ভিটামিন ‘এ’ ক্যাম্পেইন

ভিটামিন ‘এ’ ক্যাম্পেইন

শিল্পের সুস্বাস্থ্য ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সারাদেশে ছয় মাস থেকে পাঁচ বছর বয়সী দুইকোটি ২০ লাখ শিশুকে বিনামূল্যে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে আজ। এ দিন সকাল ৮টা থেকে ৪টা পর্যন্ত ১ম রাউন্ডের এ কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে। ৬ থেকে ১১ মাস বয়সী শিশুদের ১টি নীল রঙের ১২ থেকে ৫৯ মাস বয়সী শিশুদের ১টি লাল রঙের উচ্চ ক্ষমতা সম্পন্ন ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে। এই ক্যাম্পেইনের লক্ষ্য শুধু শিশুদের ভিটামিন এ ক্যাপসুল খাওয়ানো নয় বরং শিশুর দেহে ভিটামিনের প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে অভিভাবকদের সচেতন করা। ১৯৭৪ সাল থেকে পরিচালিত এ কার্যক্রমের ফলে ৬-৫৯ মাস বয়সী শিশুদের কভারেজ উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি পেয়ে ২০১৭ সালে শতকরা ৯৯ তে উন্নীত হয়েছে। অপুষ্টিজনিত অন্ধত্ব প্রতিরোধে সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) ছিল রাতকানা রোগের হার ১ ভাগের নিচে নামিয়ে আনা। বর্তমানে বাংলাদেশে ৬ থেকে ৫৯ মাস বয়সী শিশুদের ভিটামিন এ অভাবজনিত রাতকানার হার ০.০৪ ভাগে নেমে এসেছে। অপুষ্টিজনিত অন্ধত্ব প্রতিরোধে এ অর্জিত হার ধরে রাখা অথবা তা শূন্যের কোঠায় নামিয়ে আনা সরকারের অন্যতম লক্ষ্য। ভিটামিন এ ক্যাম্পেইনের লক্ষ্যে শুধু শিশুদের ভিটামিন এ ক্যাপসুল খাওয়ানো নয় বরং শিশুর দেহে ভিটামিন ‘এ’র প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে অভিভাবকদের সচেতন করা। ভিটামিন এ শিশুর রাতকানা রোগ প্রতিরোধ করে, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় এবং শিশুর মৃত্যু ঝুঁকি কমায়। ভিটামিন এ ঘাটতি পূরণ করার গবেষণা শিশু মৃত্যুর হার ২৩ শতাংশ পর্যন্ত কমানো সম্ভব। দীর্ঘদিন এ ক্যাপসুল খাওয়ানোর ফল দেশে রোগটির প্রকোপ অনেক কমেছে। তুলনামূলক অভাবী পরিবারের শিশুদের টিকা ও ভিটামিন এ ক্যাপসুল কার্যক্রম সাধারণ মানুষের আস্থার জায়গা করে নিয়েছে। সেই আস্থা অবশ্যই ধরে রাখতে হবে।