মরুভূমিতে গোলাপের আদলে বিশাল জাদুঘর

মরুভূমিতে গোলাপের আদলে বিশাল জাদুঘর

গোলাপের আদলে মনোমুগ্ধকর বিশাল আকৃতির জাদুঘর বানানো হয়েছে কাতারে। প্রায় ১০ বছর সময় নিয়ে ৪৩ কোটি ৪০ লাখ ডলার ব্যয়ে নির্মিত দেশের জাতীয় এই জাদুঘর জনসাধারণের জন্য খুলে দেওয়া হচ্ছে এ সপ্তাহেই।

বানানোর তিন বছর পর অবশেষে বুধবার (২৭ মার্চ) জাদুঘরটির উদ্বোধন করবে দোহা। এর চমকপ্রদ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন কাতারের শাসক শেখ তামিম বিন হামাদ আল-থানি, কুয়েতের আমির শেখ সাবাহ আল-আহমদ আল-জাবের আল-সাবাহ ও ফ্রান্সের প্রধানমন্ত্রী অ্যাডওয়ার্ড ফিলিপ। এরপর বৃহস্পতিবার (২৮ মার্চ) থেকে জনসাধারণের জন্য সার্বক্ষণিক জাদুঘরটির দরজা খুলে দেওয়া হবে।গোলাপের আদলে মনোমুগ্ধকর বিশাল আকৃতির জাদুঘর, ছবি: সংগৃহীতআন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম বলছে, যাদুঘরটির অবস্থান কাতারের রাজধানী দোহায়। সেখানকার একটি মরুভূমির ৫২ হাজার বর্গ মিটার জায়গার ভেতরে গোলাপের এই কাঠামো বসেছে। একইসঙ্গে স্থাপনাটি বিমানবন্দর থেকে শহরের কেন্দ্রস্থলে যাওয়ার পথে। সেজন্য দর্শকের উপস্থিতিও হবে ব্যাপক। যা থেকে একপর্যায়ে দেশের উল্লেখযোগ্য বিল্ডিং হবে এটি।

জাদুঘরটির স্থপতি ফরাসি জেন নওভেল। বিশ্ব বিখ্যাত এই স্থপতি টুইটে বলেছেন, স্থাপনাটি ভবিষ্যতে দেশের ঐতিহ্য উদযাপনের জানান দিচ্ছে।

জাদুঘর ভবনের মধ্যে নানা ধরনের মনোমুগ্ধকর নকশা রয়েছে। যা যে কেউ দেখলেই নজর কেড়ে নেবে এক মুহূর্তের জন্য। জাদুঘরটির ভবনে ঢুকতেই চোখে পড়বে ১১৪টি ভাস্কর্য। সামনে-পেছনে রয়েছে ৯০০ মিটার লম্বা লেক। এছাড়া ভবনটির খণ্ড খণ্ড ছাদতো আছেই।

ভবনটিতে গ্যালারির জন্য জায়গা রাখা হয়েছে এক হাজার ৫০০ মিটার। এখানে থাকবে দেশের ঐতিহ্যবাহী গুরুত্বপূর্ণ নিদর্শন।গোলাপের আদলে মনোমুগ্ধকর বিশাল আকৃতির জাদুঘর, ছবি: সংগৃহীতজাদুঘরটির পরিচালক শেখ আমনা বিনত আব্দুল আজিজ বিন জাসিম আল-থানি বিবৃতিতে জানিয়েছেন, এই জাদুঘর কাতারের মানুষের গল্প বর্ণনা করবে।

জাদুঘরটি ২০১৬ সালে উদ্বোধন করার কথা ছিল। সে হিসেবে নির্মাণও করা হয়। কিন্তু দেরি হয়ে যায়। তবে কর্তৃপক্ষ বলছে, দেরিতে হওয়ায় জাদুঘরে দেশের ঐতিহ্য আরও ভালোভাবে তুলে ধরার সুযোগ পাওয়া গেছে।