শিক্ষিত বেকারদের কর্মসংস্থান হোক

শিক্ষিত বেকারদের কর্মসংস্থান হোক

মোহাম্মদ নজাবত আলী : পৃথিবীতে যত প্রাণীকূল রয়েছে তার মধ্যে মানুষ সর্বশ্রেষ্ঠ বিবেকবান অনুভূতিশীল। তাই মানুষের বিবেক বোধকে জাগ্রত করা মনোবিকাশের পথ উন্মুক্ত করে শিক্ষা। শিক্ষায় মানুষকে সত্যিকার অর্থে মানুষ হতে শেখায়। শিক্ষার মাধ্যমে মানুষ নিজেকে চিনতে পারে বুঝতে পারে। সর্বোপরী শিক্ষায় মানুষকে মহৎ করে উন্নত করে এবং কর্ম ও সৃজনশীলতায় নিজেকে তৈরি করে আত্ম কর্মসংস্থানের পথে এগিয়ে নিয়ে যায়।পৃথিবীর উন্নত রাষ্ট্রগুলোতে যে ধরনের শিক্ষা ব্যবস্থা চালু রয়েছে তাতে শিক্ষা প্রকৃত পক্ষে একজন মানুষকে মানবিক করার পাশাপাশি আত্মকর্মসংস্থানের পথ তৈরি করে। শিক্ষিত জনগোষ্ঠি তাদের মেধা ও যোগ্যতা অনুসারে বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি চাকুরীতে নিয়োজিত থেকে দেশ জাতির সেবা করার সুযোগ পায়। তাই সেসব রাষ্ট্রগুলোতে যুগের চাহিদা অনুযায়ী এক ধরনের পরীক্ষিত শিক্ষা ব্যবস্থা চালু থাকার ফলে বেকারত্ব কম। আমাদের দেশে স্বাধীনতার ৪৮বছরে শিক্ষা ক্ষেত্রে যথেষ্ট অগ্রগতি হয়েছে দেশে উচ্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা বেড়ে চলেছে কিন্তু অপ্রিয় হলেও সত্য যে, গবেষণা ধর্মী উচ্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান আমাদের দেশে নেই বললেই চলে। তবে প্রাচ্যের অক্সফোর্ড নামে পরিচিত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এ বিষয়ে কিছুটা হলেও এগিয়ে। যাহোক স্কুল, কলেজ মাদ্রাসা বিশ্ববিদ্যালয়গুলো থেকে প্রতিবছর যে হারে শিক্ষার্থীরা বের হয়ে আসছে সে হারে কর্মসংস্থান হচ্ছে না। ফলে আমাদের দেশে বেকার সমস্যার কার্যকর কোনো সমাধানও হচ্ছে না আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থা না পারছে একজন শিক্ষার্থীকে মানবিক করে তুলতে না পারছে বেকারত্বের অবসান ঘটাতে। প্রতিবছর হাজার হাজার বেকারের জন্ম দিচ্ছে বেকারদের বোবা কান্না তাদের দুঃখ-কষ্ট আমাদের মতো অনেক অভিভাবকদের অবশ্যই ব্যথিত করে। অনেক ঢাক-ঢোল পিটিয়ে যে শিক্ষা ব্যবস্থা প্রবর্তন করা হলো এর সুফল কতটা ভোগ করতে ক’জনই বা পারছে। যদিও বা শিক্ষার প্রকৃত অর্থ চাকুরী নয় কিন্তু তৃতীয় বিশ্বের দরিদ্র ও উন্নয়নশীল রাষ্ট্রে শিক্ষার অর্থ আত্ম কর্মসংস্থানের সাথে সম্পর্কযুক্ত। নীতি নৈতিকতা প্রকৃত শিক্ষার অর্থ এই নয় যে, বেকারত্ব থাকা। বেকার জীবন মানেই অভিশপ্ত জীবন তবুও শ্রম বাজার ও চাকুরী বাজারে যে প্রচুর অর্থের প্রয়োজন পড়ে যা সব পরিবারের পক্ষে তা সম্ভব নয়।
একটা দেশের আর্থ সামাজিক অবস্থা, মানুষের জীবন যাত্রার মানের ওপর নির্ভর করে শিক্ষা ব্যবস্থা প্রণয়ন করা হয়। বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়ার একটি দারিদ্র পীড়িত দেশ। তবে দারিদ্রের হার অনেক কমলেও কাঙ্খিত পর্যায়ে এখনো পৌঁছেনি। আগেই উল্লেখ করা হয়েছে দেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বাড়ছে, বাড়ছে পাশের হার প্রায় শতভাগ বিশেষ করে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক