সমবায়ভিত্তিক উদ্যোগ ও বাজেট বরাদ্দ দরকার

সমবায়ভিত্তিক উদ্যোগ ও বাজেট বরাদ্দ দরকার

আতাউর রহমান মিটন   : রবীন্দ্রনাথ একদা বলেছিলেন, আমাদের দেশে টাকার অভাব নয়, রয়েছে ভরসার অভাব। নিজের পায়ে ভর দিয়ে যাত্রা শুরু করার সক্ষমতা থাকলেও সেই যাত্রা নিরাপদ কি না অথবা যাত্রা করে গন্তব্যে পৌঁছানো যাবে কি না, সেই ভরসা অনেকেরই মনে নেই। দেশে বড় বড় প্রকল্প হবে, দেশের প্রবৃদ্ধি হবে, ধনী দেশের খাতায় আমাদের নাম উঠবে এই স্বপ্ন ও আশ্বাস আমাদের সকলকেই মোহিত করে। কিন্তু যার জীবনে সংকট গভীর, যে অভাব-অনটনে হাবুডুবু খাচ্ছে সেই প্রান্তজনেরা এখনও নিজের ভাগ্যের পরিবর্তনের জন্য কপালের উপরই নিভর করে আকাশের দিকে চেয়ে আছেন। কারণ কেউ তাদের ভরসা যোগাচ্ছে না, অথবা কারও উপর এই প্রান্তজনেরা ভরসা রাখতে পারছেন না। পারছেন না, কারণ সবাই মুখে মুখে তাদের কথা বলছেন বটে কিন্তু বাস্তবে তাদের উন্নয়নের জন্য সরাসরি যে কাজটা করা দরকার সেটা করছেন না। উন্নয়নের সুইমিং পুলে একদল যখন শরীর চুবিয়ে সাঁতার কাটছেন, তখন সেই উন্নয়নের চুইয়ে পড়া পানিতে প্রান্তজনেরা তেষ্টা মেটাচ্ছেন!
দেশের ইতিহাসে আবারও বৃহত্তম বাজেট মহান জাতীয় সংসদে উত্থাপিত হয়েছে। বাজেট কেমন হয়েছে তা নিয়ে প্রতিদিন বিস্তর আলোচনা-সমালোচনা হচ্ছে। আমি নিজেও বাজেট নিয়ে আমার বক্তব্য একাধিকবার বলেছি। দেশের মানুষ উন্নয়ন চায় তাই উন্নয়ন সহায়ক বাজেট সকলেরই কাম্য। কিন্তু উন্নয়ন কার জন্য? দেশের ১% মানুষ অথাৎ প্রায় ১৬ লক্ষ অতি ধনীদের স্বার্থে কি এই বাজেট নাকি সাধারণ মানুষ, প্রান্তজনের ভাগ্য উন্নয়নে? বিতর্কটা সেখানেই। ধরা যাক, সরকার কৃষিকে আধুনিকীকরণের জন্য বাজেটে ভর্তুকির ব্যবস্থা রেখেছেন। সরকারকে ধন্যবাদ কিন্তু এই ভর্তুকিতে ক্ষুদ্র কৃষক, ক্ষেত মজুরের কি লাভ? পরিকল্পনা অনুযায়ী একটি হারভেষ্টর বা ধান কাটা-মাড়াই যন্ত্রের দাম যদি ১৪ লক্ষ টাকা হয় তাহলে তার অর্ধেক অর্থাৎ ৭ লক্ষ টাকা জমা দিলেই সেই যন্ত্র কেনা যাবে। বাকি টাকা দেবে সরকার। কিন্তু এই সাত লক্ষ টাকা দিতে পারার মত সামর্থ্যবান কৃষক আসলে কতজন? তাহলে ভর্তুকির সুবিধা পাবে কে? টাকাগুলো যাবে কোথায়?
