শাক সবজি রফতানিতে সুবাতাস

শাক সবজি রফতানিতে সুবাতাস

শাক সবজি ও ফলমূল রফতানিতে সুবাতাস বইতে শুরু করেছে। চলতি অর্থ বছরের প্রথম প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) গত অর্থ বছরের একই সময়ের চেয়ে সবজি রফতানি বেড়েছে দ্বিগুণের বেশি। আর ফল রফতানি বেড়েছে পাঁচগুণ। পণ্য পরিবহণে সংকট কমে যাওয়া এবং কমপ্লায়েন্সের উন্নতি হওয়ায় এ খাতে রফতানি বাড়ছে বলেও জানান ব্যবসায়ীরা। বাংলাদেশ রফতানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) তথ্য অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরে প্রথম প্রান্তিকে শাক সবজি রফতানি হয়েছে ৭ কোটি ৫ লাখ ডলারের। এ সময় রফতানি লক্ষ্যমাত্রা ছিল প্রায় ৩ কোটি ১০ লাখ ডলার। গত অর্থ বছরের প্রথম প্রান্তিকে রফতানি আয় ছিল ২ কোটি সাড়ে ১২ লাখ ডলার। এ হিসাবে লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে প্রায় ১২৮ শতাংশ এবং গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ২৩২ শতাংশ রফতানি বেড়েছে। কয়েক বছর উড়োজাহাজে পণ্য পরিবহণের ক্ষেত্রে জায়গার সুযোগ কম পাওয়া যেত। ফলে রফতানি কমে যায়। এখন এই পচনশীল পণ্য পরিবহণের সুযোগ বেড়েছে। এ কারণে সাম্প্রতিক সময়ে রফতানি বেড়েছে।

রফতানিকারকরা বলছেন, বিশ্ববাজারে শাক সবজির প্রচুর চাহিদা রয়েছে। ২০১৩-১৪ অর্থ বছরে রফতানি বেশ ভালো ছিল। এরপর থেকে অন্তহীন সংকট দেখা দেয়। এখন এই খাতের নানা বাধা কাটতে শুরু করেছে। এ মৌসুমে আম ও কাঁঠাল অনেক বেশি রফতানি হয়েছে। এ কারণে ফল রফতানি বেড়েছে। সরকার রাজধানীর শ্যামপুরে হিমায়িত ব্যবস্থায় মান পরীক্ষার ব্যবস্থা করেছে। এতে শাক সবজি ও ফলমূলের মান নিশ্চিত হচ্ছে। এখন কৃষকের কাছ থেকে সরাসরি শ্যামপুরে এসে প্যাকেট হচ্ছে। এখন বাজার থেকে কিনে রফতানি বন্ধ হয়েছে। এ কারণে কমপ্লায়েন্স ইস্যু বন্ধ থাকা বাজার খুলছে। নতুন করে সিঙ্গাপুর, থাইল্যান্ড ও লেবাননে রফতানি হচ্ছে। ইপিবির তথ্য মতে, চলতি অর্থ বছরের প্রথম প্রান্তিকে ফল রফতানি হয়েছে ২ লাখ ৪০ হাজার ডলারের। গত অর্থ বছরে একই সময়ে মাত্র ৪০ হাজার ডলারের রফতানি হওয়ায় এবার আলোচ্য সময়ে রফতানি লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয় ৮০ হাজার ডলার। ফল রফতানি লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়েছে ২০০ শতাংশ এবং গত অর্থ বছরের একই সময়ের চেয়ে বেড়েছে ৫০০ শতাংশ।