রংপুর-৩ আসনে ভোট: কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ছুটি বাতিল

রংপুর-৩ আসনে ভোট: কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ছুটি বাতিল

আসন্ন রংপুর-৩ আসনের উপ-নির্বাচনের জন্য রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়সহ নির্বাচন অফিসের সব কর্মকর্তা-কর্মচারীর ছুটি বাতিল করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। একইসঙ্গে অফিস সময়ের পরেও কাজ করার জন্য নির্দেশনা দিয়েছে সংস্থাটি।

জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের শূন্য ঘোষিত রংপুর-৩ আসনটিতে আগামী ৫ অক্টোবর উপ-নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত। এজন্য ব্যবহার করা হবে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম)।

নির্বাচনে মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ সময় ৯ সেপ্টেম্বর, মনোনয়নপত্র বাছাই ১১ সেপ্টেম্বর। আর প্রার্থিতা প্রত্যাহার ১৬ সেপ্টেম্বর।

রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আগামী ১২ থেকে ১৪ সেপ্টেম্বর সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ে আপিল গ্রহণ করা হবে। আপলি নিষ্পত্তি করা হবে ১৫ সেপ্টেম্বর।

এ নির্বাচনে রিটার্নিং কর্মকর্তা হিসেবে রংপুর আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা এবং সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা হিসেবে রংপুরের সিনিয়র জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা, সদর উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তাকে নিয়োগ করা হয়েছে।

ইসির উপ-সচিব মো. আতিয়ার স্বাক্ষরিত ওই নির্দেশনায় বলা হয়েছে- যথাসময় ও যথাযথভাবে নির্বাচনের কাজ সম্পন্ন করার লক্ষ্যে রিটার্নিং অফিসার, সহকারী রিটার্নিং অফিসারের অফিস এবং নির্বাচন কমিশনের সব কর্মকর্তা ও কর্মচারীকে সাপ্তাহিক ও সরকারি ছুটির দিনে দায়িত্ব পালনের প্রয়োজন হবে। নির্ধারিত অফিস সময়ের পরেও গুরুত্বপূর্ণ কাজ করতে হবে।

সাবেক সামরিক শাসক এইচএম এরশাদ গত ১৪ জুলাই চিকৎসাধীন অবস্থায় রাজধানীর সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে মার যান। এ অবস্থায় সংসদ সচিবালয়ের সচিব (রুটিন দায়িত্ব) আ. ই. ম গোলাম কিবরিয়া মঙ্গলবার (১৬ জুলাই) আসনটি শূন্য হওয়ার গেজেট প্রকাশ করেন। এরপর গত ১ সেপ্টেম্বর (রোববার) আসনটিতে ভোটগ্রহণের জন্য তফসিল ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন।

রংপুর-৩ আসনটি সদর উপজেলা এবং ১ থেকে ৮ নম্বর ছাড়া রংপুর সিটি করপোরেশনের ৯ থেকে ৩৩ নম্বর ওয়ার্ড নিয়ে গঠিত। মোট ভোটার সংখ্যা ৪ লাখ ৪২ হাজার ৭২ জন। এদের মধ্যে পুরুষ ভোটার ২ লাখ ২১ হাজার ৩১০ জন ও নারী ভোটার ২ লাখ ২০ হাজার ৭৬২ জন।