রোহিঙ্গাদের নাগরিক মর্যাদায় ফিরিয়ে নাও

রোহিঙ্গাদের নাগরিক মর্যাদায় ফিরিয়ে নাও

আতাউর রহমান মিটন:পবিত্র কোরবানি ঈদ শেষে আবার ব্যস্ত নাগরিক জীবন! কোটি মনের শত কোটি সুপ্ত বাসনা পূরণের তাড়নায় দিবানিশি ছুটে চলা এই জীবনের এক চিলতে পরিপূর্ণ বিশ্রাম যে ঠিক কোথায় তা কেউ জানে না। সবাই ছুটছে আর ছুটছে! কিন্তু যাচ্ছে কোথায়? সেখানে আছে কী? সেখানে মাটি কি মমতা মাখানো? ধান কি এমনি বৈকুন্ঠবিলাস? সোনার মত ধান আর রূপোর মতো চাল? বাতাস কি এমনি হিজলফুলের গন্ধভরা, বুনো-বুনো মৃদু মৃদু? মানুষ কি সেখানে কম নিষ্ঠুর, কম ফন্দিবাজ, কম সুবিধাখোর?দের দুৃদিন আগে টেকনাফ ও উখিয়ার মধ্যবর্তি রোহিঙ্গা শিবিরগুলোতে সারাদিন কাটিয়ে, নিষ্পাপ মুখগুলোর করুণ চাহনি দেখে আর প্লাষ্টিক ও বেড়া দিয়ে বানানো ছোট্ট ঘরের প্রচন্ড গরমে সেদ্ধ হওয়া মানুষগুলোর সাথে কথা বলে বারবার করে কবি অচিন্ত্য কুমার সেনগুপ্ত-এর লেখা ‘উদ্বাস্তু’ কবিতার কথা মনে পড়েছে। রোহিঙ্গারা নিজেদের ঘর-বাড়ি ছেড়ে পালিয়ে এসে আজ এখানে কোনরকমে দিনাতিপাত করছে। অথচ মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে ফেলে আসা ঘরে তাদের সব আছে। কেউ কেউ বলছে, ‘আমাদের অনেক আছে, অঢেল আছে’। সব ফেলে আজ এই মানুষগুলো এখানে অসহায়, উদ্বাস্তু।

গত ২৫ আগস্ট কক্সবাজারের ৩০টি রোহিঙ্গা শিবিরে একযোগে বিক্ষোভ হয়েছে। মিয়ানমারের সামরিক জান্তার নিধনযজ্ঞের শিকার হয়ে ঢলের মতো বাংলাদেশে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গারা দিনটিকে পালন করেছে ‘গণহত্যা দিবস’ হিসেবে। দলে দলে বাংলাদেশে আসার এইদিন তাদের কাছে মোটেও আনন্দের নয়, উৎসবের নয়। তবু ওরা বাংলাদেশের মানুষ ও সরকারের কাছে গভীরভাবে কৃতজ্ঞ। প্রাণ বাঁচাতে সবকিছু ফেলে আসা এই অসহায় মানুষগুলো বাংলাদেশে এসে কষ্টে দিনাতিপাত করছে কিন্তু প্রাণে তো বেঁচে আছে। যদিও শিবিরের কেউ কেউ আমাকে প্রশ্ন করেছে, এটাকে কি বেঁচে থাকা বলে? আমি কোন সদুত্তর দিতে পারিনি।

রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোতে আগের চেয়ে পরিস্থিতি অনেক ভাল। বিভিন্ন দাতা সংস্থা ও এনজিওগুলোর নিরলস কর্ম তৎপরতায় সেখানে পরিস্থিতি মোকাবেলায় নানাবিধ উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। বসানো হয়েছে টয়লেট, খাবারের বন্দোবস্ত করা হয়েছে, অনেক জায়গাতে অনানুষ্ঠানিক শিক্ষা কার্যক্রমও চলছে। স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রগুলোতে উপচে পড়া ভিড়। বিশেষ করে মা ও শিশুরা সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা পাচ্ছে। কিন্তু সুপেয় পানির সেখানে বড্ড অভাব, আর প্রচন্ড গরম! গাদাগাদি করে ক্যাম্পের ছোট্ট সীমানার মধ্যে এভাবে বেঁচে থাকার নাম ‘জীবন’ নয়। তাই তো ওরা ঘরে ফেরার জন্য ব্যাকুল! ওরা এই উদ্বাস্তু জীবন চায় না। ওরা ফিরতে চায় পূর্ণ নাগরিক মর্যাদায়, নিরাপদ জীবন পাবার নিশ্চয়তায়। অন্যথায় এভাবে উদ্বাস্তু হয়েই শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করে ওরা মহান ¯্রষ্টার কাছে ফেরত যেতে চায়। ওরা গণহত্যার বিচার চায়।
গত বছর আগষ্টের কয়েকদিনে বন্যার ঢলের মত উখিয়া-টেকনাফ ও বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ির বিভিন্ন সীমান্ত অতিক্রম করে বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে প্রায় ৭ লক্ষাধিক রোহিঙ্গা নারী, পুরুষ ও শিশু। প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী, অন্ততঃ প্রায় ২৩ হাজার রোহিঙ্গাকে মিয়ানমারের সামরিক বাহিনী হত্যা করেছে। পুড়িয়ে দেয়া হয়েছে অসংখ্য বাড়িঘর।

