বিচ্ছেদ হচ্ছে ভাস্বর ও নবমিতার

বিচ্ছেদ হচ্ছে ভাস্বর ও নবমিতার

২০১৪ সালে ছোট ও বড় পর্দার অভিনেতা ভাস্বর চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে ঘর বেঁধেছিলেন মহানায়ক উত্তম কুমারের নাতনী অভিনেত্রী নবমিতা চট্টোপাধ্যায়। গত জানুয়ারিতে তারা বিয়ের পঞ্চম বিবাহবার্ষিকী উদযাপন করেছেন। তবে বছরের শেষ দিকে এসে জানা গেল বিয়ে বিচ্ছেদ হতে যাচ্ছে তাদের।


অনেক দিন ধরেই ভাস্বর-নবমিতার সম্পর্ক ভালো যাচ্ছিল না। বেশ কয়েকবার তাদের বিচ্ছেদের গুঞ্জনও ছড়িয়েছিল। তবে তখন ওসব গুঞ্জন উড়িয়ে দিয়েছিলেন এ তারকা দম্পতি।

এবার সত্যই ভেঙে যাচ্ছে ভাস্কর ও নবমিতার সংসার। অনেক আগেই তাদের স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্ক তলানিতে পৌঁছেছে। তাদের নিজেদের মধ্যে মতের কোনো মিল নেই। চলতি বছরের এপ্রিলে ভাস্বরের বাড়ি ছেড়ে বাবার বাড়িতে থাকতে শুরু করেছেন নবমিতা। 

যদিও দীর্ঘদিন ধরে তারা একসঙ্গে ‘বাজল তোমার আলোর বেণু’ ধারাবাহিকে কাজ করছেন। দু’জনের আলাদা গাড়িতে বাড়ি ফেরার বিষয়টি ইন্ডাস্ট্রির সকলের নজরে পড়েছে। তবে এ বিষয়ে এতদিন  তাদের কেউ মুখ খোলেননি। 

চলতি বছরের জুনে আদালতে তারা ডিভোর্সের কাগজ জমা দিয়েছেন। বিয়ের পর থেকেই নাকি তাদের মধ্যে নানা সমস্যা দেখা দিয়েছে। কিন্তু গত এক বছরে সমস্যা আরও তিক্ত হয়েছে। 

সম্প্রতি বিচ্ছেদের বিষয়টি স্বীকার করেছেন তারা দু’জনই। নবমিতা পশ্চিমবঙ্গের একটি সংবাদমাধ্যমকে বলেন, ‘আমার বিয়ের অভিজ্ঞতা ভালো না। তাই বিচ্ছেদের পথেই যাচ্ছি। আমাদের মধ্যে বনিবনা হচ্ছিল না। প্রথমেই শ্বশুরবাড়িতে খাপ খাওয়াতে অসুবিধা হয়েছিল। ভেবেছিলাম, সব ঠিক হয়ে যাবে। কিন্তু এটা বুঝতে সময় লেগে গেল।’

আর ভাস্বর জানান, এরই মধ্যে আদালতে বিচ্ছেদের কাগজ জমা দিয়েছেন তারা। তবে এখনো ডিভোর্সের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেননি। ভাবার জন্য তাদের হাতে এক বছর সময় আছে। 

এ অভিনেতা বলেন, ‘আমি ও নবমিতা একেবারে বিপরীত মেরুর। আমি খুব গোছানো ও পরিপাটি। কিন্তু নবমিতা একেবারেই অগোছালো।’ 

তবে নিজেদের সম্পর্কের উন্নয়ন ঘটলে এবং চিন্তার পরিবর্তন হলে বিচ্ছেদ নাও হতে পারে বলে দু’জনই ইঙ্গিত দিয়েছেন। এখন তারা খুব ভালো বন্ধুও বলেও জানিয়েছেন।

এটি নবমিতার প্রথম বিয়ে হলেও এটি ভাস্বরের দ্বিতীয় বিয়ে। ২০০৭ সালে প্লাবনীর সঙ্গে প্রথম বিয়ে ভেঙে গিয়েছিল এ অভিনেতার। প্লাবনীর অভিযোগে সেই সময় কারাগারেও যেতে হয়েছিল তাকে।