বিচক্ষণতার পরিচয় দিতে হবে

বিচক্ষণতার পরিচয় দিতে হবে

সব দলের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অভাবনীয় জয় পেয়েছে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ। নিরংকুশ বিজয়ে আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন মহাজোট আজ সন্তুষ্টির আনন্দজালে বন্দি। সেই সঙ্গে সরকার গঠনের পূর্ণাঙ্গ প্রস্তুতিও নিচ্ছে আওয়ামী লীগ হাইকমান্ড। শেখ হাসিনার সুযোগ্য সাহসী নেতৃত্বের প্রতি সংখ্যাগরিষ্ঠের আস্থাশীল মতামত আওয়ামী লীগকে আবারও রাষ্ট্র ক্ষমতায় নিয়ে আসার পথ দেখিয়েছে। কিন্তু তাতে আত্মতুষ্টির কোন সুযোগ নেই। দলের ওপর আরো যে অধিক দায়িত্ব অর্পিত হয়েছে, তাকে বাস্তবায়ন করতে বিচক্ষণতা ও জনবান্ধব গুণাবলীর পরিচয় দিতে হবে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীও দলের সবস্তরের নেতা কর্মিদের উদ্দেশ্যে এমনই উপদেশ দিয়েছেন।

একাদশ জাতীয় সংসদে মহাজোটের হয়ে বিজয়ী আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্যদের শপথ গ্রহণের পর পর অনুষ্ঠিত প্রথম বৈঠকে দলনেতা ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সব সংসদ সদস্যদের উদ্দেশ্যে একটি বার্তা দিয়েছেন, যা বাস্তবতা ও সময়ের প্রেক্ষাপটে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। তিনি বলেছেন, বিজয় যত বিশালই হোক, যেন ক্ষমতার বহিপ্রকাশ কারো মধ্যে না ঘটে। এলাকায় এবং নিজ দায়িত্বের অঙ্গনে যেন কেউ ক্ষমতার অপব্যবহার না করেন সে বিষয়ে সবাইকে তিনি সতর্ক করে দিয়েছেন। এই প্রথম শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন মহাজোট ক্রমাগত তৃতীয় বার রাষ্ট্র ক্ষমতায় আসীন হতে যাচ্ছে। আর এ সরকারের প্রধানমন্ত্রী হয়ে দেশে চতুর্থবারের মতো প্রধানমন্ত্রী হওয়ার নতুন নজির সৃষ্টি করবেন বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা। ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ ও তার সর্বস্তরের নেতাকর্মিকে শুদ্ধাচার মার্জিত নীতি অবলম্বন করতে হবে। আমরা মনে করি প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা অত্যন্ত সময়মতো সংসদ সদস্যদের সতর্ক করে সঠিক বার্তা দিয়েছেন। দল সংশ্লিষ্ট সব মানুষকে সংযমী হওয়া ছাড়া বিকল্প পথ নেই।