মাদকাসক্ত ছিলেন জাস্টিন বিবার, জানালেন নিজেই

মাদকাসক্ত ছিলেন জাস্টিন বিবার, জানালেন নিজেই

মাত্র ১৯ বছর বয়সেই জাস্টিন বিবার মাদকাসক্ত হয়ে পড়েছিলেন। এমনকি আত্মহত্যার চিন্তাও করেছেন এই জনপ্রিয় কানাডিয়ান সঙ্গীতশিল্পী। সম্প্রতি ইনস্টাগ্রামে একটি দীর্ঘ লেখনীতে তার জীবনের এই অজানা অধ্যায়ের কথা ভক্তদের সঙ্গে শেয়ার করেছেন তিনি।


‘নেভার সে নেভার’ গায়ক স্বীকার করেছেন, তিনি অল্প বয়সেই যে লাখ লাখ ডলার উপার্জন করেছেন তার দায়িত্ব নেওয়ার জন্য তিনি প্রস্তুত ছিলেন না। 

আত্মহত্যা করার চিন্তা-ভাবনা প্রসঙ্গে ২৫ বছর বয়সী এই শিল্পী লেখেন, ‘যখন জীবনে শুধু ঝামেলার পর ঝামেলা, তারপরও যন্ত্রণা লেগেই থাকে, আর বুঝতে পারেন আগামী দিনটাও একইভাবে যন্ত্রণা নিয়ে আসতে চলেছে, তখন একটা পর্যায়ে আপনার আর বেঁচে থাকতেও ইচ্ছা করবে না।’

‘লাভ ইওরসেল্ফ’ গায়ক নিজের প্রতিই ভালোবাসা হারিয়ে ফেলেন। নিজের মাদকাসক্তি ও ব্যক্তিগত সম্পর্ক প্রসঙ্গেও লিখেছেন তিনি। 

বিবার লেখেন, ‘আমি ১৯ বছর বয়সেই কঠিন মাদকাসক্ত হয়ে পড়ি। আমার সম্পর্কগুলো নষ্ট করে ফেলি। আমি মেয়েদের প্রতি বিরক্ত, শ্রদ্ধাহীন আর ক্রুদ্ধ হয়ে পড়েছিলাম। যারা আমাকে সত্যিই ভালোবাসতো আমি তাদের সবার থেকে দূরে সরে গিয়েছিলাম। আর আমি আমার পরিচয়ের আড়ালে লুকিয়ে থাকতাম।’

অল্পবয়সেই তারকাখ্যাতি কীভাবে জাস্টিন বিবারকে প্রভাবিত করেছে এবং জীবনের উত্থান-পতন ঘটিয়েছে, তাও তিনি প্রকাশ করেছেন ইনস্টাগ্রামে। তিনি জানান, মাত্র ১৩ বছর বয়সেই তিনি জনপ্রিয়তা পান। ১৫ বছর বয়সে তার প্রথম অ্যালবাম ‘ওয়ান টাইম’ রেকর্ড করা হয়। ২০ বছর বয়সে তিনি কিছু খারাপ সিদ্ধান্ত নেন যা তাকে বিশ্বের সবচেয়ে বিদ্রূপযুক্ত, সমালোচিত ও ঘৃণিত ব্যক্তিতে পরিণত করে। 

এরই মধ্যে টেলিভিশন ব্যক্তিত্ব হেইলি বল্ডউইনকে বিয়ে করেছেন জাস্টিন বিবার। জীবনের সব ভয়ংকর সিদ্ধান্ত থেকে বেরিয়ে আসতে জাস্টিন কয়েক বছর ধরেই লড়াই করেছেন। তিনি লেখেন, ‘সৌভাগ্যক্রমে ঈশ্বর আমাকে কৃপা করে কিছু অসাধারণ মানুষ দিয়েছেন যারা আমাকে ঠিক আমার জন্যই ভালোবাসেন। এখন আমি আমার জীবনের সবচেয়ে সেরা মৌসুম কাটাচ্ছি, আর তা হলো – বিবাহ।’

জাস্টিন বিবারের স্টুডিও অ্যালবাম প্রকাশিত হয়েছে চারটি। আর একক গান আছে ৫২টি। সঙ্গে প্রচারমূলক একক আছে আরও ছয়টি। তার শেষ অ্যালবাম ‘পারপাস’ (২০১৫) পাঁচ লাখ কপিরও বেশি বিক্রি হয়েছে।