মাদ্রিদ ডার্বি জিতে বার্সার নিচে রিয়াল

মাদ্রিদ ডার্বি জিতে বার্সার নিচে রিয়াল

চলতি মৌসুমে লা লিগার শুরুটা একদমই ভালো করতে পারেনি রিয়াল। লম্বা সময়ে ধরে পয়েন্ট টেবিলের ৫-৬ নম্বরে ছিলো সান্তিয়াগো সোলারির দলের অবস্থান। তবে ক্রমেই সময়ের সঙ্গে নিজেদের অবস্থান জোরদার করছে ইউরোপের অন্যতম সেরা এ ক্লাবটি।

যার ধারাবাহিকতায় শনিবার রাতে নগরপ্রতিদ্বন্দ্বী অ্যাতলেটিকো মাদ্রিদের বিপক্ষে ৩-১ গোলে মাদ্রিদ ডার্বি জয়। এ জয়ে অ্যাতলেটিকোকে তিনে নামিয়ে পয়েন্ট টেবিলের দুই নম্বরে উঠে এসেছে রিয়াল। তবে শীর্ষে থাকা বার্সেলোনার নিচেই রয়েছে তারা।
অ্যাতলেটিকোর ঘরের মাঠে ওয়ান্দা মেট্রোপলিটনের ম্যাচের প্রথম গোলটা করেন অতিথি রিয়ালই। ১৬তম মিনিটে টনি ক্রসের কর্ণার অ্যাতলেটিকো ডিফেন্ডাররা ঠিকভাবে বিপদমুক্ত করতে পারেননি। ফাঁকায় বল পেয়ে দারুণ এক ভলিতে দলকে এগিয়ে দেন ব্রাজিলিয়ান ডিফেন্সিভ মিডফিল্ডার ক্যাসেমিরো।

তবে সমতা ফেরাতেও খুব একটা সময় নেয়নি অ্যাতলেটিকো। মিনিট নয়েকবাদে দলের পক্ষে গোল করেন আন্তনিও গ্রিজম্যান। অ্যাঞ্জেল কোররেয়ার কাছ থেকে বল পেয়ে কাসেমিরো ও ভারানেকে পেছনে ফেলে ডি-বক্সে ঢুকে গোলরক্ষক থিবো কোর্তোয়ার দুপায়ের ফাঁক দিয়ে বল ঠিকানায় পাঠান গ্রিজম্যান।

বেশিক্ষণ সমতায় থাকা হয়নি অ্যাতলেটিকোর। বিরতির আগে দিয়ে ভিনিসিয়াস জুনিয়রকে ডি-বক্সের মধ্যে ফাউল করা হলে পেনাল্টি পায় রিয়াল। সফল স্পটকিকে আবারো দলকে লিড এনে দেন অধিনায়ক সার্জিও রামোস।

বিরতি থেকে ফিরে ৫৮তম মিনিটে তরুণ ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ড ভিনিসিয়াসকে বসিয়ে গ্যারেথ বেলকে নামান সোলারি। ৭৪তম মিনিটে ব্যবধান বাড়িয়ে কোচের আস্থার প্রতিদান দেন তিনি। লুকা মদ্রিচের পাস ডি-বক্সে পেয়ে কোনাকুনি শটে গোলটি করেন ওয়েলসের এই ফরোয়ার্ড।

তবে দ্বিতীয়ার্ধে দুই দলের খেলোয়াড়রা বেশি মনোযোগী হয় কুৎসিত ফুটবলের দিকে। ৫৮ থেকে ৭২তম মিনিটের মধ্যে ছয়জনকে হলুদ কার্ড দেখান রেফারি। এর মধ্যে চার জন অ্যাতলেটিকোর। এছাড়া পুরো ম্যাচে মোট ১১টি হলুদ কার্ড দেখান রেফারি। অ্যাতলেটিকো মাদ্রিদের থমাস মার্তে দেখেন লাল কার্ড।

২৩ ম্যাচে ১৪ জয় ও তিন ড্রয়ে দ্বিতীয় স্থানে উঠে আসা রিয়াল মাদ্রিদের পয়েন্ট ৪৫। তিন নম্বরে নেমে যাওয়া অ্যাতলেটিকোর পয়েন্ট ৪৪। এক ম্যাচ কম খেলা বার্সেলোনা ৫০ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে অবস্থান করছে।