রাঙামাটিতে শক্তিমান চাকমা হত্যার আসামি ‘বন্দুকযুদ্ধ’ নিহত

রাঙামাটিতে শক্তিমান চাকমা হত্যার আসামি ‘বন্দুকযুদ্ধ’ নিহত

রাঙামাটি প্রতিনিধি : রাঙামাটির নানিয়ারচর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান শক্তিমান চাকমা হত্যা মামলার আসামি সুমন চাকমা সেনাসদস্যদের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত হয়েছেন বলে পুলিশ জানিয়েছে। তবে ইউপিডিএফ দাবি করেছে, তাদের সাবেক এই কর্মীকে ‘বিনা উস্কানিতে গুলি করে হত্যা’ করা হয়েছে। রাঙামাটির অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ছুফিউল্লাহ বলেন, শুক্রবার সকাল ১০টার দিকে বাঘাইছড়ি উপজেলার সীমানাছড়া এলাকায় উজোবাজারে দুই দল সশস্ত্র সন্ত্রাসীর বন্দুকযুদ্ধের খবর পেয়ে সেনাবাহিনীর একটি টহলদল সেখানে যায়। ‘সন্ত্রাসীরা সেনাবাহিনীর গাড়ি লক্ষ করে গুলি করে।

 একটি গুলিতে গাড়ির কাচ এবং আরেকটি গুলিতে গাড়ির বডি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। সেনাসদস্যরা পাল্টা গুলি ছুড়লে সন্ত্রাসীরা পালিয়ে যায়। পরে সেখান থেকে সুমন চাকমা ওরফে কসাই সুমন নামে এক সন্ত্রাসীর মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়।’ এর আগে গত ১৮ অগাস্ট রাঙামাটির আরেক উপজেলা রাজস্থলীর গাইন্দ্যা ইউনিয়নের পোয়াইথুপাড়া এলাকায় গুলিতে টহলরত এক সেনাসদস্য নিহত এবং দুইজন আহত হন।

এ বিষয়ে খাগড়াছড়ি ইউপিডিএফের জেলা সংগঠক অংগ্য মারমা বলেন, ‘নিহত সুমন আমাদের সাবেক কর্মী। তাকে বিনা কারণে, বিনা উস্কানিতে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। সে যদি কোনো অপরাধ করে থাকে, তবে তার ন্যায় বিচার হবে, কিন্তু এইভাবে হত্যা করার কোনো অধিকার কারও নেই।’ সুমন ১৯৯৭ সালে পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তিচুক্তির বিরোধিতা করে গঠিত ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্রেটিক ফ্রন্টের (ইউপিডিএফ) সশস্ত্র গ্রুপের সদস্য বলে দলীয় নেতাকর্মীরা জানিয়েছেন। এছাড়া দুই বছর আগে হামলায় নিহত রাঙামাটির নানিয়ারচর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান শক্তিমান চাকমা হত্যা মামলার আসামি বলে পুলিশ জানিয়েছে।