যেভাবে আটক হন সম্রাট-আরমান

যেভাবে আটক হন সম্রাট-আরমান

দীর্ঘ সময় অভিযান ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের প্রভাবশালী সভাপতি ইসমাইল চৌধুরী সম্রাট ও সহসভাপতি আরমানকে আটক করতে সক্ষম হয় র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)। র‌্যাব ভোরে আটকের কথা জানালেও স্থানীয়রা বলছেন শনিবার রাতেই তারা যে বাড়ি থেকে আটক করেছে সে বাড়ি ঘিরে রাখতে দেখেছেন। 


স্থানীয় সূত্র জানায়, শনিবার (৫ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৭টায় চৌদ্দগ্রামের কালিকাপুর ইউনিয়নের কুঞ্জশ্রীপুর গ্রামে প্রায় ৭/৮টি গাড়ি প্রবেশ করে। এলাকার শামসু মিয়ার বাড়িটি ঘেরাও করে রাখে তারা। পরে যোগ হয় আরও ৫/৬টি গাড়ি। রাত প্রায় ১২টার দিকে যুবলীগ নেতা সম্রাট ও আরমানকে আটক করে নিয়ে যায় র‌্যাব-৭।   

এ বিষয়ে ইউপি চেয়ারম্যান গোলাম ফারুক  বলেন, শুনেছি সন্ধ্যা থেকে র‌্যাব ওই বাড়িটি ঘেরাও করে রাখে। রাত প্রায় ১২টার দিকে তাকে আটক করে নিয়ে যায়। 

এ বিষয়ে পদোন্নতিপ্রাপ্ত পুলিশ সুপার (কুমিল্লা দক্ষিণে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হিসেবে কর্মরত) আব্দুল্লাহ আল মামুন  জানান, এ বিষয়ে আমরা অবগত নই। চৌদ্দগ্রাম থানা পুলিশও কিছু জানে না। 

ক্যাসিনোকাণ্ডে সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে ভোরে কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম থেকে সম্রাট ও তার সহযোগী আরমানকে আটক করা হয়েছে বলে  জানান র‌্যাবের মিডিয়া উইংয়ের মুখপাত্র সারওয়ার-বিন-কাশেম।