রুনা লায়লা’র সঙ্গে মঞ্চে গাইলেন, নাচলেন আকরাম খান ও হাবিবুল বাশার সুমন

রুনা লায়লা’র সঙ্গে মঞ্চে গাইলেন, নাচলেন আকরাম খান ও হাবিবুল বাশার সুমন

অভি মঈনুদ্দীন ঃ বাংলাদেশে সফররত আইসিসি’র চেয়ারম্যান শশাঙ্ক মনোহর’কে গেলো বৃহস্পতিবার রাতে রাজধানীর লা-মেরিডিয়ান হোটেলে এক সংবর্ধনা দেয় বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড। এর আগে দুইবার বাংলাদেশে এসেছিলেন শশাঙ্ক মনোহর।  ২০১০ সালে যখন বাংলাদেশে বিশ্বকাপ আয়োজনের কথা চলছিল তখন। এরপর ২০১১ সালে বিশ্বকাপের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান দেখতে। তখন তিনি ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের প্রধানের দায়িত্বে ছিলেন। বৃহস্পতিবার রাতে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের শেষপ্রান্তে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। যেখানে সঙ্গীত পরিবেশন করেন উপমহাদেশের প্রখ্যাত সঙ্গীতশিল্পী ও বাংলাদেশের গর্ব রুনা লায়লা। রাত সাড়ে আটটায় মঞ্চে উঠেন রুনা লায়লা। শুরুতেই তিনি দেশাত্ববোধক গান ‘প্রতিদিন তোমায় দেখি সূর্য’র আগে’ গানটি পরিবেশন করেন। এরপর তিনি একে একে গেয়ে যান ‘বন্ধু তিনদিন তোর বাড়িত গেলাম দেখা পাইলাম না’,‘ রাঞ্জিস হি সাহি’, ‘দে দে পেয়ার দে’।

 যখন তিনি গেয়ে উঠেন ‘সাধের লাই বানাইলো মোরে  বৈরাগী’ গানটি তখন মঞ্চে উঠে আসেন ক্রিকেটার আকরাম খান ও হাবিবুল বাশার সুমন। রুনা লায়লার সঙ্গে তারা দু’জনও মঞ্চে গানের তালে তালে নেচে উঠেন। আবার আকরাম খান রুনা লায়লার সঙ্গে কন্ঠও মেলান। এই গান গাওয়া শেষে পুরো হলজুড়ে ভর্তি দর্শক শ্রোতা হাততালি দিয়ে রুনা লায়লা, আকরাম খান ও হাবিবুল বাশার সুমনকে অভিনন্দন জানান, উৎসাহিত করেন। এরপর আবারো রুনা লায়লা গেয়ে উঠেন ‘যে’জন প্রেমের ভাব জানেনা’ গানটি। এই গানে তারসঙ্গে গাওয়ার জন্য রুনা লায়লা মঞ্চে ডেকে নেন ল-ন থেকে আগত কন্ঠশিল্পী রুবাইয়াতকে। রুনা লায়লার সঙ্গে একই মঞ্চে গান গাইতে পারাটা ছিলো রুবাইয়াতের জীবনের এক অনন্য অধ্যায়।

 গান গাওয়া শেষে মঞ্চ থেকে নেমে খুুশিতে রুবাইয়াতের চোখে পানি চলে আসে। আবারো রুনা লায়লা গেয়ে উঠেন ‘ও মেরা বাবুজি’,‘ও লাল মেরী’ গানগুলো। একের পর এক রুনা লায়লার গানশুনে উপস্থিত শ্রোতা দর্শকেরা আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন। রুনা লায়লা বলেন, সবমিলিয়ে বেশ চমৎকার আয়োজন ছিলো। গান গাওয়ার সঙ্গে যখন শ্রোতা দর্শকের কাছ থেকেও ভালো সাড়া পাওয়া যায় তখন গাইতেও বেশ ভালোলাগে। ধন্যবাদ বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড’কে চমৎকার এই আয়োজনের জন্য। সত্যিই এক অন্যরকম সন্ধ্যা কাটালাম।’ রুনা লায়লার সঙ্গে সেদিন যন্ত্রশিল্পী হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তবলায় সাদেক আলী, গীটারে সিলম হায়দার, কী বোর্ডে ফোয়াদ নাসের বাবু, বেজ গীটারে তানিম, কী বোর্ডে রূপতনু ও পেড এ মনির। ছবি ঃ আলিফ হোসেন রিফাত।