বিমসটেকের মাধ্যমে সহযোগিতা

বিমসটেকের মাধ্যমে সহযোগিতা

বাংলাদেশ ও ভারতের মানুষের ভাগ্যোন্নয়নে এক যোগে কাজ করার অঙ্গীকার করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। নেপালের রাজধানী কাঠমান্ডুতে চতুর্থ বিমসটেক শীর্ষ সম্মেলনের সাইড লাইনে অনুষ্ঠিত দুই দেশের প্রধানমন্ত্রীর বৈঠকে এই প্রতিশ্রুতি আসে। স্থানীয় সময় বিকাল সাড়ে ৩টার দিকে কাঠমান্ডুর হোটেল সোয়ালটি ক্রাউনি প্লাজায় সম্মেলনের কার্যক্রম শুরু হয়। হাসিনা ও মোদীসহ জোটভুক্ত সাত দেশের নেতারা এ সম্মেলনে অংশ নিচ্ছেন। বৈঠকের পর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম সাংবাদিকদের বলেন, স্বাধীনতা সংগ্রাম থেকে শুরু করে বাংলাদেশের উন্নয়নে বিভিন্ন সময়ে ভারত যে সহযোগিতা করেছে, সে জন্য বৈঠকে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, আমরা দুই দেশের বন্ধুত্বকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যেতে চাই। এ সময় প্রধানমন্ত্রী মোদী বলেন, পারস্পরিক সুবিধার জন্য আমরা একে অপরকে সহযোগিতা করতে চাই।

নানা অর্থনৈতিক ও কারিগরি সহযোগিতার লক্ষ্য নিয়ে ১৯৯৭ সালে ব্যাংকক ঘোষণার মধ্য দিয়ে যাত্রা শুরু করে বিমসটেক। প্রাথমিকভাবে এর সদস্য ছিল বাংলাদেশ, ভারত, শ্রীলংকা ও থাইল্যান্ড। পরবর্তী সময়ে এর সঙ্গে যুক্ত হয় মিয়ানমার, নেপাল ও ভুটান। ২১ বছরে এই জোটের অগ্রগতি খুব বেশি না হলেও ধারণা করা হচ্ছে এবারের সম্মেলনে কার্যকর পারস্পরিক সহযোগিতার একটি নতুন দ্বার খুলে যাবে। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী গত বৃহস্পতিবার সকালে কাঠমান্ডু পৌঁছেই নেপালের প্রধানমন্ত্রী কে পি শর্মা ওলির সঙ্গে বৈঠকে মিলিত হন। এতে নেপাল-বাংলাদেশ দ্বি-পক্ষীয় সম্পর্কের নানাদিক নিয়ে কথা হয় বলে জানা গেছে। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ওই দিন দুপুরে নেপালের প্রেসিডেন্ট বিদ্যা দেবী ভান্ডারির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। ভারতের প্রধান মন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গেও শুক্রবার সন্ধ্যায় দ্বি-পক্ষীয় বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। আমরা আশা করি, এবারের সম্মেলনে জোটের সদস্য রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে কার্যকর পারস্পরিক সহযোগিতার নতুন দ্বার উন্মোচিত হবে। দেশগুলো পারস্পরিক স্বার্থে উন্নয়ন ও অগ্রগতির পথে এগিয়ে যাবে।