 প্রাণ ভয়ে নিজেদের ভিটেমাটি, গরু-ছাগল, গাছপালা আর ভালাবাসার স্মৃতিময় চিহ্নগুলো ফেলে শেষ পর্যন্ত রোহিঙ্গারা উদ্বাস্তু হয়ে আশ্রয় নিয়েছে বাংলাদেশে। এর আগেও আমাদের দেশে রোহিঙ্গারা পালিয়ে এসেছে। সব মিলিয়ে উখিয়া-টেকনাফের ৩০ শিবিরে প্রায় ১১ লাখ ২০ হাজারের কাছাকাছি রোহিঙ্গা বর্তমানে বসবাস করছে।
রোহিঙ্গাদের নিয়ে আন্তর্জাতিক রাজনীতি সক্রিয় রয়েছে। একদলের দাবি রোহিঙ্গাদের জন্য নিরাপদ পরিবেশ, নাগরিকত্ব ও মিয়ানমার রাষ্ট্রের সকল সুযোগ-সুবিধা পাবার নিশ্চয়তা, আবার এর সাথে কেউ কেউ জুড়ে দিয়েছে মিয়ানমারের সামরিক জান্তার বিচার। কেউ কেউ এই রোহিঙ্গাদের বাংলাদেশের বিভিন্ন উপকূলীয় চরে স্থায়ীভাবে পুনর্বাসনের কথাও বলছেন। তবে রোহিঙ্গারা দেশে ফেরত যাওয়ার, নিরাপত্তার দাবি জানাচ্ছে। সে কারণে তাঁরা ২৫শে আগষ্টকে গণহত্যা দিবস হিসেবে পালন করেছে।  রোহিঙ্গাদের দেশে ফেরত পাঠাতে হবে এটা যেমন জরুরি। তেমনি এটাও জরুরি যে, তাদের যেন সেখানে পূর্ণ নিরাপত্তা নিশ্চিত হয়। ফুটন্ত কড়াই থেকে জলন্ত উনুনে নিপতিত হওয়ার কোন মানে হয় না। রোহিঙ্গাদের যেন বারবার শরণার্থী হতে না হয় সেটা নিশ্চিত করাটা সকল মহলের জন্যই খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটা বিষয়।
রোহিঙ্গা শিবিরগুলোতে নানাধরনের সমস্যা বিরাজমান। সেখানে কাজ করছে অনেক দাতা সংস্থাও। শুরুতে বিশৃঙ্খলা থাকলেও বর্তমানে প্রায় সকল রোহিঙ্গাদের পরিচয়পত্র হওয়ায় ত্রাণ ব্যবস্থাপনায় শৃঙ্খলা ফিরে এসেছে। কিন্তু ত্রাণ তো কোন সমাধান নয়। ওরা তো নিজের জমিতে, নিজের ঘরে থাকতে চায়।

 এভাবে উদ্বাস্তু হয়ে অপরের দয়া-দাক্ষিণ্যে ওদের বাঁচতে হচ্ছে কেন? রোহিঙ্গা শিবিরে মা-বাবা হারানো প্রায় ছয় হাজার শিশু কার আশ্রয়ে বেড়ে উঠবে? ওদের দায়িত্ব নেবে কে? বাংলাদেশ সরকার তো ঐ ছিন্নমূল, অনাথ শিশুদের এতিমখানায় রেখে সুরক্ষা দিতে পারবে না। সেখানে আইনী জটিলতা রয়েছে। তাহলে? রোহিঙ্গা শিবিরগুলোতে কোন শারীরিক বা পাশবিক নির্যাতনের ঘটনা ঘটলে দেশের প্রচলিত আইনে তাদের সুরক্ষা দেয়া সম্ভব নয়। বিশেষ করে নারী নির্যাতনের ক্ষেত্রে এমন একটি আশঙ্কার কথা অনেকের মুখেই আমি শুনেছি। সরকার অবশ্য বিষয়টি নিয়ে তৎপর। সেখানে নিরাপত্তার দায়িত্বে নিয়োজিতরা আইনী সীমাবদ্ধতা বিবেচনায় রেখেই আশ্রিতদের জানমালের নিরাপত্তা দেয়ার জন্য সর্বোতভাবে সচেষ্ট রয়েছে। আলোচনাকালে শিবিরের মানুষগুলো বাংলাদেশের জনগণ এবং সরকারের প্রতি বারবার কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছে। আমার কাছেও মনে হয়েছে সরকার সাধ্যমত চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। স্থানীয় মানুষেরাও তাদের সহযোগিতা দিয়ে যাচ্ছে। বিচ্ছিন্ন কিছু ঘটনা থাকতেই পারে, সেটা আমাদের মূল বিবেচ্য নয়। রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নেয়া না পর্যন্ত ওরা বাংলাদেশেই থাকবে এটা ধরে নেয়া যায়। এভাবে কতদিন থাকবে কে জানে। কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে এখন ওরা যে পরিবেশে, যেভাবে থাকছে সেভাবে কি দিনের পর দিন বাস করা সম্ভব? ওরাও তো মানুষ। ওদেরও আছে মৌলিক মানবাধিকার।

