যুবলীগ থেকে সম্রাট-আরমান বহিষ্কার

যুবলীগ থেকে সম্রাট-আরমান বহিষ্কার

ক্যাসিনো পরিচালনাসহ নানা ধরনের অপকর্মে জড়িত থাকার ঘটনায় আটকের পরপরই ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের সভাপতি ইসমাইল চৌধুরী ওরফে সম্রাট ও সহ-সভাপতি এনামুল হক আরমান আলীকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

রোববার (০৬ অক্টোবর) দুপুরে যুগলীগের সাধারণ সম্পাদক মো. হারুনুর রশিদ  বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

তিনি বলেন, র‌্যাবের হাতে আটকের পর যুবলীগের ঢাকা মহানগর দক্ষিণ শাখার সভাপতি ইসমাইল চৌধুরী সম্রাট ও সহ-সভাপতি এনামুল হক আরমান আলীকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

‘সংগঠনের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী, কেউ যদি ফৌজদারি অপরাধে আটক বা গ্রেফতার  হন, তাহলে তিনি বহিষ্কৃত হবেন। এই কারণেই তাদের ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগসহ তাদের সব ধরনের সদস্য পদ থেকে তাদের বহিষ্কার করা হয়েছে।’

পড়ুন>>সম্রাটের ‘ক্যাসিনো গুরু’ আরমান

এর আগে শনিবার গভীর রাতে কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম থানার আলকরা ইউনিয়নের কুঞ্জশ্রীপুর গ্রাম থেকে সম্রাট ও আরমানকে আটক করা হয়। পরে তাকে নিয়ে রাজধানীর কাকরাইলে তার কার্যালয়ে অভিযান চালায় র‌্যাব।

গত ১৮ সেপ্টেম্বর ঢাকার মতিঝিলের ক্লাবপাড়ায় র‌্যাবের অভিযানে অবৈধ ক্যাসিনো চলার বিষয়টি প্রকাশ্যে আসার পর থেকে আলোচনায় ছিলেন যুবলীগ নেতা সম্রাট।

সেদিন যুবলীগের ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সাংগঠনিক সম্পাদক খালেদ মাহমুদ ভূঁইয়া গ্রেপ্তার হওয়ার পর সদলবলে কাকরাইলে সংগঠনের কার্যালয়ে অবস্থান নিয়ে রাতভর সেখানে ছিলেন সম্রাট। কিন্তু এরপর নিরুদ্দেশ হন তিনি।

র‌্যাবরে অভিযানের সময় মুক্তিযোদ্ধা ক্রীড়া চক্রের ভেতরে সম্রাটের বিশাল ছবি দেখা যায়। ওই ক্লাবের ক্যাসিনো তিনিই চালাতেন এবং মতিঝিল ক্লাবপাড়ায় অন্য ক্যাসিনোগুলো থেকেও প্রতিদিন নির্দিষ্ট হারে চাঁদা তার কাছে যেত বলে গণমাধ্যমে খবর আসে।

সম্রাটের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত যুবলীগ নেতা আরমানও দীর্ঘদিন ধরে ক্যাসিনোর কারবারে জড়িত বলে অভিযোগ রয়েছে। সম্প্রতি তিনি ঢাকাই সিনেমাতেও টাকা খাটাচ্ছিলেন।

আরমানের প্রোডাকশন হাউস ‘দেশ বাংলা মাল্টিমিডিয়া’র ব্যানারে প্রথম সিনেমাটি মুক্তি পায় গত কোরবানির ঈদে। ‘মনের মতো মানুষ পাইলাম না’ নামের ওই সিনেমায় অভিনয় করেছেন শাকিব খান ও বুবলী।