রোহিঙ্গা ফেরাতে বিদেশি চাপ

রোহিঙ্গা ফেরাতে বিদেশি চাপ

রোহিঙ্গা সংকট মোকাবেলায় যুক্তরাষ্ট্র সব সময়ই বাংলাদেশের পাশে থাকবে বলে আবারও আশ্বাস দিয়েছেন দেশটির নব নিযুক্ত পররাষ্ট্র মন্ত্রী মাইক পম্পেও। বৃহস্পতিবার দেশটির আইন প্রণেতাদের তিনি একথা জানান। শুক্রবার যুক্তরাষ্ট্রের সিনেটর জেফ মার্কলি এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন বলে জানিয়েছেন সংবাদ মাধ্যম। এ ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভ ২০১৯ সালের জন্য দেশটির জাতীয় প্রতিরক্ষা অনুমোদন আইন (এনডিএ) পাস হয়েছে। যাতে রাখাইনে রোহিঙ্গাদের ওপর জাতিগত নিধনযজ্ঞে অংশ নেওয়া মিয়ানমারের শীর্ষ সেনা কর্মকর্তাদের নিষেধাজ্ঞার বিষয়টিও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। আমরা লক্ষ্য করছি বাংলাদেশে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের স্বদেশে ফেরত নেওয়ার ব্যাপারে মিয়ানমারের গড়িমসি। নিপীড়নের মুখে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের কিভাবে মিয়ানমারে ফেরত পাঠানো হবে, তা চূড়ান্ত করে একটি চুক্তিতে সই করেছে বাংলাদেশ ও মিয়ানমার।

বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া ১০ লাখ ৬০ হাজার রোহিঙ্গাকে পর্যায়ক্রমে ফেরত নেওয়া হবে। কিন্তু মিয়ানমারের পক্ষ থেকে এ ব্যাপারে কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে না। বাংলাদেশকে এখন কূটনৈতিকভাবে আরো কৌশলী হতে হবে। প্রত্যাবাসনের ব্যাপারে আন্তর্জাতিক চাপ অব্যাহত রাখতে হবে। রোহিঙ্গাদের ফিরে যাওয়ার ব্যাপারে আগ্রহী করে তুলতে হবে। নাগরিকত্ব সহ রোহিঙ্গা মুসলমানদের রাখাইনে সকল প্রকার মৌলিক অধিকার সহ প্রত্যাবাসনে মিয়ানমারকে রাজি করাতে হবে। কারণ রোহিঙ্গারা মিয়ানমারেরই নাগরিক। রোহিঙ্গাদের ফেরত নিতে সময় ক্ষেপণের যে অপকৌশল মিয়ানমার বেছে নিয়েছে তা রোধে জাতিসংঘসহ বিশ্ব সমাজকে এগিয়ে আসতে হবে।