সংসদ নির্বাচন সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক হোক

সংসদ নির্বাচন সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক হোক

মীর আব্দুল আলীম: নির্বাচন কমিশন নিরপেক্ষতা বজায় রেখে নির্বাচন করে না, তাঁরা বাহবাও পায় না। ধিক্কার পায়। বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর  নির্বাচন কমিশনকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন। এটা নির্বাচন কমিশনের জন্য বড় পাওয়া। আমরা নিরপেক্ষ নির্বাচনের কিছুটা আলো দেখতে পাচ্ছি। তাঁরা নিরপেক্ষতা বজায় রাখতে পারছেন বলে মনে হয়। নির্বাচন কমিশনের শুনানির মধ্য দিয়ে অনেকে মনোনয়ন বাতিল হওয়া  প্রার্থী যোগ্য বলে বিবেচিত হওয়ায় ৬ ডিসেম্বর বিকেলে গুলশান কার্যালয়ে সাংবাদিকদের কাছে দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বিএনপির পক্ষ থেকে নির্বাচন কমিশনকে সাধুবাদ জানান। বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘রিটার্নিং অফিসার যে অসংখ্য প্রার্থীকে অবৈধ ঘোষণা করেছিল তাদের প্রায় সবাই বিএনপির। আজকে নির্বাচন কমিশনের শুনানির মধ্য দিয়ে অনেকেই প্রার্থী হওয়ার  যোগ্য বলে বিবেচিত হয়েছেন। তারা ন্যায় বিচার করেছেন।’ তিনি বলেন, ‘দলের অনেক প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ হওয়ার ঘোষণা একটা বিজয়। আমাদের আন্দোলনে জনগণের বিজয়। মির্জা ফখরুল বলেন, রিটার্নিং অফিসার পদে যারা দায়িত্বে ছিলেন তারা ন্যায় বিচার করতে পারেননি। আপিলের পর নির্বাচন কমিশন ন্যায় বিচার করেছে। তিনি বলেন, সরকার ভীত বলেই রাষ্ট্রযন্ত্রকে ব্যবহার করছে নির্বাচনে। যেটা সাংবিধানিকভাবে নিরপেক্ষ হতে হবে সেখানে তারা বেআইনিভাবে হস্তক্ষেপ করছে। উদ্দেশ্য নির্বাচনকে প্রভাবিত করা। সারা দেশে গ্রেফতার চলছেই, কোথাও কোথাও বাড়ছে। বিএনপির সাংগঠনিক ঘরোয়া সভায়ও বাধা দিচ্ছে। তিনি নির্বাচনের পরিবেশ তৈরি এবং গ্রেফতার নির্যাতন বন্ধ দাবি জানান। আমরাও অবাধ এবং নিরপেক্ষ একটা নির্বাচন চাই।

 আসন্ন নির্বাচন হবে অবাধ, সুষ্ঠু এবং নিরপেক্ষ এমন বিশ্বাস নিয়ে বসে আছে দেশের আপামর জনগণ। নির্বাচন নিয়ে নানা তিক্ত অভিজ্ঞতা থাকলেও অতীতে  বাংলাদেশের কতক নির্বাচন সুষ্ঠু হওয়ার নজির রয়েছে তা আমরা সবাই জানি। এবার তাই হবে মনে হয়। তবে নির্বাচন নিয়ে ভয়; কি জানি কি হয়। আসন্ন নির্বাচন নিয়ে প্রকৃতই ভয় কাজ করছে সবার মাঝে। নির্বাচনের আগে কেমন যেন পরিবেশটা গোমট হয়ে আছে দেশ। সে ভয় উৎরে অবাধ এবং নিরপেক্ষ একটি নির্বাচন হোক এটা সবার প্রত্যাশা। আমরা চাই না নির্বাচনকে কেন্দ্র করে কোনো সংঘাত হোক। নির্বাচনী রক্তপাত বহু দেখেছি। রাজনৈতিক দলগুলোকে আগুন নিয়ে খেলা দেখেছি। মানুষের পোড়া লাশ দেখেছি। জ্বালাও পোড়াও কোনটা দেখিনি? আমরা চাই না এ নির্বাচনে কোনো রকম রক্তপাত হোক অথবা প্রাণহানি ঘটুক। নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সংঘাতময় কোনো পরিস্থিতি যেন সৃষ্টি না হয়, রক্তপাত যাতে না ঘটে সেদিকে নজর রাখার আহ্বান জানাই  সিইসির কাছে। যতদুর দেখছি সিইসি এ ব্যাপাওে এখনো যথেষ্ট সজাগ দৃষ্টি দিচ্ছেন।  তিনি ভোটের মাঠে নির্বাচনী আচরণবিধির প্রতিপালন নিশ্চিত করতে গিয়ে পরিস্থিতি যেন নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে না যায়, সে বিষয়ে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটদের সতর্ক থাকার পরমর্শ দেন। তিনি বলেন, ‘কোনো বিভ্রান্তিকর বা বিব্রতকর পরিস্থিতির মধ্যে পড়লে ধৈর্য, বুদ্ধিমত্তা ও দক্ষতার সঙ্গে তা মোকাবিলা করতে হবে। এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনের বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে। এ নির্বাচন কেমন হবে? নির্বাচন কি শান্তিপূর্ণ ও সুষ্ঠু পরিবেশে হবে? নাকি জোরজুলুমের নির্বাচন হবে, তা নিয়ে দেশ জুড়ে নানা জল্পনা-কল্পনা চলছে। এ নির্বাচনে ইসি এবং সরকার নিরপেক্ষতা ও স্বচ্ছতা প্রমাণ করুন- এটা এখন কায়মনে দেশবাসী চায়। এদেশে সুষ্ঠু এবং অবাধ নির্বাচনের শঙ্কা থেকেই যায় বরাবর। তাই এ নির্বাচনটি সুষ্ঠু ও অবাধ করে সামনের জাতীয় নির্বাচনে প্রার্থী এবং ভোটারদের মনে আস্থা তৈরি করুক ইসি। কোন প্রকার সংলাপে বসতে রাজি ছিলোনা সরকার। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কোন প্রকার রাগঢাক না রেখে সকল দলের সাথে সংলাপে বসেছেন।