এবারের বাজেটের আকার ৫ লক্ষ ২৩ হাজার ১৯০ কোটি টাকা। এর মধ্যে ঘাটতি ধরা হয়েছে ১ লক্ষ ৪১ হাজার ২১২ কোটি টাকা, যা মূল বাজেটের প্রায় চার ভাগের এক ভাগ। বাজেটের আকার যেমন দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বৃহৎ তেমনি ঘাটতির আকারও দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বড়। অর্থাৎ আপনি বাজারে গেছেন ১০০ টাকার খরচ করার পরিকল্পনা নিয়ে কিন্তু পকেটে আছে ৭৫ টাকা। অবশিষ্ট টাকা আসবে কোত্থেকে? সহজ উত্তর, ধার করা হবে! এভাবে ঘাটতি দেখিয়ে বড় বাজেট করার মধ্যে কোন বাহাদুরি আছে কিনা সেই প্রশ্ন অনেকেরই মনে। যদিও অর্থনীতিবিদেরা মনে করেন, ধার পাওয়ার বন্দোবস্ত সহজ হলে এবং সেই টাকা খাটিয়ে আরও টাকা বাড়াতে পারলে ধার করায় কোন দোষ নেই। যেমন, কেউ যদি ধার করে টাকা নিয়ে গাভীর খামার গড়ে তুলে দুধের উৎপাদন বাড়ায় এবং বেশি আয় করে নিজের জীবনমানের উন্নয়ন ও পাশাপাশি ধারের টাকা শোধ করতে পারে তাহলে এমন ধার নিতে কোন বাধা নেই। কারণ, এখানে কোন পক্ষেরই লোকসান নেই বরং দুধের উৎপাদন বৃদ্ধির ফলে মানুষের বহুবিধ উন্নয়নের পাশাপাশি জিডিপিতেও অবদান রাখবে। কিন্তু ধার করা টাকা দিয়ে উৎপাদন না বাড়িয়ে কেউ যদি ‘ঘি’ খাওয়ার পরিকল্পনা করে তাহলে আমাদের মধ্যে ভয়ের সঞ্চার হওয়া স্বাভাবিক! দেশের জনগণ বিদ্যুৎ উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য বাজেটে বরাদ্দ দিতে আপত্তি করছে না কিন্তু বরাদ্দের টাকায় রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ‘বালিশ চুরি’র মত মহোৎসব আয়োজন করা হলে আমাদের আপত্তি করার যৌক্তিক কারণ রয়েছে। আমাদের ঘামে ভেজা কষ্টের টাকা, আমাদের দেয়া প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ কর, আমাদের কাছে তো পদ্মার সেতু’র মতই গুরুত্বপূণ। সেই টাকা কোথায় খরচ করা হচ্ছে সেটা নিয়ে ভাববার অধিকার আমার আছে। আমি কি চাই সেটা আমাকে বলতে দিতে হবে।
বতমান সরকারকে সাধুবাদ জানাই তাদের ধারাবাহিক দশবছর অতিক্রম করে এবারে এগারতম বাজেট উত্থাপনের জন্য। সরকার সাহস করে প্রতিবছর বড় বড় বাজেট করছেন, হাতে নিয়েছেন একাধিক মেগা প্রকল্প, দেশের অবকাঠামো উন্নয়নে নানামুখি কাজ শুরু হয়েছে তাতে আমরা সবাই আনন্দিত। কিন্তু বরাদ্দের ক্ষেত্রে বৈষম্য হ্রাসের উদ্যোগ না থাকায় আমাদের মধ্যে হতাশা বাড়ছে। আমরা চেয়েছিলাম স্বাস্থ্যখাতে বরাদ্দ বাড়ানো হোক। দেশের হাসপাতালগুলোতে রোগি ধারণের জায়গা নেই। হাসপাতালগুলোতে প্রতিদিন ভিড় বাড়ছে, বাড়ছে হয়রানি। রোগের প্রাদুর্ভাব বৃদ্ধির সাথে সাথে রোগির চাপ সামলানোর জন্য সরকারি বরাদ্দ অপ্রতুল। এবারের প্রস্তাবিত বাজেটে স্বাস্থ্যখাতে বরাদ্দের পরিমাণ ২৫ হাজার ৭৩২ কোটি টাকা, যা গতবছরের তুলনায় ২ হাজার ৩৪৯ কোটি বেশি কিন্তু জিডিপি’র তুলনায় এই বরাদ্দ মাত্র ৪.৯%, যা গতবছরের তুলনায় তা ০.