ময়নাতদন্ত সম্পন্ন

মাথায় আঘাতজনিত কারণে সাংবাদিক পলাশের মৃত্যু

মাথায় আঘাতজনিত কারণে সাংবাদিক পলাশের মৃত্যু

 মাথায় আঘাতজনিত কারণে লক্ষ্মীপুরের সাংবাদিক শাহ মনির পলাশের মৃত্যু হয়েছে। গতকার রোববার বিকালে ময়নাতদন্তকারী চিকিৎসক ঢাকা মেডিকেল কলেজের (ঢামেক) ফরেনসিক মেডিসিন বিভাগের প্রভাষক ডা. প্রদীপ বিশ্বাস এ তথ্য জানান। এর আগে তিনি পলাশের মরদেহের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন করেন।  তিনি বলেন, ‘মাথায় আঘাতজনিত কারণেই তার (সাংবাদিক পলাশ) মৃত্যু হয়েছে। ভারী কোনও বস্তু দিয়ে তাকে আঘাত করা হয়ে থাকতে পারে।’ পলাশের মৃত্যু সড়ক দুর্ঘটনায় কিনা- এমন প্রশ্নের জবাবে ওই চিকিৎসক বলেন, ‘না, সড়ক দুর্ঘটনা নয়’।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে শাহাবাগ থানার উপ-পরিদর্শক মশিউর রহমান লাশের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করেন। সেখানে তিনি উল্লেখ করেন, গত ১৪ ফেব্রুয়ারি জমি নিয়ে বিরোধের জেরে বাড়ির পেছনে সুপারি বাগানের কাছে প্রতিপক্ষের লোকজন তাকে কাঠের লাঠি দিয়ে মাথাসহ শরীরের বিভিন্ন জায়গায় জখম করে। পরে তাকে গুরুতর আহত অবস্থায় নোয়াখালী সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে থেকে ওইদিন রাত ৯টায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। পরদিন ১৫ ফেব্রুয়ারি সকাল সোয়া ৭টায় তিনি মারা যান। এদিকে পলাশকে ঢামেক হাসপাতালে ভর্তির সময় স্বজনরা জানিয়েছিলেন- সে সড়ক দুর্ঘটনায় আহত হয়েছেন। পরে তার মৃত্যু হলে ডেথ সার্টিফিকেটে সড়ক দুর্ঘটনার কথাই লেখা হয়। এদিকে এ ত্রুটি সংশোধন করতে গত তিন দিন লক্ষ্মীপুর-ঢাকা দৌঁড়ঝাপ করতে হয় নিহত সাংবাদিকের স্বজনদের। এ কারণে লাশের ময়নাতদন্তও করা যাচ্ছিল না। তথ্য জটিলতা মিটিয়ে  ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়। সাংবাদিক পলাশ লক্ষ্মীপুর জেলার সদর থানার নাছিমনগর ফকিরবাড়ি গ্রামের ছেলে। তার বাবা মনিরুল ইসলাম, মা মাকসুদা খাতুন। তিনি ছিলেন রূপবাণী পত্রিকার স্থানীয় প্রতিনিধি। এছাড়া, চ্যানেল টুয়েন্টিফোরের জেলা প্রতিনিধির সহকারী হিসেবে কাজ করতেন। তিনি সাংবাদিকতার পাশাপাশি স্নাতক শ্রেণির পরীক্ষার্থী ছিলেন।