পত্র-পত্রিকা এবং ইলেকট্রনিক্স মিডিয়ায় ইসি প্রায়ই সুষ্ঠু নির্বাচনের বিষয়ে হুঙ্কার দিচ্ছেন। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সুষ্ঠু এবং নিরপেক্ষ করতে বদ্ধপরিকর নির্বাচন কমিশন। এরই মধ্যে ইসি নির্বাচনের প্রায় সব রকম দিকনির্দেশনা দিয়েছে। এ প্রসঙ্গে প্রধান নির্বাচন কমিশনার কে এম নূরুল হুদা নির্বাচন পরিচালনার দায়িত্বে থাকা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটদের জানিয়েছেন, নির্বাচন নিয়ে বিভ্রান্তিকর বা বিব্রতকর পরিস্থিতির মধ্যে পড়লে ধৈর্য, বুদ্ধিমত্তা ও দক্ষতার সঙ্গে তা মোকাবেলা করতে হবে। এর পাশাপাশি সবাইকে নির্বাচনী আচরণবিধি প্রতিপালনেও আহ্বান জানান তিনি। এমন পর্যায়ে সবারই আশা, একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন। দেশের সবাই চায় একটা সুষ্ঠু নির্বাচন। কেউ চায় না নির্বাচন কেন্দ্রে কোনো সংঘাত হোক, কোনো রক্তপাত হোক এবং কোনো রকমের প্রাণহানি হোক। এ ছাড়া প্রশ্নবিদ্ধ নির্বাচনও তারা কামনা করে না। ভোটের অধিকার প্রাপ্তবয়স্ক প্রতিটি নাগরিকের। সবাই যেন আনন্দ চিত্তে ভোটকেন্দ্রে গিয়ে নিজের পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিতে পারেন সে নিশ্চয়তা নির্বাচনের সময় দায়িত্ব পালনকারীদের দিতে হবে এবং নির্বাচনের পর দেশে যেন কোনোরূপ বিশৃঙ্খলা-অরাজকতা সৃষ্টি না হয় সেদিকেও খেয়াল রাখতে হবে। মনে রাখতে হবে, দেশে শান্তি প্রতিষ্ঠিত করতে সুষ্ঠু নির্বাচনের বিকল্প নেই। আপামর জনগণের প্রত্যাশাও তাই। নির্বাচনের আগে ও পরে আপনাদের আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর একটা ভালো ভুমিকা থাকতে হবে। আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী আচরণবিধি প্রয়োগ করতে গিয়ে এমন কিছু করবে না যেন পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণহীন হয়ে পড়ে। কখনো আইন-কানুনের অবস্থা থেকে বিচ্যুত হবেন না। নির্বাচন ঘিরে আগে ও পরে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী, দলসহ সংশ্লিষ্ট সবাই কী করতে পারবে আর কী পারবে না, তা নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে আচরণ বিধিমালায়। নিয়ম ভাঙলে শাস্তির বিধানও রয়েছে সেখানে। ভোটের মাঠে সমআচরণ ও সমান সুযোগ-সুবিধার মাধ্যমে ‘লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড’ তৈরি করতে হবে। জুডিশিয়াল মাইন্ড ও আইন-কানুন ব্যবহার করতে হবে। আইনকে সমুন্নত রেখে কাজ করেন তাহলে সুষ্ঠু একটা নির্বাচন ঠিকই উপহার দিতে পারবে ইসি। কোন নির্বাচনে কেবল প্রার্থীর বিজয়েই গণতন্ত্রের বিজয় হয় না, ভোটের সার্থকতা আসে না। আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে কেউ জিতবেন, কেউ হারবেন।

