ভালোবাসার রঙ ছড়িয়ে নায়ক বাপ্পির সাত বছর

ভালোবাসার রঙ ছড়িয়ে নায়ক বাপ্পির সাত বছর

সাত বছর আগে ২০১২ সালে সিনেমা প্রযোজনায় যাত্রা করে জাজ মাল্টিমিডিয়া। তাদের প্রথম চলচ্চিত্র ‘ভালোবাসা রঙ’ মুক্তি পায় সেই বছরের ৫ অক্টোবর। গল্প, গান ও শাহীন সুমনের নির্মাণের মুন্সিয়ানায় ছবিটি জনপ্রিয়তা পায় দর্শকের কাছে। তারপর থেকেই জাজ পথ চলছে সাফল্য-ব্যর্থতার দারুণ এক মেলবন্ধনে।

সেই ‘ভালোবাসার রঙ’ সিনেমায় জুটি হয়ে ইন্ডাস্ট্রিতে পথ চলার শুরু করেছিলেন চিত্রনায়ক বাপ্পি চৌধুরী ও চিত্রনায়িকা মাহিয়া মাহি। পথচলার সাত বছর পূর্ণ করে পুরনো দিনগুলোর কথা ভেবে স্মৃতিকাতর বাপ্পী।

নিজের ফেসবুকে দীর্ঘ এক স্ট্যাটাসে তুলে এনেছেন অনেক কথা। ধন্যবাদ জানিয়েছেন দর্শকদের, কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন জাজসহ সেইসব মানুষদের যারা তার ক্যারিয়ারে রঙ মেখেছেন সাফল্যের আল্পনায়।

বাপ্পী তার স্ট্যাটাসে লেখেন, ‘আমি ছিলাম অতি সাধারণ একটা ছেলে। সে সাধারণ ছেলেটাকে আজ সারা দেশের মানুষ চিনে, তারা আমার ছবি দেখে। রাস্তায় দেখলে বলে, ওই যে ওটা বাপ্পি না? অনেকেই ‘ভাইয়া, একটা সেলফি তুলি’ বলে জড়িয়ে ধরে।

চিত্রনায়ক বাপ্পির জন্ম হতো না যদি ২০১২ সালের আজকের দিনে ‘ভালোবাসার রঙ’ মুক্তি না পেতো। তাই আমি কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি আমার জন্মদাতা প্রতিষ্ঠান জাজ মাল্টিমিডিয়া ও আবদুল আজিজ ভাই ও পরিচালক শাহীন সুমন ভাইয়ের প্রতি। তারা আমার রূপালি পর্দার স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দিয়েছেন। তাদের কাছে আমি আজীবনের জন্য ঋণী।

কৃতজ্ঞতা আবদুল্লাহ জহির বাবু ভাইয়ের কাছেও। উনি আমার জন্য যা করেছেন তা ভোলার নয়। কৃতজ্ঞ আমার বন্ধু মাহির প্রতি। আমরা একসাথে অনেকগুলো ছবি করেছি।


আজকের দিনে আরও কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি আমার সকল দর্শক, ভক্তদের। তাদের ভালোবাসায় এ পথচলা সহজ হয়েছে।

কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি আমার সকল সাংবাদিক বন্ধুদের। তাদের প্রশংসা ও সমালোচনা দুটোই আমাকে সঠিক পথে চলতে সাহায্য করেছে।

গত সাত বছর চলার পথে যদি কারো মনে কষ্ট দিয়ে থাকি, তাহলে ক্ষমা চাইছি। আপনাদের ভালোবাসা নিয়ে এদেশের সিনেমা ইন্ডাস্ট্রিকে ভালো কিছু ছবি উপহার দিতে চাই। আমার জন্য সবাই দোয়া করবেন।’

বর্তমানে এ চিত্রনায়ক অভিনীত ‘শ্বশুড়বাড়ি জিন্দাবাদ ২’, ‘ডেঞ্জার জোন’ ছবি দুটি মুক্তির অপেক্ষায় রয়েছে। এছাড়াও তিনি অভিনয় করছেন ‘ঢাকা ২০৪০’ নামের একটি ছবিতে।