পর্যায়ে বলা যেতে পারে আমাদের শিক্ষা ক্ষেত্রে অর্জন একেবারে কম নয় বরং চোখে পড়ার মতো। শিক্ষা ক্ষেত্রে এ অর্জন বলতে বোঝাতে চাচ্ছি পাবলিক পরীক্ষায় পাশের হার। নারী শিক্ষার প্রসার ঘটেছে, নারীর ক্ষমতায়ন হয়েছে, মানুষের গড় আয়ু বেড়েছে, জীবন যাত্রার মান ও উন্নয়ন ঘটেছে। নিম্ন মধ্যম আয়ের দেশ থেকে মধ্যম আয়ের পথে এক কথায় বলা যেতে পারে দেশ ক্রমান্বয়ে উন্নতির দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। কিন্তু একটি রাষ্ট্রের মূল কারিগর হচ্ছে দক্ষ মানব সম্পদ। জনসংখ্যা একটি দেশের উন্নয়নের প্রধান প্রতিবন্ধক নয়, যদি বিপুল সংখ্যক জনগোষ্ঠিকে মানসম্মত শিক্ষার মাধ্যমে দক্ষ মানব সম্পদে পরিণত করা যায়। কেন না শিক্ষা ছাড়া কোনো দেশ টেকসই উন্নয়নের পথে যেতে পারে না। আর শিক্ষা ছাড়া কখনই দক্ষ জনগোষ্ঠি তৈরি হতে পারে না। এ জন্য উন্নত রাষ্ট্রগুলো কোন ধরনের শিক্ষা ব্যবস্থা, পরীক্ষা পদ্ধতি সে রাষ্ট্রকে উন্নতির চরম শিখরে পৌঁছিতে বেকারত্বের অবসান ঘটিয়ে আত্ম কর্মসংস্থান ও আত্ম নির্ভরশীলতা অর্জনে কার্যকর ভূমিকা নিতে পারে সে ধরনের শিক্ষা ব্যবস্থা ও পরীক্ষা পদ্ধতি চালু রয়েছে। এ ক্ষেত্রে কারিগরি কর্মমূখী শিক্ষাকে অধিক গুরুত্ব দেয়া হয়। একটি গণমুখি উন্নত মানসম্পন্ন শিক্ষা ব্যবস্থা বেকারত্বের অবসান ঘটিয়ে দেশকে দ্রুত টেকসই উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির পথে নিয়ে যায়। উপরোন্ত আমাদের দেশে বিভিন্ন ধরনের শিক্ষা ব্যবস্থার মধ্যে কোনো সমন্বয় নেই। তাই প্রকৃতপক্ষে জনকল্যাণমুখী বেকারত্ব দূরীকরণ প্রকৃত মানসম্পন্ন শিক্ষা ব্যবস্থা এখন সময়ের দাবি।
স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়ে যে সকল শিক্ষার্থী পড়াশুনা করছে তাদের অধিকাংশ অভিভাবকই চান তাদের সন্তানরা শিক্ষাজীবন অর্থাৎ প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা শেষে অবশ্যই একটি ভালো সরকারি চাকুরী পাবে এবং বাকি জীবন সুখে শান্তিতে কাটাবে। এ ধরনের প্রত্যাশা অভিভাবকের রয়েছে। কিন্তু বর্তমান শিক্ষা ব্যবস্থা না পারছে বেকারত্বের অবসান ঘটাতে না পারছে মানবিক করে তুলতে। অথচ পৃথিবীর উন্নত রাষ্ট্রগুলোর দিকে তাকালে দেখা যাবে তরুণরাই রাষ্ট্রকে উন্নত সমৃদ্ধির দিকে নিয়ে যাচ্ছে বিভিন্ন পেশায় নিয়োজিত থেকে। আমাদের দেশটাও তারুণ্য নির্ভর। কিন্তু বেকারত্ব দূরীকরণে যুব তরুণ সমাজকে কাজে লাগিয়ে ইতিমধ্যে চীন, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে ঈর্ষণীয় সাফল্য অর্জন করেছে। বাংলাদেশের সামনে বড় চ্যালেঞ্জ বেকারত্ব। বাংলাদেশে মোট জনসংখ্যার এক বিরাট অংশ বেকার। শিক্ষিত, অর্ধ শিক্ষিত বেকার যুবকদের অভিভাবকদের আয়ের ওপর চলতে হয়। প্রতিবছর আমাদের শিক্ষিত বেকারের সংখ্যা বাড়ছে। বর্তমানে বাংলাদেশে শিক্ষিত বেকারের সংখ্যা ২ কোটি। তবে অতিসম্প্রতি বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) জরীপে ২৬ লাখ বেকারের সংখ্যা উল্লেখ করেছেন যা অনেকের কাছে গ্রহণযোগ্য নয়। যা হোক দেশে উচ্চ শিক্ষিত বেকার সংখ্যা