রাশিয়া বিশ্বকাপ ফুটবল ২০১৮

মিনিস্টার এলইডি টিভি - করতোয়া কুইজের পুরস্কার বিতরণ

মিনিস্টার এলইডি টিভি - করতোয়া কুইজের পুরস্কার বিতরণ
মিনিস্টার এলইডি টিভি - করতোয়া কুইজের পুরস্কার বিতরণ
মিনিস্টার এলইডি টিভি - করতোয়া কুইজের পুরস্কার বিতরণ
মিনিস্টার এলইডি টিভি - করতোয়া কুইজের পুরস্কার বিতরণ

রাশিয়া বিশ্বকাপ ফুটবল-২০১৮ উপলক্ষে খ্যাতনামা বিপণন প্রতিষ্ঠান মিনিস্টার এলইডি টিভি এবং দৈনিক করতোয়ার যৌথ উদ্যোগে ‘বিশ্বকাপ ফুটবল কুইজ’ প্রতিযোগিতার বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়েছে। আনন্দঘন পরিবেশে গতকাল শনিবার বিকেলে রাজধানীর সেগুনবাগিচাস্থ দৈনিক করতোয়া কার্যালয়ে এই পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান হয়। দৈনিক করতোয়া ও ভোরের দর্পণের সম্পাদক মোজাম্মেল হকের সভাপতিত্বে আমন্ত্রিত অতিথিরা বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন- বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) সাধারণ সম্পাদক আবু নাইম সোহাগ, দেশবরেণ্য দুই সাবেক তারকা ফুটবলার শেখ মো. আসলাম ও শফিকুল ইসলাম মানিক, মিনিস্টার হাইটেক পার্ক লিমিটেডের হেড অব ব্র্যান্ড অ্যান্ড মিডিয়া কে এম জি কিবরিয়া, পৃষ্ঠপোষক প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও দৈনিক গড়বো বাংলাদেশ পত্রিকার প্রধান সম্পাদক ডা. উজ্জল রায়, দৈনিক ভোরের দর্পণের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক নাসরিন হায়দার। অনুষ্ঠানে দৈনিক করতোয়ার সাংবাদিক ও কর্মকর্তাবৃন্দ এবং কুইজ প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিজয়ীরা উপস্থিত ছিলেন।

শুভেচ্ছা বক্তব্য দিতে গিয়ে বাফুফের সাধারণ সম্পাদক আবু নাইম সোহাগ বলেন, সভাপতি কাজী সালাহউদ্দিনের নেতৃত্বে বাফুফের বর্তমান নির্বাচিত কমিটি দেশের ফুটবলের উন্নতি ও অগ্রযাত্রার জন্য কাজ করে যাচ্ছে। বিভিন্ন বয়সভিত্তিক প্রমিলা ও কিশোর এবং জাতীয় দলকে তৈরি করা হচ্ছে দেশে-বিদেশে ভাল ফলাফলের জন্য। এ সময় দেশের ফুটবলের বিকাশে বিশ্বকাপ উপলক্ষে এই কুইজ প্রতিযোগিতা আয়োজনের জন্য পৃষ্ঠপোষক প্রতিষ্ঠান মিনিস্টার হাইটেক পার্ক লিমিটেড কর্তৃপক্ষ ও দৈনিক করতোয়াকে ধন্যবাদ জানান। বাফুফের সদস্য ও জাতীয় ফুটবল দলের সাবেক অধিনায়ক তারকা ফুটবলার শেখ মো. আসলাম বলেন, আমাদের দেশের ফুটবলের উন্নয়নে আমরা কাজ করে যাচ্ছি। এর পরিসর আরো বাড়াতে হবে। জেলাভিত্তিক লীগের আয়োজন করতে হবে। এর মধ্য দিয়ে অনেক ফুটবলার উঠে আসবে। আমাদের মেয়েরা দক্ষিণ এশিয়ায় ভাল করছে, কিন্তু সেটা যথেষ্ট নয়। ছেলেদেরও উন্নতি করতে হবে। এজন্য একটি সুন্দর পরিকল্পনা নিয়ে এগিয়ে যেতে হবে। সাবেক জাতীয় ফুটবলার ও কোচ শফিকুল ইসলাম মানিক বলেন, ক্রিকেটে আমরা অনেক উন্নতি করলেও আমাদের দেশে ফুটবল এখনো জনপ্রিয়। ফুটবল সবার মনে রয়েছে। তারা ফুটবল খেলাকে ভালবাসে। কিন্তু কার্যক্রমে সেভাবে ফুটবল নেই। আশা করি, কাজে-কর্মের মধ্য দিয়ে বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় খেলা ফুটবলকে আমাদের দেশেও জনপ্রিয় করে তুলতে পারবো। এ কাজে গণমাধ্যমসহ সংশ্লিষ্ট সবার সহযোগিতা কামনা করেন তিনি। মিনিস্টার হাইটেক পার্ক লিমিটেডের হেড অব ব্রান্ড অ্যান্ড মিডিয়া কে এম জি কিবরিয়া বলেন, দৈনিক করতোয়ার সহযোগিতায় আমরা এই কুইজ প্রতিযোগিতাটি করতে পেরে আনন্দবোধ করছি। করতোয়ার সাথে আমাদের একটি বন্ধন সৃষ্টি হয়েছে। ভবিষ্যতে এই ধরণের উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে বলে প্রতিশ্রুতি দেন তিনি। পৃষ্ঠপোষক প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও দৈনিক গড়বো বাংলাদেশ পত্রিকার প্রধান সম্পাদক ডা. উজ্জল রায় তার বক্তব্যে বলেন এমন সুন্দর আয়োজন আমাদের মুগ্ধ করেছে। আগামীতেও এমন কার্যক্রম অব্যহত রাখার চেষ্টা থাকবে।

