বায়তুল মোকাররমে এরশাদের তৃতীয় জানাজা

বায়তুল মোকাররমে এরশাদের তৃতীয় জানাজা

জাতীয় পার্টির (জাপা) চেয়ারম্যান ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলের নেতা হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের তৃতীয় জানাজা জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমে হয়েছে।

সোমবার (১৫ জুলাই) বাদ আসর বিকেল সোয়া ৫টার দিকে তার এই জানাজা সম্পন্ন হয়। জানাজা পড়ান বায়তুল মোকাররমের খতিব মিজানুর রহমান।

পরে জাপার মহাসচিব মশিউর রহমান রাঙ্গা সাবেক চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের ব্যক্তিগত ও কর্মজীবনের উল্লেখযোগ্য বিষয়গুলো তুলে ধরেন। এরশাদ জীবনে কারও সঙ্গে কোনো ধরনের খারাপ আচরণ করে কষ্ট দিয়ে থাকলে, তা ক্ষমা করার অনুরোধ জানান রাঙ্গা।

জিএম কাদের বলেন, দেশ, জাতি, ইসলাম ধর্ম ও সাধারণ মানুষের কল্যাণে এরশাদের অনেক অবদান আছে।

জানাজায় ধর্ম প্রতিমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ আব্দুল্লাহসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও সামাজিক সংগঠন এবং জাতীয় পার্টির নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। জানাজা শেষে মরহুমের মরদেহে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়।

এ সময় জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম মেম্বার সৈয়দ আবু হোসেন বাবলা, ভাইস চেয়ারম্যান জহিরুল আলম রুবেলসহ নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে সোমবার সকাল সাড়ে ১০টায় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় তার দ্বিতীয় জানাজা হয়। জানাজা শেষে সাবেক রাষ্ট্রপতির মরদেহ রাজধানীর কাকরাইলে জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ১২টা থেকে ৩টা পর্যন্ত সর্বসাধারণের দেখার জন্য রাখা হয়। এরপর বাদ আসর বায়তুল মোকাররমে তৃতীয় জানাজা শেষ হয়।

জানাজা শেষে মরদেহ পুনরায় সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালের (সিএমএইচ) হিমঘরে রাখার জন্য নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৬ জুলাই) সকালে হেলিকপ্টারে করে সাবেক রাষ্ট্রপতির মরদেহটি রংপুরে নিয়ে যাওয়া হবে। সকাল সাড়ে ১০টায় রংপুর ঈদগাহ মাঠে তার শেষ জানাজা হওয়ার কথা। এই জানাজা শেষে তাকে আবার হেলিকপ্টারে করে ঢাকায় এনে এ দিন বাদ জোহর সেনা কবরস্থানে দাফন করা হবে।

রোববার (১৪ জুলাই) সকাল পৌনে ৮টার দিকে সিএমএইচে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন এইচএম এরশাদ। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৯০ বছর। বার্ধক্যজনিত নানা রোগে ভুগছিলেন তিনি।

ওইদিন বাদ জোহর ঢাকা সেনানিবাসের কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে সম্পন্ন হয় তার প্রথম জানাজা।

জাতীয় পার্টির প্রতিষ্ঠাতা চেয়ার‌ম্যান এরশাদের মৃত্যুতে তিনদিনের শোক পালন করছে দলটি।