কাবিটা বরাদ্দ আসলে সংস্কারের ব্যবস্থা নেয়া হবে।