১ % কম। বিশেষজ্ঞদের মতে, জিডিপি’র ১৫% স্বাস্থ্যখাতে বরাদ্দ দেয়া দরকার ছিল। কারণ, জনগণের সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করতে না পারলে অসুখ-বিসুখে কাতর হয়ে থাকা জনগোষ্ঠী দিয়ে দেশের সামগ্রিক উৎপাদনশীলতা বাড়ানো কঠিন। রুগ্ন মায়ের পক্ষে সুস্থ ও স্বাস্থ্যবান সন্তান জন্ম দেয়া কঠিন। এবারের বাজেট প্রতিক্রিয়ায় জাতীয় স্বাস্থ্য আন্দোলনের সভাপতি ও বিএমএ’ সাবেক সভাপতি অধ্যাপক ডা. রশিদ ই মাহবুব বলেছেন, ‘পুরানো ধারাতেই থেকে যাচ্ছে স্বাস্থ্য খাতের বিষয়টি। এবারের বাজেটেও দরিদ্র মানুষের স্বাস্থ্যসেবা সহজলভ্য করা, রোগিদের পকেট থেকে খরচ কমানোর কোন লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না।’ উল্লেখ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, স্বাস্থ্যখাতে মোট বরাদ্দ বাড়লেও তা আসলে ব্যয়িত হবে রাজস্ব খাতের বেতন-ভাতা অন্যান্য প্রশাসনিক কাজে। এতে করে রোগীদের উন্নয়নে সরাসরি কোন সুবিধা হবে না।
স্বাস্থ্যখাতে বরাদ্দ এখানে তুলে ধরলাম একটি উদাহরণ হিসেবে। মেগা প্রকল্পগুলো ছাড়া বাকি সবখানেই বাজেটে বরাদ্দ টাকার অঙ্কে সামান্য বাড়লেও তা গতানুগতিক এবং এতে করে ঐ খাতসমূহের উল্লেখযোগ্য কোন পরিবর্তন ঘটবে না। বাজেটের বরাদ্দের সুফল খেটে খাওয়া সাধারণ মানুষের ভাগ্যে জুটবে না বলে অনেকেই মনে করেন। অর্থাৎ প্রান্তিক মানুষগুলোকে এগিয়ে নেয়ার জন্য সরকারের গৃহীত উদ্যোগে অনেকের ভরসা নেই। যদিও বৈষম্য কমানোর জন্য সেটাই দরকার ছিল বেশি। করমুক্ত আয়ের সীমা সামান্য হলেও বাড়ানো প্রয়োজন ছিল। ব্যাংক হিসেব পর্যালোচনায় দেখা যায়, দেশে কোটিপতির সংখ্যা ১ কোটিরও বেশি কিন্তু আয়কর দেয় মাত্র ১৪ লক্ষ মানুষ। এই কোটিপতিদের বাধ্যতামূলক করের আওতায় নিয়ে আসা হলে দেশের রাজস্ব আয় আরও বাড়তে পারে এবং কমতে পারে গরিব ও সাধারণ মানুষের উপর পরোক্ষ করের বোঝা। সাধারণ মানুষের সুবিধার্থে গণপরিবহণ ব্যবস্থার উন্নয়ন করা, সাধারণ মানুষের আবাসন সুবিধায় ঋণ সহজলভ্য করা, গ্রামে অবকাঠামোখাতে বিনিয়োগ বৃদ্ধি করে গ্রামগুলোতে শহরের সুবিধা নিশ্চিত করা, শিক্ষার মানোন্নয়ন এবং স্বাস্থ্যসেবা সুবিধা বৃদ্ধি করে ‘আমার গ্রাম, আমার শহর’ কর্মসূচি দ্রুততর করার উদ্যোগগুলিতে অগ্রাধিকার দেয়া এবং সেই মোতাবেক বাজেট বরাদ্দ দেয়া দরকার। এটা বলতে কোন দ্বিধা নেই যে, এবারের বাজেটও গতানুগতিক, উপর থেকে চাপিয়ে দেয়া এবং কপোরেট ও ধনীক গোষ্ঠীকে সুবিধা দেয়ার বাজেট। এই বাজেট বিদ্যমান ধনবৈষম্য কমাবে না। এই বাজেটর ফলে শিশুদের আনন্দময় শৈশব গড়ার প্রচেষ্টায় কোন সহায়তা হবে না। দেশের যুবসমাজের কর্মসংস্থান বৃদ্ধিতে বাজেটে ২০০ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছে। এটা অত্যন্ত ইতিবাচক কিন্তু যুবকেরা এই টাকা রেয়াতি সুদের হারে নিতে পারবে কি না তা বাজেটে স্পষ্ট নয়।
গ্রামীণ অর্থনীতিকে গতিশীল করা এবং প্রান্তিক মানুষদের স্বার্থে উন্নয়ন পরিকল্পনা করতে চাইলে তা হতে হবে ইউনিয়নভিত্তিক। প্রত্যেক ইউনিয়ন পরিষদকে শক্তিশালী করতে হবে। সেখানে সেবাদানের সক্ষমতা গড়ে তুলতে হবে। সমবায়ভিত্তিক প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার উপর জোর দিতে হবে। সমবায়খাতে বতমানে সুশাসনের যে সঙ্কট রয়েছে তা দূর করার জন্য আপোষহীন উদ্যোগ প্রয়োজন। প্রত্যেক ইউনিয়ন পরিষদে ১ কোটি টাকার বিশেষ ঘূর্ণায়মান তহবিল দিলে এবং আগামী পাঁচ বছর তা অব্যাহত