 যারাই জিতুক, শান্তিপূর্ণ ও অবিতর্কিত নির্বাচনের দৃষ্টান্ত স্থাপিত না হলে দলের জয় গণতন্ত্রের জয় বলে প্রতিষ্ঠিত হবে না। আমরা প্রত্যাশা করি কোন জাতীয় রাজনীতির চাপে এই নির্বাচনের বৈশিষ্ট্যকে যেন প্রভাবিত করা না হয়। তাই সুষ্ঠু পরিবেশে ভোট দিতে পারা এবং স্বচ্ছভাবে ভোট গণনা ও ফলাফল প্রকাশ নিশ্চিত করতে হবে। জয়-পরাজয় যাঁরই হোক, সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠানে কোনোভাবেই নির্বাচন কমিশন ও সরকারকে পরাজিত হলে চলবে না। নির্বাচন সুষ্ঠু না হলে কি হবে? আবার সংঘাত, সংঘর্ষ। আমরা দেখেছি ৫ বছরে শেষ বছরটা ভালোয় ভালোয় কাটে না। মারামারি, খুনোখুনি আর নানা হাঙ্গামায় উত্তপ্ত থাকে দেশ। এবার এমনটা হয়নি। আসলে হয়েও হয়নি। ঐক্যফ্রন্টের সাথে প্রধানমন্ত্রীর সংলাপ-সংঘাত থেকে বাঁচিয়েছে দেশকে। নির্বাচনকে সামনে রেখে, ভয় সব সময়ই থাকে। বিগত নির্বাচনগুলো একতরফা হলেও এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচন মনে হচ্ছে তা হবে না। নির্বাচন সুষ্ঠু অবাধ হলে কোন সংশয় নেই। না হলেই যত বিপদ। রাজনৈতিক যুদ্ধ আবারও হতে পারে। তবে এটাই বলতে চাই, কিছু বিচ্ছিন্ন ঘটনা ছাড়া এ সরকারে সময়টা খুব একটা খারাপ যায়নি। দেশে বিদেশি বিনিয়োগ শুরু হয়েছে, দেশের দৃশ্যমান উন্নয়ন পরিলক্ষিত হয়েছে। গণতন্ত্রেও ঘাটতি থাকলেও, হরতাল অবরোধ না থাকায় জনমনে স্বস্তি ছিলো। ব্যবসায়ীরা ব্যবসা করতে পেরেছে, শিল্প কারখানায় উৎপাদন হয়েছে। ভয় এখানেই; এ ধারা ঠিক থাকবেতো? সামনের দিনগুলো ভালো যাবে, মনে হচ্ছে না। আবার জ্বালাও পোড়াও, ভাংচুর, হরতাল অবরোধ এসব হবে নাতো?  সাধারণ মানুষের মধ্যেও নির্বাচনকে ঘিরে বেশ উদ্দীপনা দেখা যাচ্ছে। তবে তারা দেশে নির্বাচনকে ঘিরে আর কোন অশান্ত পরিবেশ চায় না।

