সীমান্তে স্বস্তি ফিরিয়ে আনুন

সীমান্তে স্বস্তি ফিরিয়ে আনুন

সীমান্তে বাংলাদেশি হত্যা এক নিয়মিত ঘটনায় পরিণত হয়েছে এবং এসব হত্যাকান্ডে বাংলাদেশ সরকার ও এ দেশের মানুষ উদ্বিগ্ন না হয়ে পারবে না। চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলার ভারতীয় সীমান্ত রক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) গুলিতে এক বাংলাদেশি যুবক নিহত হয়েছেন। তার নাম নাজিম উদ্দিন। সে আকুন্দবাড়িয়া গ্রামের আবুল কালামের ছেলে। বৃহস্পতিবার ভোরে ভারত সীমান্তের ৭৪ নম্বর মেইন পিলারের কাছে এ ঘটনা ঘটে। এর আগে রাজশাহীর পবা উপজেলার খানপুর সীমান্তে ভারতীয় সীমান্ত রক্ষী বাহিনীর রাবার বুলেটে অন্তত ১০ বাংলাদেশি আহত হয়েছে বলে জানা গেছে। সোমবার (২ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টার দিকে সীমান্তের ১৬৩/১ নম্বর পিলারের কাছে এ ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে রাজশাহী বিজিবির ব্যাটালিয়ন পরিচালক (লেফটেন্যান্ট কর্ণেল ফেরদৌস জিয়াউদ্দিন মাহমুদ জানান, সীমান্ত এলাকায় ঘাস কাটতে গেলে বিএসএফ সদস্যরা তাদের লক্ষ্য করে রাবার বুলেট ছোড়ে। স্থানীয়রা জানায় পিলারের কাছে বাংলাদেশের ভেতর ফসলের জমিতে কাজ করছিল শ্রমিকরা। বাংলাদেশ-ভারত পরস্পরের বন্ধুপ্রতিম দুটি রাষ্ট্র। এই সম্পর্ক যাতে ক্রমেই আরো মজবুত হয়। সে লক্ষ্যেই এগিয়ে যাওয়া উচিত। এ ক্ষেত্রে ভারতের তরফে অগ্রণী ভূমিকা নিতে হবে। কারণ তাদের দিক থেকে অঙ্গীকার প্রতিশ্রুতি বরখেলাপ ঘটছে বারংবার। বিএসএফ’র এ ধরনের অসহিষ্ণু আচরণ বন্ধ হওয়াটা জরুরি। সীমান্তে শান্তি প্রতিষ্ঠায় ভারত যে উদার তা সে দেশের সরকারকেই দায়িত্বের সঙ্গে প্রমাণ করতে হবে এবং সেই অনুযায়ী কাঙ্খিত পদক্ষেপও নিতে হবে।