সাকিব-তামিমে স্বস্তিতে মাশরাফি

সাকিব-তামিমে স্বস্তিতে মাশরাফি

স্পোর্টস রিপোর্টার : বাঁহাতের কনিষ্ঠার ইনজুরি জয় করে সাকিব আল হাসান ফিরেছেন ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে টেস্ট সিরিজ দিয়ে। একই হাতে এশিয়া কাপে তর্জণীতে পাওয়া চোট কাটিয়ে ওঠায় দলটির বিপক্ষে সাদা পোশাকেই ফেরার জোর সম্ভাবনা জাগিয়েছিলেন তামিম ইকবালও। কিন্তু শেষ মুহূর্তে সাইডস্ট্রেনের ইনজুরি তার ফেরার পথে জুড়ে দেয় দেয়াল। অবশেষে সেই দেয়াল সরিয়ে ওয়ানডে সিরিজ দিয়ে প্রায় আড়াই মাস পরে মাঠে ফিরেছেন এই টাইগার হার্ড হিটার। গত ৬ ডিসেম্বরপ্রস্তুতি ম্যাচে ওয়েস্ট ইন্ডিজ একাদশের বিপক্ষে ব্যাট হাতে নেমেই বিকেএসপিতে তুলেছেন ঝড়। ৭৩ বলে খেলেছেন ১০৭ রানের বিধ্বংসী এক ইনিংস। কাজেই মোটামুটি লম্বা একটা সময় পর এই সিনিয়র ডুয়োকে দলে পেয়ে স্বস্তিতে দলপতি মাশরাফি বিন মর্তুজা। গতকাল শনিবার শের ই বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামের সম্মেলন কক্ষে এসে সেই স্বস্তির কথাই জানালেন। অবশ্যই স্বস্তি। সাকিব, তামিম দলে থাকা আমাদের জন্য বড় সুবিধা।

 তামিম এসেছে এবং অনুশীলন ম্যাচটায় সেঞ্চুরি করেছে। এটা তামিমের জন্য স্বস্তি, আমাদের জন্যও স্বস্তি। একই সাথে আমি বলবো ইনজুরি থেকে এসে খেলা, পারফর্ম করা সময়ের ব্যাপার। তো তামিম আগের ম্যাচে সেঞ্চুরি করেছে মানে এটা আশা করা ঠিক হবে না যে পরের ম্যাচে নেমেও এক্সট্রা অর্ডনারি ইনিংস খেলবে।ওর থেকে ভাল হতে পারে, খারাপ ও হতে পারে। অথচ এই তামিম ইকবালই এশিয়া কাপের উদ্বোধনী ম্যাচে ইনজুরিকে আলিঙ্গন করার ঠিক আগের সিরিজে ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরে গিয়ে তিন ম্যাচ সিরিজে দুটিতেই সেঞ্চুরি করেছিলেন (১৩০ অপ, ১০৩)। ক্যারিবিয়ান একাদশের বিপক্ষে প্রস্ততি ম্যাচে বিষ্ফোরক ইনিংস খেলে সেই ছন্দ ধরে রাখার ইঙ্গিত দিলেও আন্তর্জাতিক ম্যাচে নেমেই দারুণ কিছু করাটা চ্যালেঞ্জিং হবে বলে মত মাশরাফির। ইনজুরি থেকে উঠে আসলে নিজেকে খাপ খাইয়ে নিতে বেশ কিছুদিন সময় লাগে। বিশেষ করে তামিম দুই-আড়াই মাসের মতো বাইরে ছিলো। সো এটা গুরুত্বপূর্ণ। সাকিব হয়তো দুটি টেস্ট ম্যাচ খেলে কিছুটা খাপ খাইয়ে নিয়েছে। তামিমের হয়তো সময় লাগতে পারে। এটা আমার ভাবনা। কিন্তু ওরা দুইজন থাকাটা প্রতিটি প্লেয়ারের জন্য স্বস্তিদায়ক।