 নির্বাচন যদি সুষ্ঠু না হয় তাহলে আবারও শুরু হবে নানা ঘটন-অঘটন। আন্দোলনের ইস্যু তৈরি হবে, বাড়বে আশান্তি। অর্থনীতি ধ্বংস হবে। সম্পদ নষ্ট হবে। কোনো কোনো ক্ষেত্রে মানুষের ক্ষয় হবে। দেশে বেকারত্ব বাড়বে, অনেক শিল্প-কারখানা বন্ধ হবে, ব্যবসা-বাণিজ্যে অচলাবস্থা দেখা দেবে। দেশের অর্থনীতি পঙ্গু হবে। সাধারণ মানুষের জীবন-জীবিকা অনিশ্চিত হবে। এমনটা আমরা কেউই আর চাই না। তবে এটাও সত্য, বিরোধী দলের রাজনীতি করার পরিবেশ দিতে হবে বর্তমান সরকারকে। দেশের স্বার্থে তাদেরও ছাড় দিতে হবে। ক’বছর আগে রাজনৈতিক আন্দোলনের নামে আমরা প্রতিদিন যা দেখেছি সে কথা এখনো ভুলে যাইনি। প্রতিনিয়ত চোখের সামনেই এসব ধ্বংসযজ্ঞ দেখেছি। কিছুই করতে পারিনি। এসব রোধে আইন যে নেই তাও নয়, আছে নাগরিকের নিরাপত্তাবিধান ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা করা রাষ্ট্রের দ্বিতীয় অপরিহার্য কাজ। বাংলাদেশের সংবিধানের তৃতীয় ভাগে ২৬-৪৭ক অনুচ্ছেদ পর্যন্ত নাগরিকের অধিকারগুলো বর্ণিত আছে। সেখানে কাউকেই নির্বিচারে মানুষ হত্যার বৈধতা দেওয়া হয়নি। এ হত্যার দায় যেমন বিরোধী দলের ছিল, রাষ্ট্রের অভিভাবক হিসেবে সরকারও এ দায় কিছুতেই এড়াতে পারে না। যখন হরতাল-অবরোধের নামে জীবন্ত মানুষ পুড়ে ঝলসে যায়, যখন তাদের উপার্জনের একমাত্র সম্বল কেড়ে নেওয়া হয়; অসহায় স্বজনের আহাজারিতে আকাশ-বাতাস প্রকম্পিত হয়, যখন কষ্টার্জিত লাখ লাখ টাকার সম্পদ চোখের সামনে পুড়ে ছাই হয়- তখন রাষ্ট্রের দায়িত্ব পালনও  প্রশ্নের মুখে পড়ে। অবাধ এবং সুষ্ঠু নির্বাচন না হলে সংঘাত আরো হবে।

আবারও অশান্তির দাবানলের ভয়; পেট্রল বোমায় মানুষ পুড়ে মরার ভয়; পুলিশের গুলিতে জীবন যাওয়ার ভয়; শিক্ষার্থীদের শিক্ষাজীবন নষ্টের ভয়; মামলা হামলার ভয়; জীবন-জীবিকা অনিশ্চিত হওয়ার ভয়; সম্পদ নষ্টের ভয়; সর্বোপরি ব্যবসা-বাণিজ্য ধ্বংসের ভয় আমাদের বেশ পেয়ে বসেছে। তবে সবকিছু বাদ দিয়ে বলা যায়, অল্প-বিস্তর বিচ্ছিন্ন ঘটনা ছাড়া এ সরকারের সময়টা খুব একটা খারাপ যায়নি। দেশে বিদেশি বিনিয়োগ শুরু হয়েছে, দেশের দৃশ্যমান উন্নয়ন পরিলক্ষিত হয়েছে। হরতাল অবরোধ না থাকায় জনমনে স্বস্তি ছিল। ব্যবসায়ীরা ব্যবসা করতে পেরেছে, শিল্প-কারখানায় উৎপাদন হয়েছে। মনের মধ্যে শঙ্কা তৈরি হচ্ছে, এ ধারা অব্যাহত থাকবে তো! আমরা চাই উৎসবমুখর পরিবেশে নির্বাচন হোক। নির্বাচন সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য হতে হবে। জনপ্রত্যাশা  ইসি সততা ও সাহসিকতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করবে। বাংলাদেশের জন্ম হয়েছিল গণতন্ত্র ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার জন্য। গণতন্ত্রের মূলভিত্তি নির্বাচন। একাদশ জাতীয় নির্বাচন যেন সুষ্ঠু হয় এই প্রত্যাশা সবার। জনগণ চায় ঝামেলা মুক্ত রক্তপাতবিহীন নির্বাচন। তারা অবাধ এবং নিরপেক্ষ নির্বাচনও প্রত্যাশা করে। বেসরকারি দলের জ্বালাময়ী বক্তব্য যেমন জনগণ আশা করে না, তেমনই তারা সরকার দলের কাছে সমতা বজায় রেখে সঠিক নির্বাচনের প্রত্যাশা করে। এ অবস্থায় কি করবে নির্বাচন কমিশন? আমরা জানি, নির্বাচন অনুষ্ঠানের দায়িত্ব সাংবিধানিকভাবে নির্বাচন কমিশনের উপরই ন্যস্ত। প্রধান নির্বাচন কমিশনার সকল নির্বাচন সুষ্ঠু এবং নিরপেক্ষ করার জন্য ওয়াদা করেছেন। তিনি তাঁর ওয়াদা রক্ষা করবেন এটাই আমরা কায়মনে চাই।
লেখক: সাংবাদিক, কলামিষ্ট ও সম্পাদক
নিউজ-বাংলাদেশ ডটকম,
[email protected]  
০১৭১৩৩৩৪৬৪৮