ভালোবাসা দিবসের পোশাক ও সাজসজ্জা

ভালোবাসা দিবসের পোশাক ও সাজসজ্জা

লাইফস্টাইল ডেস্ক ঃ ফেব্র“য়ারি মানেই উৎসবের মাস। ফেব্র“য়ারি এলেই বাংলার আকাশ বাতাস ধ্বনিত হয় ফাগুনের আমেজ, ভালবাসা দিবসের আবেশ। ফেব্রয়ারিকে ভাষার মাস হিসেবেও আখ্যা দেয়া হয়। কারণ ফেব্র“য়ারি মাসেই বাংলা ভাষার দাবিতে বাংলার দামাল ছেলেরা রাজপথ রঞ্জিত করেছে বুকের তাজা রক্তে। ফেব্র“য়ারি তাই শোক ও সুখের মাস। এ মাসে বাঙালির যেমন বিষাদ রয়েছে তেমনি রয়েছে আনন্দের অনেক সংবাদ। প্রতি বছর শীতকে বিদায় জানিয়ে প্রকৃতিতে হাজির হয় ফাগুন। আর এবার এই ফাগুনের প্রথম দিনই সারা পৃথিবীতে বিশ্ব ভালবাসা দিবস হিসেবে পালিত হবে।ভালবাসা দিবস হলো এমন একটি দিন যে দিনে প্রেমিক প্রেমিকাকে, বন্ধু বন্ধুকে, ছেলে মেয়েরা বাবা মাকে, শিক্ষার্থীরা শিক্ষককে ভালবাসা দিবসের শুভেচ্ছা জানায়। যদিও সবার প্রতি সবার ভালবাসার বহিঃপ্রকাশ ঘটে এ দিনে, তবুও প্রেমিক প্রেমিকার ভালবাসাটা যেন সবকিছুকে ছাড়িয়ে যায়। ভালবাসা দিবস প্রতিটি প্রেমিক যুগলের জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ দিন।

প্রেমিক যুগল কিংবা প্রেমিক প্রেমিকা তার প্রিয় মানুষটিকে হৃদয়ের সবটুকু আবেগ দিয়ে অফুরন্ত ভালবাসার শুভেচ্ছা জানায়। আর এ দিনে প্রেমিক প্রেমিকার সাজসজ্জারও শেষ থাকে না। তারা নিজেকে সবচেয়ে সুন্দরভাবে উপস্থাপন করতে চায় তাদের প্রিয় মানুষটির কাছে।ভালোবাসা দিবসের পোশাক ঃ ভালবাসা দিবসের সুনির্দিষ্ট কোনো পোশাক নেই। তবে ভালবাসার রং হিসেবে লালকে প্রাধান্য দেয়া হয়। এ দিনে সারা পৃথিবী ব্যাপি লাল রঙের পোশাক পরে দিনটিকে উদযাপন করা হয়। গোলাপ যেমন লাল, তেমনি কাল্পনিকভাবে ভালবাসার রং ও লাল। তবে মনস্তাত্ত্বিকগণ বলেন ভিন্ন কথা। তাদের মতে লাল আতঙ্কের রং, বিপদের চিহ্ন।

লাল শাড়িতে নারী ঃ ভালবাসা দিবসে পৃথিবীর বিভিন্ন অঞ্চলের মানুষ বিভিন্ন পোশাক পরে। বাঙালি নারীরা শাড়িকে প্রাধান্য দেয়। তাছাড়া বাঙালি নারী শাড়িতে বেশি সুন্দর। ভালবাসা দিবসে লাল রঙের জর্জেট শাড়ি, সুতি শাড়ি, জামদানি শাড়ি, এপ্লিকের শাড়ি, কোটা শাড়ি, হাফ সিল্কের শাড়ি, কাতান শাড়ি পরা যেতে পারে। আপনি আপনার রুচি ও অভিরুচি অনুযায়ী পছন্দের শাড়ি পরতে পারেন।শাড়ি পরার সময় অবশ্যই মাথায় আরামদায়কতার বিষয়ট রাখা উচিত। কেননা বসন্তের আগমনে এই দিনটিতে বেশ গরম থাকে। শীত তার সমস্ত স্মৃতি নিয়ে প্রকৃতির কোল থেকে বিদায় নেয়। আর ফাল্গুন তার স্বভাবগত রূপের পসরা নিয়ে প্রকৃতিতে থেকে যায়।

ভালবাসা দিবসে নারীরা লাল শাড়ি ছাড়াও ভিন্ন রঙের শাড়ি পরে থাকে। অনেকে মনে করেন নিজেকে সবার চেয়ে ভিন্ন আঙ্গিকে প্রকাশ করাটা উত্তম। তাই তারা বেছে নেয় গাঢ় নীল, বেগুনি, বাদামি, গোলাপি কিংবা খয়েরি রঙের শাড়ি। অনেকে আবার ভালবাসা দিবস উদযাপন করে ফতুয়া, সালোয়ার কামিজ, কুর্তি পরে। আপনি যেভাবে নিজেকে গুছিয়ে রাখতে পারেন সেভাবেই আপনাকে লাগবে অনন্যা।ভালবাসা দিবসে ছেলেরা পাঞ্জাবি পরতে ভালবাসে। সাদা কিংবা লাল পাঞ্জাবীকে তারা বেশি প্রাধান্য দেয়। তবে অনেকে লাল টি-শার্ট, শার্ট ছাড়াও বিভিন্ন ধরনের শার্ট, টি-শার্ট পরে। আপনি চাইলে টি-শার্টের সাথে টুপি পরতে পারেন। কারণ টুপি ফ্যাশনে অন্যরকম অনুসঙ্গ প্রদান করে।