ক্রমান্বয়ে বাড়ছে ও তা সমাজে নানা অস্থিরতার সৃষ্টি করছে। প্রাথমিক থেকে শুরু করে উচ্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা বেড়েছে। উচ্চ শিক্ষা নিতে আসা শিক্ষার্থীদের লক্ষ্য থাকে জীবন জীবিকা নির্বাহ করার মতো একটি সরকারি চাকুরী। কিন্তু সরকারি বেসরকারি মিলিয়ে উচ্চ শিক্ষা গ্রহণ করে শিক্ষার্থীদের একটি বড় অংশ প্রতি বছর বেকার থেকে যাচ্ছে। তাদের সরকারি চাকুরীর বয়স ও শেষ হয়। কিন্তু তাদের কর্মসংস্থান হয় না। কলেজ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে উচ্চতর ডিগ্রী নেয়া শিক্ষিত জনগোষ্ঠির বড় স্বপ্ন, প্রধান আকর্ষণ, সরকারি চাকুরী। তবে এর বাহিরে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানেও কর্মসংস্থানের সুযোগ রয়েছে। সরকার বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে অধিকতর স্বচ্ছতা ও মেধাবীদের নিয়োগ দেয়ার লক্ষ্যে যে, শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার ব্যবস্থা গ্রহণ করেন। দেশের হাজার হাজার শিক্ষিত বেকাররা নিবন্ধন পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়। এর মধ্যে আবার ১২তম নিবন্ধন পরীক্ষায় সরকার মেধা তালিকা প্রকাশ করেন। এ ধারায় নিয়োগ দেয়া হয় শূন্যপদের বিপরীতে অনেক কম। কিন্তু যারা এখনও নিয়োগপ্রাপ্ত হননি অথচ মেধা তালিকায় স্থান পেয়েছে অথবা নিবন্ধন পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছে তাদের কি হবে ? আবার ২০১৮ সালের জনবল কাঠামো মতে নিবন্ধন পরীক্ষায় উত্তীর্ণদের পঁয়ত্রিশ বছর বয়স হলে তারা বেসরকারী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষকতা করতে পারবেনা। আবার শোনা যাচ্ছে এনটিআরসিএ আর নিয়োগ দিতে পারবেনা। পিএসসির আদলে বেসরকারি পর্যায়ে একটি শিক্ষক নিয়োগ কমিটি বা বেসরকারি পিএসসি গঠন করা হচ্ছে। বার বার নিয়োগ কর্তৃপক্ষ বদল, বিলম্বে নিয়োগ এ বিষয়গুলো চাকরী প্রত্যাশিদের হতাশ করছে। তারা অন্ধকার দেখছে। কবে নিয়োগ হবে। কথায় আছে অলস মস্তিষ্কে শয়তানের বাস। বর্তমান শিক্ষা ব্যবস্থায় যে বিপুল সংখ্যক শিক্ষার্থী কলেজ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ডিগ্রী নিচ্ছে উপযুক্ত কর্মসংস্থানের অভাবে তাদের একটি বড় অংশ বেকার থেকে যাচ্ছে। কোনো শিক্ষিত ব্যক্তি বেকার থাকতে চায় না। শিক্ষিত তরুণদের বড় আকর্ষণ একটি ভালো সরকারি চাকুরী। কিন্তু সরকারি-বেসরকারি কোনো প্রতিষ্ঠানই তাদের সে স্বপ্ন পূরণ করতে পারছে না। ফলে তাদের মধ্যে এক ধরনের হতাশা লক্ষ করা যায় । দেশে প্রায় ২কোটি শিক্ষিত বেকার। বেকারত্বের এ পরিসংখ্যান কতটা ভয়াবহতা সহজে অনুমেয়। এ পরিস্থিতি থেকে উত্তরণ ঘটাতে হবে। শিক্ষিত তরুণদের জন্য উপযুক্ত কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা গ্রহণ করা খুব কঠিন কাজ নয়।
