সরকার সহজেই নির্বাচন করবে না : ফখরুল

সরকার সহজেই নির্বাচন করবে না : ফখরুল

স্টাফ রিপোর্টার: নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে ভোটে জিততে পারবে না বিধায় সরকার সহজেই নির্বাচন করবে না বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ জানে নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচন হলে তারা ৮ শতাংশ ভোটও পাবে না। গতকাল রোববার বিকেলে রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের নিচতলায় জিয়া স্মৃতি পাঠাগার আয়োজিত এক আলোচনা সভায় এসব কথা বলেন ফখরুল। বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৮২তম জন্মবার্ষিকী এবং জিয়া স্মৃতি পাঠাগারের পঞ্চম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে এই আলোচনা সভা, বই সংগ্রহ কর্মসূচি, পাঠক পরিচয়পত্র বিতরণ ও পুস্তক প্রদর্শনী হয়। মির্জা ফখরুল দাবি করে বলেন, এরা (সরকার) সহজেই নির্বাচন করবে না।

 কারণ এরা জানে যে, নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে যদি নির্বাচন হয়, তাহলে এরা কোনোদিনই ক্ষমতায় আসতে পারবে না। আর ক্ষমতায় আসতে না পারলে এদের যে কী হাল হবে এই বিষয়ে জনগণ খুব ভালো করে জানে। আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের এক বক্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় বিএনপি মহাসচিব বলেন, তিনি (ওবায়দুল কাদের) বলছেন যে-আমরা নাকি শতকরা ৮ ভাগও ভোট পাবো না। আমরা বলব, তাহলে আপনারা (সরকার) ভোট নিচ্ছেন না কেন? একটা নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে ভোট দেন- দেখা যাক কে কত ভোট পায়। আপনারা জিতলে আপনারা আছেন, আমরা হলে আমরা আছি। না হলে নাই। সেটা তো করবেন না। কারণ আপনারা জানেন নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে ভোট দিলে আপনারা ৮ পারসেন্টেও থাকবেন না।

হাইকোর্ট কর্তৃক সদ্য স্থগিত হওয়া উত্তর সিটি করপোরেশন উপ-নির্বাচনের প্রসঙ্গ টেনে মির্জা ফখরুল বলেন, সরকার স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের সাথে যোগসাজস করে এই কাজটা (স্থগিত) করেছেন, যাতে করে একটা রিট হয় এবং নির্বাচন করতে না হয়। নির্বাচন করলেই তো আপনাদের ভরাডুবি। সিটি করপোরেশন নির্বাচনে আপনাদের ভরাডুবি অবধারিত ছিলো। সে কারণে আপনারা নির্বাচন বন্ধ করেছেন। সংগঠনের সভাপতি বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আবদুস সালামের সভাপতিত্বে এবং মহানগর দক্ষিণের দফতর সম্পাদক সাঈদুর রহমান মিন্টুর পরিচালনায় এতে দলের ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল্লাহ আল নোমান, যুগ্ম-মহাসচিব সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, মহানগর দক্ষিণের সহ-সাধারণ সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার গোলাম কিবরিয়া, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি সঞ্জিত কুমার দেব জনি, জিয়া স্মৃতি পাঠাগারের সাধারণ সম্পাদক জহির দীপ্তি প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।