লাজুকের নির্দেশনায় ভালোবাসা দিবসের নাটকে তানভীর-এভ্রিল

লাজুকের নির্দেশনায় ভালোবাসা দিবসের নাটকে তানভীর-এভ্রিল

অভি মঈনুদ্দীন : রাশেদা আক্তার লাজুক, একাধারে একজন অভিনেত্রী, নাট্যকার ও নাট্যনিদের্শক। বাংলাদেশে তিনিই সেই নারী নাট্যরচয়িতা যিনি পাঁচ শতাধিক পর্বেরও বেশি ধারাবাহিক নাটক রচনা করেছেন। তার অভিনীত, রচিত এবং নির্মিত নাটক সবসময়ই দর্শক প্রশংসিত হয়েছে। আবারো দু’বছর পর লাজুক নতুন একটি রোমান্টিক গল্পের নাটক নিয়ে দর্শকের মাঝে উপস্থিত হচ্ছেন। আসছে ভালোবাসা দিবসে বাংলাভিশনে প্রচারের জন্য ভিশন নিবেদিত ‘তুমি ছাড়া ইম্পসিবল’ নাটকটি নির্মাণ করেছেন রাশেদা আক্তার লাজুক। ১৪ ফেব্রুয়ারি রাত ১১.২৫ মিনিটে নাটকটি বাংলাভিশনে প্রচার হবে। নাটকটি প্রসঙ্গে লাজুক বলেন,‘ মূলত বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া দু’জন তরুণ তরণী’র মধ্যকার গল্প নিয়েই এই নাটকের মূল কাহিনী। বলা যায় এটি একটি রোমান্টিক গল্পের নাটক। আমি দু’বছর পর কোন নাটক নির্মাণ করেছি। বেশ আন্তরিকতা, ভালোলাগা এবং যতœ নিয়ে কাজটি করেছি। তানভীর এবং এভ্রিল দু’জনই দু’জনের চরিত্রে দারুণ অভিনয় করেছেন। তাই আমি কাজটি নিয়ে খুব আশাবাদী।’ নাটকে আরশ চরিত্রে অভিনয় করেছেন ‘গহীন বালুচর’খ্যাত অভিনেতা তানভীর এবং সারাহ চরিত্রে অভিনয় করেছেন এভ্রিল।

 নাটকটিতে অভিনয় প্রসঙ্গে তানভীর বলেন,‘ এটা আমার অভিনীত প্রথম নাটক। লাজুক ভাবী বেশ যতœ নিয়ে একটি পারিবারিক পরিবেশের মধ্যদিয়ে কাজটি করেছেন। আমি এবং এভ্রিল একসঙ্গে এবারই প্রথম কাজ করেছি। আমরা দু’জনই অভিনয়ের সময়টা বেশ উপভোগ করেছি। সবমিলিয়ে কাজটি নিয়ে আমি খুব আশাবাদী।’ এভ্রিল বলেন,‘ একজন সন্তানকে মা যদি খুউব বেশি আদও যতœ করেন, বাইরের পরিবেশের সাথে মিশতে না দেন তাহলে সেই সন্তান কী সমস্যায় পড়তে পাওে তা এই নাটকে বলা হয়েছে। লাজুক ভাবীর নির্দেশনায়য় প্রথম কাজ করেছি। তিনি মায়ের ভালোবাসা দিয়ে আমাদের আগলে রেখে াভিনয় করিয়েছেন। আমরা বেশ উপভোগ করেছি শুটিং-এর সময়টা।’ লাজুক প্রখ্যাত চলচ্চিত্রকার আমজাদ হোসেনের সন্তান সাজ্জাদ হোসেন দোদুলের স্ত্রী। তার হাত ধরেই নির্মাতা হিসেবে মিডিয়াতে লাজুকের অভিষেক। সর্বশেষ লাজুক দুই বছর আগে ‘রাইফেল মাঝি’ নাটকটি নির্মাণ করেছিলেন। তার নির্মিত প্রথম নাটক ছিলো ২০০৬ সালে বিটিভিতে প্রচারিত ‘খড়ের পুতুল’। উল্লেখ্য লাজুক নির্দেশিত ‘তুমি ছাড়া ইম্পসিবল’ নাটকটিতে আরো অভিনয় করেছেন শহীদুজ্জামান সেলিম, সাবেরী আলম। ছবি ঃ মোহসীন আহমেদ কাওছার।