মিয়ানমারকে দ্রুত সমাধান করতে হবে

মিয়ানমারকে দ্রুত সমাধান করতে হবে

রোহিঙ্গা ইস্যুতে নিরাপত্তা পরিষদের উন্মুক্ত আলোচনায় যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, চীন, ফ্রান্স, সুইডেন, নেদারল্যান্ডস, পোল্যান্ড, বলিভিয়াসহ ১২টি দেশের স্থায়ী প্রতিনিধিরা বর্বরতা অব্যাহত থাকায় মিয়ানমারের কঠোর সমালোচনা করেছেন। নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দফতরে ১৩ ফেব্রুয়ারি এ ইস্যু নিয়ে আলোচনা হয়। কুয়েতের রাষ্ট্রদূত শেখ সাবাহ খালিদ আল হামাদের সভাপতিত্বে এ আলোচনায় অংশ নিয়ে প্রায় সবাই উল্লেখ করেন, মিয়ানমার সরকারের দমননীতির মূখে প্রাণ বাঁচাতে এখনো রোহিঙ্গারা পালিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করছে। আলোচনার সূচনা ঘটান জাতিসংঘের উদ্বাস্তু বিষয়ক হাইকমিশনার ফিলিপ্পো গ্র্যান্দি। গত সেপ্টেম্বরে জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে রোহিঙ্গা ইস্যুতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বক্তব্যের প্রতিধ্বনি ঘটিয়ে ফিলিপ্পো গ্র্যান্দি বলেন, মিয়ানমার থেকে সৃষ্ট এ সংকটের সমাধান মিয়ানমারকেই করতে হবে।

গত ৬ মাসে ৬ লাখ ৮৮ হাজারেরও অধিক রোহিঙ্গা বলেন, ‘শরণার্থীদের নিরাপদে নিজ আবাস ভূমিতে প্রত্যাবর্তনে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে আন্তরিক অর্থে সোচ্চার হওয়া দরকার। সভায় জাতিসংঘের রাজনীতি বিষয়ক সহকারী মহাসচিব মিরোল্লাড জেনকা তিনটি পয়েন্ট উল্লেখ করেন। এর মধ্যে রয়েছে রাখাইন প্রদেশে দ্বন্দ্ব-সংঘাতের অবসান ঘটিয়ে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি ঘটাতে হবে, রাখাইনের বর্তমান অবস্থা কী, তা জাতিসংঘের পক্ষে এখনো জানা সম্ভব হয়নি। কারণ, সেই প্রদেশে জাতিসংঘের লোকজন, মিডিয়া এবং স্বেচ্ছাসেবকরা এখনো অবাধে ঢুকতে পারছেন না। এমন অবস্থার অবসান দরকার এবং নিজ আবাসস্থলে রোহিঙ্গাদের নিরাপদে ফিরে স্বাভাবিক জীবন যাপনের গ্যারান্টি মিয়ানমারকে দিতে হবে। আমরা চাই, এ সংকট সমধানে বৈশ্বিক চাপ আরো জোরদার হোক।