 শিবিরগুলোতে আশ্রয় নেয়া প্রায় ১০ লাখ মানুষের মুখে হয়তো প্রাণ বাঁচানোর মত খাবার ত্রাণ হিসেবে তুলে দেয়া সম্ভব হচ্ছে কিন্তু ওদের জন্য মান সম্মত বাসস্থান, লেখাপড়ার ব্যবস্থা, স্বাস্থ্য সুরক্ষা, মন খুলে মুক্তভাবে বেড়ানোর মত পরিবেশ কি আমরা দিতে পারছি? নিজেদের দেশে ওরা যে স্বাধীনতা নিয়ে বাস করতো তা এখানে পাবে কোথায়? কথিত আছে এখানে নারী নির্যাতনের ঘটনা, বিশেষ করে যৌন নির্যাতনের ঘটনা হরহামেশাই ঘটে যা কোন পক্ষ থেকেই প্রকাশ করা হয় না। রোহিঙ্গা শিবিরগুলোতে আশ্রয় নেয়া মানুষগুলোর ধর্ম পরিচয় মুসলমান (অবশ্য সামান্য কিছু হিন্দু পরিবারও সেখানে রয়েছে), তাই তাদের মধ্যে কিছু গোড়ামী বা কুসংস্কারও বিদ্যমান। বিশেষ করে বাল্য বিবাহ এবং বহু বিবাহ এবং জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি গ্রহণ না করার প্রবণতা এই জনগোষ্ঠীর মধ্যে ব্যাপকভাবে দেখা যায়। শরণার্থী শিবিরে আসার আগে থেকেই ওরা এই সংস্কৃতিতে অভ্যস্ত।

রোহিঙ্গা শিবিরগুলোতে আশ্রিতদের আরও উন্নত সেবা দেয়া সম্ভব। কিন্তু তার জন্য অনেক অর্থের প্রয়োজন। স্থানীয়ভাবে কর্মরত এনজিও কর্মিদের সাথে কথা বলে যেটা বুঝলাম তা হচ্ছে, এখানে সমবেদনা জানাতে আসা দেশি-বিদেশি মানুষগুলোর তুলনায় সহায়তার পরিমাণ অপ্রতুল। সবাই আসে ছবি তোলে, কথা শোনে নানা ধরনের আশ্বাসের বাণী শোনায় কিন্তু বাস্তবে সহযোগিতা আসে সামান্যই। আবার অনেকে বলেন, সরকারের অতিমাত্রায় নিয়ন্ত্রণ আরোপের ফলে এনজিও বা দাতা সংস্থাগুলো স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারছে না। রোহিঙ্গা শিবিরগুলোতে কাজ করতে হলে সরকারের পূর্বানুমতি গ্রহণ করা প্রয়োজন এবং সেটা সব সময় সহজ নয়। আমলাতন্ত্রিক জটিলতায় ত্রাণের গতি তাই  শ্লথ হয়ে আসে।

