সপ্তাহের ব্যবধানে কিছুটা দাম কমেছে পেঁয়াজের

সপ্তাহের ব্যবধানে কিছুটা দাম কমেছে পেঁয়াজের

স্টাফ রিপোর্টার: প্রায় পাঁচ মাস ধরে দেশের বাজারে পেঁয়াজ সংকট আর দাম নিয়ে আলোচনা চলছে। বাজার থেকে শুরু করে রাজনৈতিক আলোচনার কেন্দ্রে জায়গা করে নিয়েছে মসলাজাতীয় এ পণ্যটি। মূলত পেঁয়াজ সংকট আর লাগামহীন ঊর্ধ্বগতিই এ আলোচনার জন্ম দিয়েছে। তবে সংকট কাটাতে সরকারি-বেসরকারি পর্যায়ে নানাভাবে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বিভিন্ন দেশ থেকে আমদানি কর হচ্ছে পেঁয়াজ। কিন্তু তবুও কমছিল না এর দাম। গত সপ্তাহ অব্দি প্রতি পেঁয়াজের দাম ২৭০ টাকা পর্যন্ত ওঠে। তবে সপ্তাহের ব্যবধানে দাম কমেছে পেঁয়াজের। বাজারে কেজিপ্রতি ২০ থেকে ৫০ টাকা পর্যন্ত দাম কমেছে পণ্যটির। গতকাল শুক্রবার রাজধানীর রামপুরা, মালিবাগ, মালিবাগ রেলগেট, খিলগাঁও, মতিঝিল টিঅ্যান্ডটি বাজার, ফকিরাপুল কাঁচাবাজার ঘুরে এ চিত্র পাওয়া যায়। এসব বাজারে আমদানি করা মিয়ানমারের পেঁয়াজ কেজিপ্রতি ৫০ টাকা কমে এখন ১৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

 দাম কমেছে মিশর ও চীনা পেঁয়াজেরও। সপ্তাহের ব্যবধানে ৩০ থেকে ৪০ টাকা কমে চীনা পেঁয়াজ বর্তমানে বিক্রি হচ্ছে ৭০ থেকে থেকে ৭৫ টাকা কেজি দরে। অন্যদিকে ২০ টাকা কমে মিশরের পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৯০ থেকে ১০০ টাকা কেজিতে। দাম কমেছে কলিসহ দেশি পেঁয়াজ ও নতুন দেশি পেঁয়াজের। কেজিপ্রতি ৩০ টাকা কমে কলিসহ পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৭০ থেকে ৯০ টাকা কেজি দরে। অন্যদিকে দেশি নতুন পেঁয়াজ কেজিপ্রতি ২০ টাকা কমে বর্তমানে বিক্রি হচ্ছে ১৪০ থেকে ১৫০ টাকায়। তবে বাজারে দেশি পেঁয়াজ আগের দামেই বিক্রি হচ্ছে।

 এখনও ২৪০ টাকা চাওয়া হচ্ছে দেশি পেঁয়াজের দাম। বিক্রেতারা বলছেন, পাইকার বাজারে আমদানি করা পেঁয়াজের দাম কমায় খুচরা বাজারে দাম কমেছে। এ বিষয়ে টিঅ্যান্ডটি বাজারের বিক্রেতা রিপন বলেন, পাইকার বাজারে পেঁয়াজ আসায় দাম কমেছে। তাই খুচরা বাজারে দাম কম, তবে পাইকার বাজারে দেশি পেঁয়াজ না থাকায় এটা আগের দামেই বিক্রি করতে হচ্ছে।অন্যদিকে পেঁয়াজের বাজার পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়ায় এখনও অব্যাহত রয়েছে টিসিবির খোলা বাজারে পেঁয়াজ বিক্রি। সরকারি ছুটির দিন বাদে প্রতিদিন টিসিবির একেকটি ট্রাকে এক হাজার কেজি পেঁয়াজ বিক্রি করা হচ্ছে।