লন্ডনে যেত সেলিমের অনলাইন ক্যাসিনোর টাকা

লন্ডনে যেত সেলিমের অনলাইন ক্যাসিনোর টাকা

সেলিম প্রধানের অনলাইন ক্যাসিনো থেকে আয়ের অবৈধ টাকা তিনটি ব্যাংকের অ্যাকাউন্টে জমা করা হত। এরপর সেসব টাকা হুন্ডি বা সঙ্গে করে বিদেশে পাচার করে আসছিলেন তিনি। এমনকি সেসব টাকা লন্ডনেও পাচারের তথ্য পেয়েছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)।

মঙ্গলবার (১ অক্টোবর) বাংলাদেশে অনলাইনে অবৈধ ক্যাসিনো ব্যবসার মূলহোতা সেলিম প্রধানের বাসা ও অফিসে অভিযান শেষে এসব কথা জানান র‌্যাব-১ এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল সারওয়ার বিন কাশেম।

তিনি বলেন, অনলাইনে ক্যাসিনো খেলতে হলে গ্রাহকের নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকার প্রয়োজন হয়। সেসব টাকা তিনটি গেটওয়েতে জমা হত। খেলায় জিতলে টাকা গ্রাহকের অ্যাকাউন্টে ফেরত যেত, অন্যথায় টাকাগুলো গেটওয়েতে থেকে যেত।

সেলিম প্রধানের সহকারী মো. আক্তারুজ্জামান প্রতি সপ্তাহে সেসব গেটওয়ের টাকা তুলে সেলন, যমুনা ও কমার্শিয়াল তিনটি ব্যাংক অ্যাকাউন্টে জমা করতেন। এরপর সেসব টাকা হুন্ডির মাধ্যমে বা ব্যক্তির সঙ্গে করে বিদেশে চলে যেত।

সারওয়ার বিন কাশেম বলেন, সেলিম প্রধানের সঙ্গে গিয়াসউদ্দিন আল মামুনের সখ্যতা ছিল। তাকে বিএমডাব্লিউ গাড়িও গিফট করেছিলেন সেলিম। এছাড়া আমরা জানতে পেরেছি, বিভিন্নভাবে লন্ডনেও টাকা পাঠিয়েছেন তিনি।

কি পরিমাণ টাকা লন্ডনে পাচার হয়েছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, একটা গেটওয়ে থেকে প্রতি মাসে ৯ কোটি টাকা লেনদেনের তথ্য পেয়েছি। এমন আরও কিছু গেটওয়ে রয়েছে, সেগুলো আমরা যাচাই করে দেখছি।

তারেক রহমানের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার বিষয়ে শোনা গেছে, লন্ডনে পাচারকৃত টাকা তারেক রহমানের কাছে যেত কিনা জানতে চাইলে সারওয়ার বিন কাশেম বলেন, বিষয়টি আমরা তদন্ত করে দেখবো।