অনেকেই মনে করেন, বাংলাদেশে আশ্রিত রোহিঙ্গাদের স্বদেশে ফিরে যাওয়া অনেক সময়ের ব্যাপার। মিয়ানমারের সরকার সহজেই এদের ফিরিয়ে নেবে না। সম্প্রতি তারা যে ভাষায় কথা বলছে তা এক ধরনের নেতিবাচক ধারণাই দেয়। যেমন মিয়ানমার সরকার বলছে, “রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে দেয়ার দায়িত্ব বাংলাদেশের। আমরা কেবল তাদের সীমান্তে গ্রহণ করতে পারি মাত্র।” বাংলাদেশ শুরু থেকেই কূটনৈতিকভাবে সমস্যাটি সমাধানে গুরুত্ব দিয়ে আসছে। নিজেদের অর্থনীতি ও পরিবেশের উপর গভীর চাপ সৃষ্টি হবে, তা ছাড়া আঞ্চলিক রাজনীতিতেও উস্কানি দেখা দেয়ার আশংকা সত্বেও ক্ষমতাসীন সরকার রোহিঙ্গাদের শুধু আশ্রয়ই দান করেনি বরং তাদের অবস্থান নিরাপদ ও নির্বিঘœ করার জন্য আন্তর্জাতিক মহলের কাছে দাবি জানিয়ে আসছে। রোহিঙ্গারা বাংলাদেশের যে ছয় হাজার একর জমিতে গাদাগদি করে আশ্রয় নিয়েছে তার মূল্য প্রায় ৭৪১ কোটি টাকা। টাকার অংকে এটা হয়তো খুব বড় নয়, কিন্তু এতগুলো মানুষ অল্প জায়গায় থাকতে গিয়ে পরিবেশ ও প্রতিবেশ এর উপর যে চাপ সৃষ্টি করেছে তা যেমন অমানবিক, তেমনি ঝুঁকিপূর্ণ।

বাংলাদেশ কেন এই ঝুঁকি নেবে? মানবতার বাইরে এখানে আর আমাদের কিইবা লাভ আছে? বিশ্ব সম্প্রদায়কে এই কথাটা বুঝতে হবে যে বাংলাদেশ আন্তরিক তাই বলে সেই আন্তরিকতার সুযোগে সে কাউকে সিঁদ কেটে গৃহে প্রবেশের সুযোগ দেবে না। নতুন করে সৃষ্ট হওয়া রোহিঙ্গা সঙ্কটের এক বছর পূর্ণ হলো। রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দেওয়ায় আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে বাংলাদেশের জনগণ তাঁদের আন্তরিকতার জন্য প্রশংসিত হয়েছে। সেই আনন্দে আমিও গর্বিত। কিন্তু যে দৃশ্য রোহিঙ্গা শিবিরগুলোতে আমি স্বচক্ষে দেখলাম, সেখানে মানুষের সাথে কথা বলে যে হৃদয় ভাঙা গল্পগুলো শুনলাম তাতে সবার আগে মনে ঘৃণার উদ্রেক হয়, পাশাপাশি বুকে জ্বলে প্রতিহিংসার আগুন। বিচারের দাবীতে রোহিঙ্গাদের সাথে আমরাও উচ্চকিত হই। দৃঢ়তার সাথে আওয়াজ তুলি, ‘গণহত্যার বিচার চাই’।

রোহিঙ্গাদের পূর্ণ নাগরিক মর্যাদা দিয়ে ফিরিয়ে নিতে হবে। এই দাবি থেকে বাংলাদেশ নড়বে না। তাই বলে আমরা অমানবিকভাবেও তাদের ‘পুশব্যাক’ করতে চাই না। আমাদের কাছে মনুষ্যত্ব বড়। সবার উপরে মানুষ সত্য, এই কথাটা বাংলাদেশের জনগণ আন্তর্জাতিক মহলকে সুস্পষ্টভাবে বুঝিয়ে দিতে চায়। অনেক ধনী দেশ, অনেক বড় বড় দেশ নিজেদের দেশে হাজার মাইল পরিত্যক্ত জমি থাকা সত্বেও তারা বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের শরণার্থীদের জন্য সীমান্ত বন্ধ করে রেখেছে। ওরা আমাদের প্রশংসা করে বটে কিন্তু নিজেদের ঘরের দরজা খোলে না। এই ভন্ডামী আমাদের পীড়িত করে। আর সে কারণেই আমরা আমাদের ছোট্ট ভূমিতে অসহায়দের জন্য একটু মাথা গোঁজার জায়গা দিতে কার্পণ্য করি নাই। বাংলাদেশের মানুষ টাকা-পয়সার বিবেচনায় দরিদ্র হতে পারে কিন্তু মানবিক বিচারে তাঁরা ঐশ্বর্যময়! আমাদের গ্রামের গরিব বাড়িগুলোতে মেহমান গেলে এখনও তারা নিজেদের খাবারটুকু দিয়ে হলেও অতিথিদের সম্মান করে। আমাদের এই গৌরবময় সংস্কৃতির ধারা টিকে থাকুক পরম্পরায়! তবে দাবি একটাই, ‘রোহিঙ্গাদের নাগরিক মর্যাদায় ফিরিয়ে নিতে হবে’।

লেখক: সংগঠক-প্রাবন্ধিক
[email protected]
০১৭১১-৫২৬৯৭৯