দেশে শিল্পের প্রসার ঘটানো ছাড়া কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে না। বর্তমান সরকারের বিভিন্ন দপ্তরে ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শূন্যপদগুলোতে যোগ্যতা অনুযায়ী নিয়োগ দিলে সমান সংখ্যক শিক্ষিত বেকারের কর্মসংস্থান হবে। তবে সবচেয়ে বড় কথা সরকারের সুনির্দিষ্ট নীতিমালা। শূন্যপদ পূরণে কোনো সুনির্দিষ্ট নীতিমালা আছে বলে মনে হয় না। সরকারি চাকুরী পদ শূন্য হয়ে আছে বছরের পর বছর। সরকারি পদ শূন্য হওয়ার সাথে উক্ত পদে যোগ্যতা অনুযায়ী শিক্ষিত বেকারদের নিয়োগ দিয়ে বেকারের সংখ্যা হ্রাস পাবে। প্রতিবছর যেভাবে শিক্ষিত বেকারের সংখ্যা বাড়ছে সেভাবে নিয়োগ দেয়া কিন্তু হচ্ছে না। অথচ সরকারের বিভিন্ন দপ্তরে ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শূন্য পদ রয়েছে। এ শূন্যপদগুলো দ্রুত পূরণ করতে না পারলে বেকারের সংখ্যা আরও ভয়াবহভাবে বেড়ে যাবে এবং সামাজিক, রাজনৈতিক অস্থিরতা বাড়বে বলে অভিজ্ঞ মহল মনে করেন।
বাঁকী ৩০শতাংশ মেধা তালিকা থেকে। তাছাড়া বিসিএসএ মেধাবীর চেয়ে ১০শতাংশের বেশি নিয়োগ দেয়া হয় কোঠা থেকে। সরকারি চাকুরীর ক্ষেত্রে কোটা পদ্ধতি বাতিল করে প্রকৃত মেধাবীদের মূল্যায়নের দাবীতে বাংলাদেশে বেশ কয়েকবার আন্দোলনও হয়েছে। প্রকৃত পক্ষে যুগের পর যুগ ধরে চলে আসা মেধার বিকাশ মেধাবী জনগোষ্ঠির সৃষ্টি বেকারত্বের অবসানে বড় অন্তরায়। বিগত ২০১৮ সালে কোটা ব্যবস্থা বাতিলের দাবীতে ঢাকা সহ সারা দেশে আন্দোলন করে চাকরি প্রত্যাশিরা। শেষ পর্যন্ত মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জাতীয় সংসদে কোটা বাতিল বলে ঘোষণা দেন। বর্তমান সরকারি চাকরীতে নিয়োগের ক্ষেত্রে কোনো কোটা পদ্ধতি বিদ্যমান নেই। অতি সম্প্রতি জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় এতদসংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করেন। বর্তমান বাংলাদেশের বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বিপুল সংখ্যক শূন্য পদ রয়েছে। কেন যে, নিয়োগ দেয়া হচ্ছেনা? তা আমাদের বোধগম্য নয়। যে দেশের শিক্ষা ব্যবস্থায় পরীক্ষায় অংশগ্রহণ (জেএসসি, এসএসসি) করলেই পাস, শতভাগ পাস, দেশের শিক্ষাব্যবস্থার কর্মসংস্থানের কিন্তু শতভাগ সুযোগ নেই। ফলে শিক্ষিত বেকারদের সংখ্যা শুধু বেড়েই যাচ্ছে সে দেশে শিক্ষিত তরুণদের বেকার সৃষ্টির কারখানা। এমন শিক্ষা ব্যবস্থার প্রয়োজন আছে কিনা তা ভাববার সময় এসেছে।  
বর্তমান শিক্ষা ব্যবস্থায় পাশের হার প্রায় শতভাগ হলেও আত্ম কর্মসংস্থান ও বেকারত্ব দূরীকরণের কোনো সুস্পষ্ট দিক নির্দেশনা নেই। কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সুভা গল্পে বাক প্রতিবন্ধী সুভাকে তার মা গর্ভের কলঙ্ক বলেছেন। বেকাররা কী শিক্ষার কলঙ্ক ! কথাটাকি একটু বাড়িয়ে বলা হলো ? কিন্তু বেকারদের যে কত কষ্ট, দুঃখ যন্ত্রণা তা ভুক্তভোগীরাই জানে। তাদের নিঃশব্দ কান্না থামাতে হবে। তাদের কান্না থামাতে না পারলে সামাজিক অস্থিরতা আরও বেড়ে যাবে।  তারা হবে বিপথগামী। তাই সরকারি-বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সহ সরকারের ভিন্ন দপ্তরে শূন্য পদে দ্রুত নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে পারলে অনেকাংশে বেকারত্ব দূর করা সম্ভব।
 লেখক ঃ শিক্ষক ও কলামিস্ট
০১৭১৯-৫৩৬২৩১