রোনালদোসহ নেই আটজন, হেরে গেলো জুভেন্টাস

রোনালদোসহ নেই আটজন, হেরে গেলো জুভেন্টাস

টানা অষ্টম সিরি-এ শিরোপা জয় নিশ্চিত হওয়ার সুবর্ণ সুযোগ ছিল এই ম্যাচে। প্রতিপক্ষ রেলিগেশনের শঙ্কায় থাকা এসপিএএল। সামনেই আবার চ্যাম্পিয়ন্স লিগে আয়াক্সের বিপক্ষে কঠিন ম্যাচ। সব কিছু বিচার-বিবেচনায় এনে জুভেন্টাস কোচ ম্যাসিমিলিয়ানো অ্যালেগ্রি বিশ্রাম দিলেন সেরা একাদশের ৮জন ফুটবলারকে।

কিন্তু ফলটা তিনি হাতেনাতেই পেয়ে গেলেন। পুঁচকে এসপিএএলের কাছে শেষ পর্যন্ত হেরে যেতে হয়েছে ২-১ গোলের ব্যবধানে। এই পরাজয়ের ফলে শিরোপা নিশ্চিত করার জন্য আরও অপেক্ষায় থাকতে হবে জুভদের।


শিরোপা নিশ্চিত করার জন্য জুভেন্টাসের প্রয়োজন ছিল কেবল ১ পয়েন্ট। সে কারণেই কোচ অ্যালেগ্রি এই ম্যাচে বসিয়ে রাখলেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো, ফেডেরিকো বার্নার্ডেশি, মারিও মানজুকিচ, অ্যালেক্স সান্দ্রো, মিরালেম পিজানিক, ব্লাইজ মাতুইদি, লিওনার্দো বোনুচ্চি এবং জিওর্জিও কিয়েল্লিনিকে।

সেরা একাদশের এতগুলো ফুটবলার বসিয়ে রাখার পাওলো দিবালা, আন্দ্রে বারজাগলি, হুয়ান কুয়ার্দাদোর মতো ফুটবলাররা। কিন্তু এসপিএএলের মাঠে গিয়ে ঠিক নিজেদের ধরে রাখতে পারলেন না জুভেন্টাসের পরিবর্তিত ফুটবলাররা।

যদিও ম্যাচের ২৯ মিনিটেই মইজে কিয়ানের গোলে প্রথমে এগিয়ে গিয়েছিল জুভেন্টাসই। কিন্তু দ্বিতীয়ার্ধে গিয়েই খেই হারিয়ে ফেলে অ্যালেগ্রির দল। ৪৯ এবং ৭৪ মিনিটে দুটি গোল হজম করে পরাজয় বরণ করে জুভরা। ৪৯ মিনিটে কেভিন বোনিফাজি এবং ৭৪ মিনিটে গোল করেন সার্জিও ফ্লোকারি।

এই জয়ে কিন্তু এক লাফে ১৮ থেকে ১৩তম স্থানে উঠে গেলো এসপিএএল। ৩২ ম্যাচে তাদের পয়েন্ট ৩৫। পরাজয়ের পর জুভেন্টাস কোচ অ্যালেগ্রি বলেন, ‘আমাদের দলটা ছিল পুরোপুরি তারুণ্য নির্ভর। প্রচুর তরুণ খেলোয়াড় ছিল। সবচেয়ে বড় কথা এসপিএএল ভালো খেলেছে। তবে, আমরা যে দ্বিতীয় গোলটা হজম করেছি, তা অনভিজ্ঞতার ফলেই খেতে হয়েছে।’