সভাপতির বক্তব্যে দেশের ফুটবলের বিকাশে শেখ মো. আসলাম ও শফিকুল ইসলাম মানিকের মতো সাবেক তারকা ফুটবলারদের দৈনিক করতোয়া ও ভোরের দর্পণ পত্রিকায় সাক্ষাৎকার গ্রহণের নির্দেশনা দেন পত্রিকা দুটির সম্পাদক মোজাম্মেল হক। তিনি বলেন, এসব সাক্ষাৎকারের মধ্য দিয়ে সারাদেশের মানুষ বিশেষ করে তরুণ প্রজন্ম তাদের সম্পর্কে জানতে পারবে। এর ফলে তারা ফুটবল খেলতে আগ্রহী হয়ে উঠবে। যা সার্বিকভাবে ফুটবলের বিকাশে সহায়ক হবে। দেশের ক্রীড়ার বিকাশে মিনিস্টার হাইটেক পার্ক লিমিটেডের এ ধরণের উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন দৈনিক করতোয়া সম্পাদক। দৈনিক করতোয়ার ক্রীড়া সম্পাদক আমিনুল হক মল্লিকের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন দৈনিক করতোয়ার বার্তা সম্পাদক মাহমুদুর রহমান খোকন। এছাড়া শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন দৈনিক ভোরের দর্পণের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক নাসরিন হায়দার। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন-দৈনিক করতোয়ার যুগ্ম বার্তা-সম্পাদক মো. সাহাবউদ্দিন সাহাব, প্রধান প্রতিবেদক সৈয়দ আহমেদ অটল, মফস্বল সম্পাদক জয়নাল আবেদীন, জেনারেল ম্যানেজার শহিদুর রহমান বুলু, জেনারেল ম্যানেজার (কমার্শিয়াল) মো. খবির উদ্দিন প্রমুখ। গত ১৪ অক্টোবর ঢাকা অফিসে দৈনিক করতোয়া ও ভোরের দর্পণের সম্পাদক সঠিক উত্তরদাতাদের মধ্য থেকে লটারির মাধ্যমে একে একে বিজয়ীদের নাম তুলে ঘোষণা করেন। প্রথম পুরস্কার একটি মিনিষ্টার ফ্রিজ বিজয়ী হন রংপুরের মিঠাপুকুরের মো. জাহাঙ্গীর কবির। দ্বিতীয় পুরস্কার ৩২ ইঞ্চি এলইডি টিভি (২টি) বিজয়ী হন যথাক্রমে রাজশাহীর আতিকুর রহমান মওদুদ ও মাদারীপুরের কালকিনির শওকত হোসেন। তৃতীয় পুরস্কার ব্লেন্ডার (২টি) বিজয়ী হন ঢাকার তানহা ও বগুড়ার রেশমা। চতুর্থ পুরস্কার রাইস কুকার (২টি) পান যথাক্রমে ঢাকার জান্নাতুন নাঈম ও বগুড়ার টিপু সুলতান। পঞ্চম পুরস্কার ৪টি মিনিস্টার আয়রন বিজয়ী হন যথাক্রমে বগুড়ার শাহজাহানপুরের মো. নাছির হোসেন মিয়া, উপশহরের পিন্টুু, চাঁদপুরের ওমর ফারুক বাপ্পী ও গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জের মো. মামুনুর রশিদ।