রাখা হলে প্রত্যেক ইউনিয়নে ৫ কোটি টাকার যে ঘূর্ণায়মান তহবিল তৈরি হবে সেটা দিয়েই ঐ ইউনিয়নের কতিপয় উন্নয়ন চাহিদা মেটানো সম্ভব হবে। এটা অনেকটাই সরকারের প্রস্তাবিত ওয়ান ষ্টপ কৃষি সেবা সার্ভিস এর মত। এ ধরণের গ্রামীণ উন্নয়ন সেবাদানের উদ্যোগে প্রান্তজনের অধিকার সুনিশ্চিত করতে হবে। বেশিরভাগ সময়ই দেখা যায়, সরকারের দেয়া বরাদ্দগুলো সঠিক উপকারভোগীর কাছে পৌঁছায় না, চলে যায় অন্য কোথাও।
প্রস্তাবিত ‘ওয়ান ষ্টপ সার্ভিস’ যেমন একটা উপায় ঠিক তেমনি সেই ওয়ান ষ্টপ সার্ভিস এর তদারকি ও অন্যান্য দায়িত্ব পালনের জন্য ইউনিয়নভিত্তিক সমবায় সমিতি গঠন করা যেতে পারে। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান নিজেই প্রত্যেক গ্রামে গ্রামে সমবায় গড়ে তোলার তাগাদা দিয়েছিলেন। সেই দর্শনকে এগিয়ে নেয়া ছাড়া গ্রামের উন্নতি করা সহজ হবে না। জাপানের কৃষি ও গ্রামীণ অর্থনীতি সমবায়ভিত্তিক। ইউরোপের প্রতিটি দেশ, কানাডা, ভারত প্রভৃতি দেশে সমবায় মাথা তুলে সগৌরবে দাঁড়িয়ে আছে। সরকারের সেবাসুবিধাগুলো জনগণের দোড়গোড়ায় সহজে পৌঁছে যাচ্ছে সমবায়ের কল্যাণে। আমাদের দেশে সমবায়ের সঙ্কটের পেছনে আছে সীমাহীন দুর্নীতি, সরকারের সংশ্লিষ্ট বিভাগের উদাসীন এবং সামগ্রিক সুশাসনের অভাব। মাথা ব্যাথার ওষুধ যেমন মাথা কেটে ফেলা নয়, ঠিক তেমনি সমবায় অঙ্গনে বর্তমানের যে চরম নৈরাজ্য ও অব্যবস্থাপনা বিদ্যমান তা দূর করার উদ্যোগ না নিয়ে পুরো সমবায়ের প্রতি উদাসীনতা দেখানো কোন কাজের কথা নয়!
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা একাধিকবার বলেছেন, ২০২১ সালের মধ্যে মধ্যম আয়ের বাংলাদেশ এবং ২০৪১ সাল নাগাদ উন্নত সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তোলার স্বপ্ন পূরণে সমবায় আন্দোলন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। বঙ্গবন্ধু চেয়েছিলেন, দেশের প্রতিটি গ্রামে গণমুখী সমবায় সমিতি গঠন হবে। যেখানে দরিদ্র মানুষ যৌথভাবে উৎপাদন যন্ত্রের মালিক হবেন। যেখানে সমবায়ের সংহত শক্তি দরিদ্র মানুষকে জোতদার ধনী কৃষকের শোষণ থেকে মুক্তি দেবে, যেখানে মধ্যস্বত্বভোগীরা দরিদ্রদের শ্রমের ফসল আর লুট করতে পারবে না, যেখানে শোষণ ও কোটারি স্বার্থ চিরতরে উচ্ছেদ হবে। তিনি আরও বলেছিলেন, ‘আমার দেশের প্রতিটি মানুষ খাদ্য পাবে, আশ্রয় পাবে, শিক্ষা পাবে, উন্নত জীবনের অধিকারী হবে। এ হচ্ছে আমার স্বপ্ন।
সুতরাং সরকার যদি বঙ্গবন্ধু’র এই সমবায় দর্শনকে ভিত্তি করে ন্যুনপক্ষে ইউনিয়নভিত্তিক পরিকল্পনা ও উদ্যোগ গ্রহণ করেন এবং প্রস্তাবিত বাজেটে সেইভাবে বরাদ্দ দেন তাহলে দেশের মানুষ নিজের পায়ে দাঁড়ানোর ভরসা পাবে। আমাদের গ্রামগুলো আবার জেগে উঠবে। গ্রামের শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি ও সামাজিক নিরাপত্তা রক্ষার ভার নিজেরাই কাঁধে তুলে নিতে পারবে। আমাদের দেশের কারাগারগুলো এক সময় বিশ্বের বহু উন্নত দেশের মত প্রায় কয়েদী শূন্য হয়ে উঠবে। সরকারকে এগিয়ে আসতে হবে বজ্র কঠিন দৃঢ়তায়। ভরসা রাখতে হবে সাধারণ মানুষের শক্তিতে।
লেখক : সংগঠক-প্রাবন্ধিক
[email protected]
০১৭১১-৫২৬৯৭৯