রোহিঙ্গা সমাবেশের পেছনে পাকিস্তানের আল খিদমাত ফাউন্ডেশনের হাত

রোহিঙ্গা সমাবেশের পেছনে পাকিস্তানের আল খিদমাত ফাউন্ডেশনের হাত

সম্প্রতি কক্সবাজারের উখিয়া-টেকনাফের রোহিঙ্গা ক্যাম্পে গণহত্যা দিবস পালন করেছে রোহিঙ্গারা। প্রশাসনিক অনুমতি না পেলেও রোববার সকালে উখিয়ার মধুরছড়া এক্সটেনশন-৪ ক্যাম্পের খোলা মাঠে সমাবেশের মাধ্যমে এই দিবস পালন করা হয়। উখিয়া ছাড়াও টেকনাফের উনচিপ্রাংয়েও র‌্যালি ও শোকসভা করে রোহিঙ্গারা।

রোহিঙ্গাদের ওই সমাবেশের পেছনে পাকিস্তানভিত্তিক আল খিদমাত ফাউন্ডেশনের হাত রয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। 
গত বুধবার ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইউনাইটেড নিউজ অব ইন্ডিয়া এক প্রতিবেদনে ওই সমাবেশের পেছনে আল খিদমাত ফাউন্ডেশনকেই দায়ী করা হয়েছে।


ওই প্রতিবেদন বলা হয়েছে, রোহিঙ্গাদের এই সমাবেশের পেছনে আল খিদমাত ফাউন্ডেশনই মূল পরিকল্পনাকারী হিসেবে কাজ করেছে। আর সমাবেশ আয়োজনের জন্য যে অর্থ প্রয়োজন ছিল তার যোগানও তারাই দিয়েছে। এই সংস্থার বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক জঙ্গি সংগঠন আল-কায়েদাকে অর্থ সহায়তা দেয়ারও অভিযোগ রয়েছে।
 
২০১৭ সালের ২৫ আগস্ট রাত থেকে রাখাইনে ভয়াবহ সহিংস ঘটনার দ্বিতীয় বছর পূরণ উপলক্ষে রোহিঙ্গারা এই দিবস পালন করেছেন। এতে প্রায় অর্ধলাখ রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠী উপস্থিত ছিলেন।

সমাবেশে বক্তব্য রাখেন, আরাকান রোহিঙ্গা সোসাইটি ফর পিস অ্যান্ড হিউম্যান রাইটস’র চেয়ারম্যান মুহিব উল্লাহ, মাস্টার আবদুর রহিম, মৌলভী ছৈয়দ উল্লাহ ও রোহিঙ্গা নারী নেত্রী হামিদা বেগমসহ অনেকেই।

রোহিঙ্গা নেতা মুহিবুল্লাহ জানিয়েছেন, নাগরিকত্ব, নিরাপত্তা এবং বসতভিটা ফেরতসহ রোহিঙ্গাদের ৫ প্রধান দাবি মেনে নিতে হবে। অন্যথায় রোহিঙ্গারা মিয়ানমারে ফিরে যাবে না।

২০১৭ সালের ২৫ আগস্ট ভয়াবহ হত্যাযজ্ঞের ঘটনা ঘটে মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে। এরপর থেকেই বাংলাদেশে পালিয়ে আসতে শুরু করে রোহিঙ্গারা। বর্তমানে বাংলাদেশে আশ্রিত রোহিঙ্গার সংখ্যা প্রায় সোয়া ১১ লাখ। এসব রোহিঙ্গা উখিয়া-টেকনাফের ৩৩টি ক্যাম্পে অবস্থান করছে।