যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ নিষেধাজ্ঞায় মিয়ানমারসহ ৬ দেশের নাগরিক

যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ নিষেধাজ্ঞায় মিয়ানমারসহ ৬ দেশের নাগরিক

যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ নিষেধাজ্ঞার তালিকায় মিয়ানমারসহ নতুন ছয়টি দেশকে যুক্ত করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।


শনিবার (১ ফেব্রুয়ারি) হোয়াইট হাউস কর্তৃপক্ষের এক বিবৃতির বরাত দিয়ে এ তথ্য জানায় আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম।

শুক্রবার (৩১ জানুয়ারি) এক নির্বাহী আদেশে স্বাক্ষরের মধ্য দিয়ে নতুন এ নিষেধাজ্ঞা জারি করেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। মিয়ানমার ছাড়া নিষেধাজ্ঞায় নতুনভাবে যুক্ত হওয়া অপর পাঁচ দেশ হলো কিরগিজস্তান, ইরিত্রিয়া, সুদান, নাইজেরিয়া ও তানজানিয়া।

এসব দেশের নাগরিকদের যেকোনো প্রকার অভিবাসী ভিসার সুযোগ বন্ধ করার বিষয়ে বিবৃতিতে জানানো হয়। তবে অভিবাসনের সুযোগ ছাড়া পর্যটন, ব্যবসা বা অন্য কারণে যুক্তরাষ্ট্রে ভ্রমণের ক্ষেত্রে এ নিষেধাজ্ঞা প্রয়োগ করা হবেনা বলে বিবৃতিতে জানানো হয়।

সন্ত্রাস ও অপরাধ সম্পর্কে সুনির্দিষ্ট তথ্য আদান প্রদানে ব্যর্থতায় এ দেশগুলোর নাগরিকদের যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞায় যুক্ত করা হয়েছে।

আগামী ২১ ফেব্রুয়ারি (শুক্রবার) থেকে নতুন এ নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করা হবে।

এদিকে নতুন এ নিষেধাজ্ঞার পরিপ্রেক্ষিতে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের মানবাধিকার কর্মীরা। তারা বলছেন, ট্রাম্পের নতুন এ আদেশ শেতাঙ্গবাদী কর্মসূচিরই প্রতিফলন।

যুক্তরাষ্ট্রের তৃণমূল সামাজিক আন্দোলন এমপাওয়ার চেইঞ্জের এক্সিকিউটিভ ডাইরেক্টর লিন্ডা সারসুর এক বিবৃতিতে বলেন, মুসলমান ও আফ্রিকানদের বিনিময়ে ট্রাম্প তার শেতাঙ্গবাদী কর্মসূচি পূরণ করছেন। আমরা এর পক্ষে দাঁড়াবো না। আমরা এক পরিবারের সবাই একত্রে থাকার অধিকারী।

এর আগে ২০১৭ সালের জানুয়ারিতে ক্ষমতায় আসার পরপরই সাতটি দেশের নাগরিকদের যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা জারি করেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। উত্তর কোরিয়া, ইরান, ইয়েমেন, সিরিয়া, লিবিয়া, সোমালিয়া ও ভেনিজুয়েলা, এ সাতটি দেশকে ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞার তালিকায় অর্ন্তভুক্ত করে দেওয়া ট্রাম্পের এ নির্বাহী আদেশ সেসময়ই বিপুলভাবে সমালোচিত হয়। এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন আদালতে এ আদেশকে চ্যালেঞ্জ করে মামলা করা হয়।