সাভারে গুলিবিদ্ধ লাশের গলায় চিরকুটে লেখা ‘আমি ধর্ষণ মামলার মূল হোতা’

সাভারে গুলিবিদ্ধ লাশের গলায় চিরকুটে লেখা ‘আমি ধর্ষণ মামলার মূল হোতা’

সাভার (ঢাকা) প্রতিনিধি : সাভারে এক গার্মেণ্ট কর্মীর গুলিবিদ্ধ লাশ উদ্ধার করেছে সাভার মডেল থানা পুলিশ। লাশের গলায় একটি চিরকুটে লেখা ছিল ‘আমি ধর্ষণ মামলার মূল হোতা’।  গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় বিরুয়া ইউনিয়ন এলাকার খাগান গ্রামের আশুলিয়া মডেল টাউনের ভেতর থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়। নিহতের নাম মো: রিপন (৩৫)। তিনি ঝিনাইদাহ জেলার কালিগঞ্জ থানা এলাকার বালিয়া ডাঙ্গা গ্রামের আব্দুল লতিফের ছেলে ও আশুলিয়া কুড়গাঁও এলাকার অস্থায়ী বাসিন্দা।  লাশ ময়না তদন্তের জন্য মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে। এ ঘটনায় সাভার মডেল থানায় হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে। রিপন আশুলিয়া জামগড়া বেরুন এলাকার ইয়াগী গার্মেন্ট লি: এর শ্রমিক ছিল।

সাভার মডেল থানা পুলিশ পরিদর্শক আবদুল আউয়াল ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, আশুলিয়া মডেল টাউন এলাকা থেকে রিপনের গুলিবিদ্ধ লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। আশুলিয়া থানা পুলিশ পরিদর্শক (ওসি তদন্ত) জাবেদ মাসুদ বলেন, ৫ জানুয়ারি গোরাট এলাকায় এক পোশাক কারখানার কর্মীকে দল বেঁধে ধর্ষণের পর তার মৃত্যুর ঘটনায় যে মামলা হয়েছিল, তার মূল আসামি ছিলেন রিপন। ১৬ বছর বয়সী ওই তরুণী সেদিন সন্ধ্যায় কারখানা ছুটির পর বাড়ি ফেরার পথে পাঁচজন তার পথরোধ করে কারখানার পেছনে একটি মাঠে নিয়ে ধর্ষণ করে। এ ঘটনার দুই দিন পর নরসিংহপুরের নারী ও শিশু স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ওই নারীর মৃত্যু হয়। ওই ঘটনায় মেয়েটির বাবা আবদুর রহিম, লাইন চিফ রিপন ও ক্যান্টিন মালিক শিপনসহ চারজনের নাম উল্লেখ করে মামলা দায়ের করেন। আসামিদের মধ্যে রহিমকে মামলা হওয়ার দিনই গ্রেফতার করা হয়।